
ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে পুলিশে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ছাত্রদল।
ছাত্রদলের দাবি, মঙ্গলবার রাতে ফজলুর রহমান খোকন হাতিরঝিল এলাকার একটি দোকানে বন্ধুকে নিয়ে চা খাচ্ছিল। এ সময়ে ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তাকে ধরে হাতিরঝিল থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এর আগে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।
ছাত্রদলের দাবি, গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সম্রাটসহ খোকন তাঁর মগবাজার নয়াটোলার বাসায় যাওয়ার পথে মগবাজার মাজারের সামনে ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী তাঁর পথ রোধ করে। পরে খোকনকে আটকিয়ে জানতে চায়, তুই ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খোকন না? এ কথা বলেই ছাত্রলীগের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীরা এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। মুহূর্তের মাঝেই ১৫ থেকে ২০টি মোটরসাইকেলযোগে সেখানে ছাত্রলীগের আরও কর্মী এসে তাদের সঙ্গে যোগ হয়। তার পাঁচ মিনিট পর পুলিশের পোশাকে চারজন দুটি মোটরসাইকেলে এসে আহত খোকনকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় দৌড়ে রক্ষা পান ছাত্রদলের সাবেক নেতা সম্রাট।
হাতিরঝিল থানার ওসি শাহ মো. আওলাদ হোসেন বলেন, ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা বুধবারের অবরোধ কর্মসূচির সমর্থনে একটি মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। তখন পুলিশ দেখে নেতা-কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পালানোর সময় স্থানীয় জনতার সহায়তায় পুলিশ খোকনকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা রয়েছে বলে।
তবে, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং যুবদলের গ্রাম সরকার বিষয়ক সহ সম্পাদক মহিনদ্দিন রাজু জানান, আমরা খবর পেয়ে খোকনের সন্ধানে হাতিরঝিল থানায় যোগাযোগ করলে থানা থেকে জানানো হয় খোকন সেই থানায় নেই।
ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান বলেন, ‘দেশ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এখানে বিরোধী মত ও পথের কোনো নিরাপত্তা নেই। আজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতির সঙ্গে যেটা ঘটেছে, তা খুব বাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ ও গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব এস. এম. শাহরিয়ারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। দেশের এক ইঞ্চি ভূখণ্ড তো দূরের কথা, একটি বালুকণার ওপরও কাউকে পা রাখতে দেওয়া হবে না।
১৯ ঘণ্টা আগে
জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে নতুন ধারা তৈরির প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দেশের প্রধান দুই দল যেন পুরোনো চর্চা থেকে বেরই হতে পারছে না। এখনো তারা পরস্পরের সমালোচনা বা আক্রমণের প্রয়োজন হলেই টেনে আনছে অতীত।
১ দিন আগে
ইনু তথ্যমন্ত্রী থাকার সময় হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে দিগন্ত টেলিভিশন এবং ইসলামিক টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করা হয়। ওই রাতে ইসলামিক টেলিভিশনের অফিসে ভাঙচুরও করা হয়।
২ দিন আগে