নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে আমরা দ্রব্যমূল্য, তেল-গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কিন্তু সরকার কানে শুনে না। আজকে ডিমের দাম ১৫ টাকা। এদের দুর্নীতির কারণে টাকার মান কমে গেছে।’
আজ শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কালো পতাকা গণমিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির তিনি এ কথা বলেন। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের কারাগারে আটকে রেখে হত্যা করা হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আগে হত্যা করত গুলি করে, গুম করে। আর এখন হত্যা করে পিটিয়ে, মেরে ও জেলখানায় আটকে রেখে। খাওয়া না দিয়ে বিনা চিকিৎসায় আমাদের কর্মীদের হত্যা করছে।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যখন সংগ্রাম করেছি, তখন বাঙালির বিরুদ্ধে যারা গুলি চালাত, লাঠিচার্জ করত, তারা তো ছিল পাকিস্তানি পুলিশ। আজ আমরা আন্দোলন করছি, আজও গুলি চালানো হচ্ছে। আপনারা (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) কি বিদেশি পুলিশ? নিজ দেশের জনগণের ওপর গুলি চালাচ্ছেন।’
মির্জা আব্বাস আরও বলেন, এই সরকারের পদত্যাগ না হলে দেশের মানুষ বাঁচবে না। এই দেশের স্বাধীনতা থাকবে না।
দেশে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমাদের দেশ নিয়ে বহু দেশ মাথা ঘামাচ্ছে। তাদের কার কী স্বার্থ জানি না। তবে একটি বিশেষ দেশ, তারা পরিষ্কার করে বলছে—এখান থেকে শেখ হাসিনার সরকারকে সরানো যাবে না। এ কথাটা উদ্দেশ্যমূলক, যা দেশের মানুষকে বুঝতে হবে। যারা বলে এ কথা, তাদের পরিষ্কার করে বলতে চাই—সরকারের সঙ্গে নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে নয়, বিএনপির সঙ্গে নয়, এই দেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন।’
বেলা ৩টায় মিছিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে কর্মসূচির কার্যক্রম খানিকটা বিলম্বে শুরু হয়। সমাবেশের পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কালো পতাকা গণমিছিল শুরু হয়। মিছিলটি মতিঝিল, ইত্তেফাক মোড়, টিকাটুলি হয়ে দয়াগঞ্জ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে আমরা দ্রব্যমূল্য, তেল-গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কিন্তু সরকার কানে শুনে না। আজকে ডিমের দাম ১৫ টাকা। এদের দুর্নীতির কারণে টাকার মান কমে গেছে।’
আজ শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কালো পতাকা গণমিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির তিনি এ কথা বলেন। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের কারাগারে আটকে রেখে হত্যা করা হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আগে হত্যা করত গুলি করে, গুম করে। আর এখন হত্যা করে পিটিয়ে, মেরে ও জেলখানায় আটকে রেখে। খাওয়া না দিয়ে বিনা চিকিৎসায় আমাদের কর্মীদের হত্যা করছে।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যখন সংগ্রাম করেছি, তখন বাঙালির বিরুদ্ধে যারা গুলি চালাত, লাঠিচার্জ করত, তারা তো ছিল পাকিস্তানি পুলিশ। আজ আমরা আন্দোলন করছি, আজও গুলি চালানো হচ্ছে। আপনারা (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) কি বিদেশি পুলিশ? নিজ দেশের জনগণের ওপর গুলি চালাচ্ছেন।’
মির্জা আব্বাস আরও বলেন, এই সরকারের পদত্যাগ না হলে দেশের মানুষ বাঁচবে না। এই দেশের স্বাধীনতা থাকবে না।
দেশে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমাদের দেশ নিয়ে বহু দেশ মাথা ঘামাচ্ছে। তাদের কার কী স্বার্থ জানি না। তবে একটি বিশেষ দেশ, তারা পরিষ্কার করে বলছে—এখান থেকে শেখ হাসিনার সরকারকে সরানো যাবে না। এ কথাটা উদ্দেশ্যমূলক, যা দেশের মানুষকে বুঝতে হবে। যারা বলে এ কথা, তাদের পরিষ্কার করে বলতে চাই—সরকারের সঙ্গে নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে নয়, বিএনপির সঙ্গে নয়, এই দেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন।’
বেলা ৩টায় মিছিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে কর্মসূচির কার্যক্রম খানিকটা বিলম্বে শুরু হয়। সমাবেশের পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কালো পতাকা গণমিছিল শুরু হয়। মিছিলটি মতিঝিল, ইত্তেফাক মোড়, টিকাটুলি হয়ে দয়াগঞ্জ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
৮ মিনিট আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
৩২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
২ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
৩ ঘণ্টা আগে