
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায় রয়েছে। নির্বাচনে বিএনপি যেহেতু গণভোটের পক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রচার চালিয়েছে এবং ‘হ্যাঁ’-তে ভোট দিয়ে দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেছে, সে কারণে গণভোটের রায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া বিএনপির জন্য গৌরবজনকই হবে।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, গণভোটের অধ্যাদেশ নিয়ে আপত্তি থাকলেও ৭১ শতাংশ ভোটার যেহেতু সাধারণভাবে গণভোটের পক্ষে মতামত দিয়েছেন, সে জন্য গণভোটের রায়কে নাকচ করা বিবেচনাসম্মত কাজ হবে না। আর জাতীয় সংসদে বিএনপির যেহেতু দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, তাই গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিএনপির উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। তদুপরি জুলাই সনদের অনেকগুলো সংশোধনী প্রস্তাবে বিএনপির আপত্তি (নোট অব ডিসেন্ট) রয়েছে, যা বাস্তবায়নে তাদের বড় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
সাইফুল হক আশা করেন, এই ইস্যুতে বিএনপি নেতৃত্ব দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবে এবং গণ-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
জ্বালানি নিয়ে বিএনপিকে যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, তা সমন্বিতভাবে সবাইকে নিয়েই এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে বলে মন্তব্য করেন এই নেতা। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, আবশ্যিকভাবে সবাইকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
পার্টির মহানগর কমিটির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, মহানগর কমিটির সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মীর রেজাউল আলম, বাবর চৌধুরী প্রমুখ।

সংগঠনটির প্রচারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল শুক্রবার (১৭ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে এ কর্মসূচি শুরু হবে। জুমার নামাজের পর অনুষ্ঠিতব্য কফিন মিছিলে অংশ নিতে শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ এবং সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
২৭ মিনিট আগে
রথযাত্রা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে গরমে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর স্বামীবাগে ইসকন মন্দিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সংসদে আমাদের অনেক সংবিধান শেখানো হয়। অবৈতনিক কিছু শিক্ষক আছেন, হাবভাব যে—দুনিয়ার সবকিছু উনারা বোঝেন। আমি একটু জিজ্ঞেস করতে চাই, “সংবিধান সংশোধন কমিটি” নামে কোনো কমিটি কোনো বিধিতে সংবিধানে আছে কি না?’
২ ঘণ্টা আগে
জনগণ শুধু সরকার পরিবর্তনের জন্য আত্মদান করেনি; তারা বৈষম্য দূরীকরণ, রাষ্ট্র পরিচালনার বিদ্যমান কাঠামোর পরিবর্তন, ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান, আইনের শাসন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন কাঠামো তথা অংশীদারত্বমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে
২০ ঘণ্টা আগে