নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ নেতা-কর্মী ও আলেম-ওলামাদের মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আগামী মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেশের সব মহানগরীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।
আজ রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে দলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বিবৃতিতে মা’ছুম বলেন, ‘বর্তমান সরকার আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও সারা দেশে নেতা-কর্মীদের মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে আটক করে রেখেছে। নেতা-কর্মীরা আদালত থেকে জামিন লাভ করলেও সরকার তাঁদের মুক্তি দিচ্ছে না। নতুন নতুন মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে নেতা-কর্মীদের মুক্তির পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের বরেণ্য আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্যমূলক মামলা দিয়ে কষ্ট দিচ্ছে।’
তাঁদের মুক্তি না দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি মৃত ব্যক্তিদের নামেও মামলা দায়ের করা হচ্ছে। গত তিন দিনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৬৫ জন নেতা-কর্মীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকারের জুলুম-নির্যাতন থেকে বৃদ্ধ নারী-পুরুষ, শিশুসহ কেউই রেহাই পাচ্ছে না। সরকারের জুলুম-নির্যাতনের মাত্রা চরম আকার ধারণ করেছে।
মা’ছুম আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ সব বিরোধী দলের দাবি সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। দেশের জনগণ কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ। সরকারবিরোধী দলকে বাইরে রেখে একটি প্রহসনের নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ নেতা-কর্মী ও আলেম-ওলামাদের মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আগামী মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেশের সব মহানগরীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।
আজ রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে দলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বিবৃতিতে মা’ছুম বলেন, ‘বর্তমান সরকার আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও সারা দেশে নেতা-কর্মীদের মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে আটক করে রেখেছে। নেতা-কর্মীরা আদালত থেকে জামিন লাভ করলেও সরকার তাঁদের মুক্তি দিচ্ছে না। নতুন নতুন মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে নেতা-কর্মীদের মুক্তির পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের বরেণ্য আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্যমূলক মামলা দিয়ে কষ্ট দিচ্ছে।’
তাঁদের মুক্তি না দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি মৃত ব্যক্তিদের নামেও মামলা দায়ের করা হচ্ছে। গত তিন দিনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৬৫ জন নেতা-কর্মীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকারের জুলুম-নির্যাতন থেকে বৃদ্ধ নারী-পুরুষ, শিশুসহ কেউই রেহাই পাচ্ছে না। সরকারের জুলুম-নির্যাতনের মাত্রা চরম আকার ধারণ করেছে।
মা’ছুম আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ সব বিরোধী দলের দাবি সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। দেশের জনগণ কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ। সরকারবিরোধী দলকে বাইরে রেখে একটি প্রহসনের নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৭ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগে