নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ক্ষমতায় গেলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ইসলামি চেতনার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। আজ রোববার (৯ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন আয়োজিত শিক্ষক প্রতিনিধি সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে মুজিবুর রহমান বলেন, ‘২০২৪ সালে যে গণুভ্যুত্থান হয়েছিল সেখানে ছাত্ররা অংশ নিলেও শিক্ষকরা তাদের পেছন থেকে সাহস যোগিয়েছেন। তাই বলতে চাই, শিক্ষা যদি জাতির মেরুদন্ড হয়, তাহলে শিক্ষকদের অবস্থা আমাদের দেশে এমন কেন। বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বহু চেতনার মধ্য দিয়ে গিয়েছিত বিগত সময়ে। তবে আমাদের কথা এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা হবে ইসলামি চেতনার ভিত্তিতে।’
ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রথম কাজ হবে শিক্ষার সংস্কার সাধন করা বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাজের চাকা সৎ পথে চলছে না এমন মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষকদের অনুরোধ করব আপনি মানুষ গড়ার কারিগর তাই এটাকে সৎ ভাবে পালন করেন। তাহলে সমাজের চাকা সৎ পথে চলবে।’
জামায়াতে ইসলামীর আমীর বলেন, ‘আজকের শিক্ষকদের যে আন্দোলন সেখানে যত দাবি আসছে সেখানে আমি বলব, এত দাবির প্রয়োজন হবে না, যদি আপনারা এখানে দুইটি বিষয়কে আনেন তাহলে সব দাবিই এই দুইয়ের মধ্যে এসে যাবে। দুটোই ন্যায্য। একটা হচ্ছে, জাতীয়করণ করতে হবে আরেকটা হচ্ছে যেগুলো এমপিওভুক্ত হয়নি সেগুলো এমপিওভুক্ত করতে হবে। এই দুটি দাবি পূরণ হলে বাকি সব দাবি এমনিতেই পূরণ হয়ে যাবে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যে শিক্ষা নৈতিক শিক্ষা আমরা সেটিকে সমর্থন করব। ৯১ শতাংশ মুসলমানের দেশে শিক্ষা হতে হবে ইসলামী চেতনার শিক্ষা। এটি ছাড়া সমাজ ভালোভাবে চলবে না, যেটি প্রমাণিত। সমাজে নৈতিক শিক্ষা নেই বলেই আজকে মাগুরায় নিজ আত্নীয়ের কাছে শিশুর এমন অবস্থা হয়েছে। এই আত্নীয় বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে।’
বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াত ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমীর মো নূরুল ইসলাম বুলবুল। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর ও বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম কোরবান আলী। সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট সদস্য ও বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করিম।

ক্ষমতায় গেলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ইসলামি চেতনার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। আজ রোববার (৯ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন আয়োজিত শিক্ষক প্রতিনিধি সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে মুজিবুর রহমান বলেন, ‘২০২৪ সালে যে গণুভ্যুত্থান হয়েছিল সেখানে ছাত্ররা অংশ নিলেও শিক্ষকরা তাদের পেছন থেকে সাহস যোগিয়েছেন। তাই বলতে চাই, শিক্ষা যদি জাতির মেরুদন্ড হয়, তাহলে শিক্ষকদের অবস্থা আমাদের দেশে এমন কেন। বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বহু চেতনার মধ্য দিয়ে গিয়েছিত বিগত সময়ে। তবে আমাদের কথা এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা হবে ইসলামি চেতনার ভিত্তিতে।’
ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রথম কাজ হবে শিক্ষার সংস্কার সাধন করা বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাজের চাকা সৎ পথে চলছে না এমন মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষকদের অনুরোধ করব আপনি মানুষ গড়ার কারিগর তাই এটাকে সৎ ভাবে পালন করেন। তাহলে সমাজের চাকা সৎ পথে চলবে।’
জামায়াতে ইসলামীর আমীর বলেন, ‘আজকের শিক্ষকদের যে আন্দোলন সেখানে যত দাবি আসছে সেখানে আমি বলব, এত দাবির প্রয়োজন হবে না, যদি আপনারা এখানে দুইটি বিষয়কে আনেন তাহলে সব দাবিই এই দুইয়ের মধ্যে এসে যাবে। দুটোই ন্যায্য। একটা হচ্ছে, জাতীয়করণ করতে হবে আরেকটা হচ্ছে যেগুলো এমপিওভুক্ত হয়নি সেগুলো এমপিওভুক্ত করতে হবে। এই দুটি দাবি পূরণ হলে বাকি সব দাবি এমনিতেই পূরণ হয়ে যাবে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যে শিক্ষা নৈতিক শিক্ষা আমরা সেটিকে সমর্থন করব। ৯১ শতাংশ মুসলমানের দেশে শিক্ষা হতে হবে ইসলামী চেতনার শিক্ষা। এটি ছাড়া সমাজ ভালোভাবে চলবে না, যেটি প্রমাণিত। সমাজে নৈতিক শিক্ষা নেই বলেই আজকে মাগুরায় নিজ আত্নীয়ের কাছে শিশুর এমন অবস্থা হয়েছে। এই আত্নীয় বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে।’
বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াত ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমীর মো নূরুল ইসলাম বুলবুল। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর ও বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম কোরবান আলী। সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট সদস্য ও বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করিম।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৪ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৪ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৬ ঘণ্টা আগে