নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ছাত্রলীগের নামে যারা অপকর্ম করছে, তারা দুর্বৃত্ত। এসব দুর্বৃত্তের আওয়ামী লীগে থাকার অধিকার নেই। এদের দল থেকে শুধু বহিষ্কার করলে হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, তাদের গ্রেপ্তার করুন, শাস্তি দিন।’
আজ শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা অন্যায় ও অপরাধ করবে, তাদের দলের পরিচয় থাকলেও শেখ হাসিনা ছাড় দেবেন না। আমরা এত উন্নয়ন করছি, কিন্তু গুটিকয়েকের অপকর্ম উন্নয়ন ম্লান করে দিচ্ছে। অপকর্মকারীদের দিয়ে মিছিল বড় করার প্রয়োজন নেই।’
বিএনপির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যতই লাফালাফি, বাড়াবাড়ি করেন, জনগণ যত দিন ক্ষমতায় রাখবে, তত দিন ক্ষমতায় থাকব। জনগণের কাছে ডাক দিয়ে সাড়া ফেলতে পারে নাই। সংবিধান নিয়ে একচুলও ছাড় দেব না। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন।’
কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ বেহেশতের সুখে আছে—এই কথা বলব না; তবে অনেক দেশের তুলনায় ভালো আছে। ভয় নেই, জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। সংকট বড় বড় দেশের, কিন্তু দায় নিতে হচ্ছে আমাদের। বেশি দামে কিনে, বেশি দামে বিক্রি করছে। এ সমস্যা সাময়িক।’
আওয়ামী লীগ বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে নির্বাচন পর্যন্ত মাঠে থাকবে জানিয়ে কাদের বলেন, ‘খাম্বা সরকারকে বাংলাদেশের মানুষ আর ক্ষমতায় বসতে দেবে না। ক্ষমতার কথা ভুলে যান। প্রতিদিন কর্মসূচি হবে। কোনো পাল্টাপাল্টি নয়। বিএনপিকে নয়, তাদের অগ্নিসন্ত্রাসকে মানুষ ভয় পায়। রাজপথে নেমে আবার সহিংসতা করলে জনগণের জানমাল রক্ষায় পাহারাদার হিসেবে থাকব। ক্ষমতায় আছি, জনগণকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। সহিংসতা বরদাশত করা হবে না। তাদের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে পারি না। তাদের অধিকার নেই ক্ষমতা বসার।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সহসভাপতি নুরুল আমিন রুহুলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রমুখ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ছাত্রলীগের নামে যারা অপকর্ম করছে, তারা দুর্বৃত্ত। এসব দুর্বৃত্তের আওয়ামী লীগে থাকার অধিকার নেই। এদের দল থেকে শুধু বহিষ্কার করলে হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, তাদের গ্রেপ্তার করুন, শাস্তি দিন।’
আজ শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা অন্যায় ও অপরাধ করবে, তাদের দলের পরিচয় থাকলেও শেখ হাসিনা ছাড় দেবেন না। আমরা এত উন্নয়ন করছি, কিন্তু গুটিকয়েকের অপকর্ম উন্নয়ন ম্লান করে দিচ্ছে। অপকর্মকারীদের দিয়ে মিছিল বড় করার প্রয়োজন নেই।’
বিএনপির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যতই লাফালাফি, বাড়াবাড়ি করেন, জনগণ যত দিন ক্ষমতায় রাখবে, তত দিন ক্ষমতায় থাকব। জনগণের কাছে ডাক দিয়ে সাড়া ফেলতে পারে নাই। সংবিধান নিয়ে একচুলও ছাড় দেব না। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন।’
কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ বেহেশতের সুখে আছে—এই কথা বলব না; তবে অনেক দেশের তুলনায় ভালো আছে। ভয় নেই, জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। সংকট বড় বড় দেশের, কিন্তু দায় নিতে হচ্ছে আমাদের। বেশি দামে কিনে, বেশি দামে বিক্রি করছে। এ সমস্যা সাময়িক।’
আওয়ামী লীগ বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে নির্বাচন পর্যন্ত মাঠে থাকবে জানিয়ে কাদের বলেন, ‘খাম্বা সরকারকে বাংলাদেশের মানুষ আর ক্ষমতায় বসতে দেবে না। ক্ষমতার কথা ভুলে যান। প্রতিদিন কর্মসূচি হবে। কোনো পাল্টাপাল্টি নয়। বিএনপিকে নয়, তাদের অগ্নিসন্ত্রাসকে মানুষ ভয় পায়। রাজপথে নেমে আবার সহিংসতা করলে জনগণের জানমাল রক্ষায় পাহারাদার হিসেবে থাকব। ক্ষমতায় আছি, জনগণকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। সহিংসতা বরদাশত করা হবে না। তাদের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে পারি না। তাদের অধিকার নেই ক্ষমতা বসার।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সহসভাপতি নুরুল আমিন রুহুলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রমুখ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
১১ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
১১ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
১১ ঘণ্টা আগে