নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকার সব বিরোধী দলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে আবারও একটি একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষমতার মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে চায় উল্লেখ করে দেশবাসীকে এই নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘ডাকাতি ঠেকাতে না পারলে অন্তত ডাকাতিতে সহযোগিতা করবেন না।’
আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত মানববন্ধন ও নির্বাচন বর্জনের আহ্বানে গণসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমি-ডামির নির্বাচন বর্জন করুন, প্রতিহত করুন। জনগণের ভোট ছাড়া সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও নিজেদের মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে চাইছে। আপনি ডাকাতি ঠেকাতে না পারলে অন্তত ডাকাতিতে সহযোগিতা করবেন না। যে অন্যায় করে, তাকে সহযোগিতা করাও অন্যায়। তাই আমরা অসহযোগের ডাক দিয়েছি।’
দেশে ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য দিনে দিনে বাড়ছে জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ২২ পরিবারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করলাম। আর আজ ২ হাজার ২০০ কোটিপতি তৈরি হয়ে গেল। ২২ হাজার কোটি টাকা লুট হয়ে গেছে, সরকার তাদের ধরতে পারে না। আসলে ধরে না। কারণ তারা হয় সরকারি দলের অথবা পক্ষের লোক।’
বাজার পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমার দেশের গরিব মানুষ বাজারে গিয়ে যখন দেখে সে কিছু কিনতে পারছে না, তখন জিডিপির অঙ্ক তার কোনো কাজে আসে না। এই অঙ্ক ফাঁকির অঙ্ক।’
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘যদি দেশের সাধারণ মানুষের মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। শ্রমিককে ন্যায্য মজুরি দেবেন না, ভূমিহীনেরা নিঃস্ব হয়ে যাবে, সাংবাদিকেরা লিখতে পারবেন না—এই পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য না।’
সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা চাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হোক। আমরা সে জন্যই লড়াই করছি। স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে নিজের কাজ করতে চাই, কারও চাকর হয়ে থাকতে চাই না।’

সরকার সব বিরোধী দলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে আবারও একটি একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষমতার মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে চায় উল্লেখ করে দেশবাসীকে এই নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘ডাকাতি ঠেকাতে না পারলে অন্তত ডাকাতিতে সহযোগিতা করবেন না।’
আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত মানববন্ধন ও নির্বাচন বর্জনের আহ্বানে গণসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমি-ডামির নির্বাচন বর্জন করুন, প্রতিহত করুন। জনগণের ভোট ছাড়া সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও নিজেদের মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে চাইছে। আপনি ডাকাতি ঠেকাতে না পারলে অন্তত ডাকাতিতে সহযোগিতা করবেন না। যে অন্যায় করে, তাকে সহযোগিতা করাও অন্যায়। তাই আমরা অসহযোগের ডাক দিয়েছি।’
দেশে ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য দিনে দিনে বাড়ছে জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ২২ পরিবারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করলাম। আর আজ ২ হাজার ২০০ কোটিপতি তৈরি হয়ে গেল। ২২ হাজার কোটি টাকা লুট হয়ে গেছে, সরকার তাদের ধরতে পারে না। আসলে ধরে না। কারণ তারা হয় সরকারি দলের অথবা পক্ষের লোক।’
বাজার পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমার দেশের গরিব মানুষ বাজারে গিয়ে যখন দেখে সে কিছু কিনতে পারছে না, তখন জিডিপির অঙ্ক তার কোনো কাজে আসে না। এই অঙ্ক ফাঁকির অঙ্ক।’
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘যদি দেশের সাধারণ মানুষের মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। শ্রমিককে ন্যায্য মজুরি দেবেন না, ভূমিহীনেরা নিঃস্ব হয়ে যাবে, সাংবাদিকেরা লিখতে পারবেন না—এই পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য না।’
সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা চাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হোক। আমরা সে জন্যই লড়াই করছি। স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে নিজের কাজ করতে চাই, কারও চাকর হয়ে থাকতে চাই না।’

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৫ ঘণ্টা আগে