নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিতে হবে। তারপরেই রাজপথে আওয়ামী লীগের সঙ্গে খেলা হবে, এর আগে নয়। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পল্টনের বিএনপি কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল এর ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর যুব-সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
‘খেলা হবে’ বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকারের মন্ত্রীরা বলে, খেলা হবে। কিসের খেলা হবে? খেলা তখনই হয় যখন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে। খেলা তখন হবে যখন সরকার থেকে পদত্যাগ করে রাজপথে আসবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার যখন দায়িত্ব নেবে তখন নির্বাচনে খেলা হবে। এ ছাড়া কোন খেলা খেলতে দেওয়া হবে না।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন রিজার্ভের টাকা চিবিয়ে খাওয়া হয়নি। আপনারা চিবিয়ে তো খান নাই রিজার্ভের টাকা গিলে খেয়েছেন। পায়রা বন্দরে খরচ করার জন্য রিজার্ভের টাকা না। রিজার্ভের টাকা হচ্ছে দেশে অর্থনৈতিক ক্রাইসিস দেখা দিলে ব্যবহার করার জন্য।’
বিভাগীয় সমাবেশগুলোতে বাঁধা দেওয়া প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সমাবেশ বন্ধ করার জন্য বাস, পরিবহন ধর্মঘট শুরু করেছেন। ধর্মঘট দিয়ে কি গণতন্ত্রকামী মানুষকে আটকে রাখতে পেরেছে? পারেনি। জনগণ তাদের দাবি জানাতে পায়ে হেঁটে বিভিন্নভাবে সমাবেশে এসে উপস্থিত হয়েছে।’
এ সময় তিনি পরিবহন মালিক, শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা কাদের সাহায্য করছেন ভেবে দেখুন। জনগণের সঙ্গে থাকুন, তাদের ভোগান্তি করবেন না।’
এ সময় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে দলের মহাসচিব বলেন, ‘তারা আজকে গুলি করে আমাদের দমন করতে চায়। তারা আজকে অত্যাচার করে নির্যাতন করে দমন করতে চায়। আমাদের সামনে অনেক কঠিন সময়, আমাদের সামনে অনেক পরীক্ষা, আমাদের সামনে অনেক যুদ্ধ।’
যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হকসহ প্রমুখ।

সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিতে হবে। তারপরেই রাজপথে আওয়ামী লীগের সঙ্গে খেলা হবে, এর আগে নয়। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পল্টনের বিএনপি কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল এর ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর যুব-সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
‘খেলা হবে’ বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকারের মন্ত্রীরা বলে, খেলা হবে। কিসের খেলা হবে? খেলা তখনই হয় যখন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে। খেলা তখন হবে যখন সরকার থেকে পদত্যাগ করে রাজপথে আসবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার যখন দায়িত্ব নেবে তখন নির্বাচনে খেলা হবে। এ ছাড়া কোন খেলা খেলতে দেওয়া হবে না।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন রিজার্ভের টাকা চিবিয়ে খাওয়া হয়নি। আপনারা চিবিয়ে তো খান নাই রিজার্ভের টাকা গিলে খেয়েছেন। পায়রা বন্দরে খরচ করার জন্য রিজার্ভের টাকা না। রিজার্ভের টাকা হচ্ছে দেশে অর্থনৈতিক ক্রাইসিস দেখা দিলে ব্যবহার করার জন্য।’
বিভাগীয় সমাবেশগুলোতে বাঁধা দেওয়া প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সমাবেশ বন্ধ করার জন্য বাস, পরিবহন ধর্মঘট শুরু করেছেন। ধর্মঘট দিয়ে কি গণতন্ত্রকামী মানুষকে আটকে রাখতে পেরেছে? পারেনি। জনগণ তাদের দাবি জানাতে পায়ে হেঁটে বিভিন্নভাবে সমাবেশে এসে উপস্থিত হয়েছে।’
এ সময় তিনি পরিবহন মালিক, শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা কাদের সাহায্য করছেন ভেবে দেখুন। জনগণের সঙ্গে থাকুন, তাদের ভোগান্তি করবেন না।’
এ সময় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে দলের মহাসচিব বলেন, ‘তারা আজকে গুলি করে আমাদের দমন করতে চায়। তারা আজকে অত্যাচার করে নির্যাতন করে দমন করতে চায়। আমাদের সামনে অনেক কঠিন সময়, আমাদের সামনে অনেক পরীক্ষা, আমাদের সামনে অনেক যুদ্ধ।’
যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হকসহ প্রমুখ।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৪ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৪ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৬ ঘণ্টা আগে