ঢাবি প্রতিনিধি

'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ তো ডাকসু ভবনে আমাদের ওপর হামলা করেছে। তারা তো কারাগারে থাকার কথা। তাদের দেওয়া মামলা তো গ্রহণ করার মতো না। তারা নিজেরাই দুর্বৃত্ত।' গণ অধিকার পরিষদের নেতাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের করা মামলার আবেদনের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন নুরুল হক নুর।
গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া, সদস্যসচিব নুরুল হক নুর ও যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় আজ বিকেল ৪টায় মামলার আবেদন করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন। আবেদনটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ।
এর প্রতিক্রিয়ায় ডাকসুর সাবেক ভিপি ও সদ্যগঠিত রাজনৈতিক দল গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর বলেন, 'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মতো একটি সংগঠনের মামলার আবেদনে আমরা ভীত নই। আমরা আমাদের কাজ করে যাব। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ তো ডাকসু ভবনে আমাদের ওপর হামলা করেছে, বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করে খায়। তারা তো কারাগারে থাকার কথা। তাদের দেওয়া মামলা তো গ্রহণ করার মতো না। তারা নিজেরাই দুর্বৃত্ত।'
মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চকে চাঁদাবাজ, ভুঁইফোড় সংগঠন এবং বাইরের একটি রাষ্ট্রের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য মাঠে নেমেছে উল্লেখ করে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আমরা নতুন ধারার রাজনৈতিক দল গঠন করেছি। আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে কাজ করে যাব। কে কী করল সে বিষয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ আমাদের ব্যাপারে নাক গলাবে কেন?’
মামলার বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদূত হাওলাদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'এটা যেহেতু সাইবার ক্রাইমের বিষয় তাই আমরা কপিটি ওই বিভাগে পাঠিয়েছি। সার্বিক যাচাইবাছাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত জিডি হিসেবে গ্রহণ করেছি।’

'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ তো ডাকসু ভবনে আমাদের ওপর হামলা করেছে। তারা তো কারাগারে থাকার কথা। তাদের দেওয়া মামলা তো গ্রহণ করার মতো না। তারা নিজেরাই দুর্বৃত্ত।' গণ অধিকার পরিষদের নেতাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের করা মামলার আবেদনের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন নুরুল হক নুর।
গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া, সদস্যসচিব নুরুল হক নুর ও যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় আজ বিকেল ৪টায় মামলার আবেদন করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন। আবেদনটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ।
এর প্রতিক্রিয়ায় ডাকসুর সাবেক ভিপি ও সদ্যগঠিত রাজনৈতিক দল গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর বলেন, 'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মতো একটি সংগঠনের মামলার আবেদনে আমরা ভীত নই। আমরা আমাদের কাজ করে যাব। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ তো ডাকসু ভবনে আমাদের ওপর হামলা করেছে, বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করে খায়। তারা তো কারাগারে থাকার কথা। তাদের দেওয়া মামলা তো গ্রহণ করার মতো না। তারা নিজেরাই দুর্বৃত্ত।'
মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চকে চাঁদাবাজ, ভুঁইফোড় সংগঠন এবং বাইরের একটি রাষ্ট্রের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য মাঠে নেমেছে উল্লেখ করে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আমরা নতুন ধারার রাজনৈতিক দল গঠন করেছি। আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে কাজ করে যাব। কে কী করল সে বিষয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ আমাদের ব্যাপারে নাক গলাবে কেন?’
মামলার বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদূত হাওলাদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'এটা যেহেতু সাইবার ক্রাইমের বিষয় তাই আমরা কপিটি ওই বিভাগে পাঠিয়েছি। সার্বিক যাচাইবাছাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত জিডি হিসেবে গ্রহণ করেছি।’

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৬ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৮ ঘণ্টা আগে