
যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে তাদের শাস্তি দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলে তিনি।
আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করতে অগ্নি সন্ত্রাস করলে এর পরিণতি ভালো হবে না। যারা (নির্বাচন বানচালের চেষ্টা) করবে দেশের মানুষই তাদের শাস্তি দেবে। দেশের মানুষকে আমি সেই আহ্বান জানাচ্ছি।’ এ সময় বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘যাদের মানুষের ওপর আস্থা নেই, বিশ্বাস নেই, দল হিসেবে সুসংগঠিত না তারাই নির্বাচন বানচালের একটা চেষ্টা করে যাচ্ছে।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, ‘যে সমস্ত দল নির্বাচনে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের সাধুবাদ জানাই, ধন্যবাদ জানাই। কষ্টে অর্জিত গণতান্ত্রিক ধারা কেউ যাতে ব্যাহত করতে না পারে, সেই আহ্বান জানাচ্ছি।’
দেশবাসী ভোট দিয়ে প্রিয় মানুষকে নির্বাচিত করবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাঁরা সংসদে বসবে, আইন পাশ করবে, রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। এটা জনগণের অধিকার। জনগণের অধিকার যারা কেড়ে নিতে অগ্নি সন্ত্রাস করবে, জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে। আমি জনগণের কাছে সেই আহ্বান জানাই।’
এর আগে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নিজের মনোনয়ন ফরম কেনেন শেখ হাসিনা। তাঁর পক্ষে দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ গোপালগঞ্জ-৩ আসনের মনোনয়ন ফরম কেনেন। ২০০৮ সালে তিনটি আসন থেকে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালে দুটি আসন এবং সর্বশেষ নির্বাচনে একটি আসন থেকে নির্বাচন করেন।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কর্মী-সমর্থকেরা গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকায় অবস্থান করছেন। দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এলাকা ত্যাগ করলে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা মনোনয়ন কিনবেন।

যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে তাদের শাস্তি দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলে তিনি।
আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করতে অগ্নি সন্ত্রাস করলে এর পরিণতি ভালো হবে না। যারা (নির্বাচন বানচালের চেষ্টা) করবে দেশের মানুষই তাদের শাস্তি দেবে। দেশের মানুষকে আমি সেই আহ্বান জানাচ্ছি।’ এ সময় বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘যাদের মানুষের ওপর আস্থা নেই, বিশ্বাস নেই, দল হিসেবে সুসংগঠিত না তারাই নির্বাচন বানচালের একটা চেষ্টা করে যাচ্ছে।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, ‘যে সমস্ত দল নির্বাচনে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের সাধুবাদ জানাই, ধন্যবাদ জানাই। কষ্টে অর্জিত গণতান্ত্রিক ধারা কেউ যাতে ব্যাহত করতে না পারে, সেই আহ্বান জানাচ্ছি।’
দেশবাসী ভোট দিয়ে প্রিয় মানুষকে নির্বাচিত করবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাঁরা সংসদে বসবে, আইন পাশ করবে, রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। এটা জনগণের অধিকার। জনগণের অধিকার যারা কেড়ে নিতে অগ্নি সন্ত্রাস করবে, জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে। আমি জনগণের কাছে সেই আহ্বান জানাই।’
এর আগে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নিজের মনোনয়ন ফরম কেনেন শেখ হাসিনা। তাঁর পক্ষে দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ গোপালগঞ্জ-৩ আসনের মনোনয়ন ফরম কেনেন। ২০০৮ সালে তিনটি আসন থেকে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালে দুটি আসন এবং সর্বশেষ নির্বাচনে একটি আসন থেকে নির্বাচন করেন।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কর্মী-সমর্থকেরা গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকায় অবস্থান করছেন। দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এলাকা ত্যাগ করলে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা মনোনয়ন কিনবেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
২ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৫ ঘণ্টা আগে