ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে বিএনপির সমাবেশে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘সরকার জনগণের সমর্থন হারিয়েছে, তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। বিদেশি কূটনীতিকদের সমর্থন হারিয়ে তাদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফর তারই অংশ।’
আজ শনিবার বিকেল উচ্চ আদালতের নির্দেশনা, সরকারের অবজ্ঞা, গায়েবি মামলা, পুলিশি হয়রানি, দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সরকারের দুর্নীতি ও ১০ দফা দাবিতে ঝিনাইদহে ওয়াজের আলী স্কুল মাঠে জেলা বিএনপি সমাবেশে এসব কথা বলেন আমির খসরু।
আমির খসরু বলেন, ‘কূটনীতিকদের সমর্থন হারিয়ে কখনো কূটনীতিকদের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করছে, আবার তাদের নিরাপত্তা কেড়ে নিচ্ছে। মানুষের কণ্ঠস্বর কেড়ে নিতে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট করেছে। এটা তাদের জনবিচ্ছিন্নতারই অংশ এবং খড়কুটো ধরে বাঁচার চেষ্টা।’
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির খসরু বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার আবারও ভোট চুরির পরিকল্পনা করছে। তাদের আর ভোট চুরি করতে দেওয়া হবে না।
সরকার আজ জনবিচ্ছিন্ন দাবি করে আমির খসরু বলেন, ‘সরকার আজ জনবিচ্ছিন্ন হয়েছে, জনগণ তাদের সঙ্গে নেই। দেশের আপামর জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন করে যাচ্ছে বিএনপি। এই আন্দোলনের ভয়ে সরকার তাদের আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে মামলা দিচ্ছে, তাদের হয়রানি করছে। তারা প্রায় ৪০ হাজার বিএনপি নেতা-কর্মীকে মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। এই পরিবারগুলো জেগে উঠেছে। তারা সরকারের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠেছে।’
আমির খসরু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘সরকারকে টিকিয়ে রাখতে, আপনাদের অস্তিত্ব রক্ষায় এভাবে মানুষকে হয়রানি করবেন না। পুলিশের যেসকল অফিসার সরকারের কথায় মানুষকে হয়রানি করছেন তারা সাবধান হয়ে যান। ভবিষ্যতে সকল কর্মের হিসাব দিতে হবে। জনগণ তাদের হিসাব বুঝে নেবে। তাই সাবধান হন, হয়রানি বন্ধ করুন।’
সর্বোপরি দলের নেতা–কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকার পতনের আন্দোলনে কাজ করার আহ্বান জানান আমির খসরু। এ ছাড়া তিনি বলেন, বিদ্যুতের ভোগান্তি, দ্রব্যমূল্যে ঊর্ধ্বগতি সরকারকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে নইলে জনগণই একসময় তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. আসাদুজ্জামান, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু সহ দলের বিপুলসংখ্যক কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সমাবেশ শুরুর আগ থেকেই মডার্ন মোড়, আপারপুর, প্রেসক্লাব, হাটের রাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা–কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হয়।

ঝিনাইদহে বিএনপির সমাবেশে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘সরকার জনগণের সমর্থন হারিয়েছে, তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। বিদেশি কূটনীতিকদের সমর্থন হারিয়ে তাদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফর তারই অংশ।’
আজ শনিবার বিকেল উচ্চ আদালতের নির্দেশনা, সরকারের অবজ্ঞা, গায়েবি মামলা, পুলিশি হয়রানি, দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সরকারের দুর্নীতি ও ১০ দফা দাবিতে ঝিনাইদহে ওয়াজের আলী স্কুল মাঠে জেলা বিএনপি সমাবেশে এসব কথা বলেন আমির খসরু।
আমির খসরু বলেন, ‘কূটনীতিকদের সমর্থন হারিয়ে কখনো কূটনীতিকদের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করছে, আবার তাদের নিরাপত্তা কেড়ে নিচ্ছে। মানুষের কণ্ঠস্বর কেড়ে নিতে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট করেছে। এটা তাদের জনবিচ্ছিন্নতারই অংশ এবং খড়কুটো ধরে বাঁচার চেষ্টা।’
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির খসরু বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার আবারও ভোট চুরির পরিকল্পনা করছে। তাদের আর ভোট চুরি করতে দেওয়া হবে না।
সরকার আজ জনবিচ্ছিন্ন দাবি করে আমির খসরু বলেন, ‘সরকার আজ জনবিচ্ছিন্ন হয়েছে, জনগণ তাদের সঙ্গে নেই। দেশের আপামর জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন করে যাচ্ছে বিএনপি। এই আন্দোলনের ভয়ে সরকার তাদের আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে মামলা দিচ্ছে, তাদের হয়রানি করছে। তারা প্রায় ৪০ হাজার বিএনপি নেতা-কর্মীকে মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। এই পরিবারগুলো জেগে উঠেছে। তারা সরকারের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠেছে।’
আমির খসরু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘সরকারকে টিকিয়ে রাখতে, আপনাদের অস্তিত্ব রক্ষায় এভাবে মানুষকে হয়রানি করবেন না। পুলিশের যেসকল অফিসার সরকারের কথায় মানুষকে হয়রানি করছেন তারা সাবধান হয়ে যান। ভবিষ্যতে সকল কর্মের হিসাব দিতে হবে। জনগণ তাদের হিসাব বুঝে নেবে। তাই সাবধান হন, হয়রানি বন্ধ করুন।’
সর্বোপরি দলের নেতা–কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকার পতনের আন্দোলনে কাজ করার আহ্বান জানান আমির খসরু। এ ছাড়া তিনি বলেন, বিদ্যুতের ভোগান্তি, দ্রব্যমূল্যে ঊর্ধ্বগতি সরকারকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে নইলে জনগণই একসময় তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. আসাদুজ্জামান, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু সহ দলের বিপুলসংখ্যক কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সমাবেশ শুরুর আগ থেকেই মডার্ন মোড়, আপারপুর, প্রেসক্লাব, হাটের রাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা–কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
১১ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
১১ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
১১ ঘণ্টা আগে