নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

৯২ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেল সিপিডির কাছে জানতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ সোমবার আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সিপিডির প্রতিবেদনে বলা পাচার হওয়া ৯২ হাজার কোটি টাকার হদিস চেয়েছেন ওবায়দুল কাদের। সিপিডিকে উদ্দেশ্য করে কাদের বলেন, ‘এই ৯২ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেল? কোথায় আছে সেটা আগে বলেন। সেটার সন্ধান দিলে আমরা জবাব দেব। তাহলে জানান।’
কাদের বলেন, ‘সবকিছু শতভাগ পারফেক্ট হব তা আমরা দাবি করি না। সমালোচনা শুদ্ধ করে। সমালোচনা হলে শুদ্ধ হবার একটা সুযোগ হয়। পার্লামেন্টে সমালোচনা হলে আমরা শুদ্ধ হতে পারি।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখন বড়দিন উপলক্ষে আমেরিকান রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বাইরে সম্ভবত ইন্ডিয়ায় আছেন। যারা নিষেধাজ্ঞা, ভিসানীতি নিয়ে এত কথা বলছেন, যারা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও ভিসানীতি আমেরিকার বহুল প্রচলিত ঘোষণা। আমেরিকার ৫ জন প্রতিনিধি আছেন বাংলাদেশে। আমেরিকার ক্ষমতার রাজনীতির দুই প্রধান দল ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকের ৫ জন প্রতিনিধি এখন বাংলাদেশে আছেন। আমরা তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
নির্বাচনসংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘নির্বাচনসংক্রান্ত অভিযোগ সব নির্বাচন কমিশন দেখবে। যেহেতু এটি নির্বাচন কমিশনসংক্রান্ত বিষয়, এটি স্বাধীন। আচরণবিধি যথাযথ প্রয়োগ, বিশৃঙ্খলা নিয়ে আইন প্রয়োগ করবে কমিশন। আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল সবাই প্রতিদ্বন্দ্বী। এই প্রতিযোগিতা যদি বিশৃঙ্খলায় আবর্ত হয়, নির্বাচন কমিশন তারা যে স্টেপ, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ দল হিসেবে আপত্তি করবে না।’
শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে চায় জানিয়ে কাদের আরও বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে চাই। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অধিকার কারও নেই। সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ার সুযোগ নেই। আমরা এটাকে সমর্থন করি না। কমিশন যে ব্যবস্থা নেবে আমরা তার সাথে আছি।’
বিএনপির লিফলেট বিতরণ শান্তির পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করা— জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি লিফলেট বিতরণ করবে কেন? নির্বাচনের বিরুদ্ধে। অসহযোগ করবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে। নির্বাচনের বিরুদ্ধে শান্তির প্রোগ্রাম হয় না। নির্বাচনী শান্তির পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করা। আমরা এটুকুই বুঝি।’
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

৯২ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেল সিপিডির কাছে জানতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ সোমবার আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সিপিডির প্রতিবেদনে বলা পাচার হওয়া ৯২ হাজার কোটি টাকার হদিস চেয়েছেন ওবায়দুল কাদের। সিপিডিকে উদ্দেশ্য করে কাদের বলেন, ‘এই ৯২ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেল? কোথায় আছে সেটা আগে বলেন। সেটার সন্ধান দিলে আমরা জবাব দেব। তাহলে জানান।’
কাদের বলেন, ‘সবকিছু শতভাগ পারফেক্ট হব তা আমরা দাবি করি না। সমালোচনা শুদ্ধ করে। সমালোচনা হলে শুদ্ধ হবার একটা সুযোগ হয়। পার্লামেন্টে সমালোচনা হলে আমরা শুদ্ধ হতে পারি।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখন বড়দিন উপলক্ষে আমেরিকান রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বাইরে সম্ভবত ইন্ডিয়ায় আছেন। যারা নিষেধাজ্ঞা, ভিসানীতি নিয়ে এত কথা বলছেন, যারা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও ভিসানীতি আমেরিকার বহুল প্রচলিত ঘোষণা। আমেরিকার ৫ জন প্রতিনিধি আছেন বাংলাদেশে। আমেরিকার ক্ষমতার রাজনীতির দুই প্রধান দল ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকের ৫ জন প্রতিনিধি এখন বাংলাদেশে আছেন। আমরা তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
নির্বাচনসংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘নির্বাচনসংক্রান্ত অভিযোগ সব নির্বাচন কমিশন দেখবে। যেহেতু এটি নির্বাচন কমিশনসংক্রান্ত বিষয়, এটি স্বাধীন। আচরণবিধি যথাযথ প্রয়োগ, বিশৃঙ্খলা নিয়ে আইন প্রয়োগ করবে কমিশন। আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল সবাই প্রতিদ্বন্দ্বী। এই প্রতিযোগিতা যদি বিশৃঙ্খলায় আবর্ত হয়, নির্বাচন কমিশন তারা যে স্টেপ, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ দল হিসেবে আপত্তি করবে না।’
শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে চায় জানিয়ে কাদের আরও বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে চাই। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অধিকার কারও নেই। সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ার সুযোগ নেই। আমরা এটাকে সমর্থন করি না। কমিশন যে ব্যবস্থা নেবে আমরা তার সাথে আছি।’
বিএনপির লিফলেট বিতরণ শান্তির পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করা— জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি লিফলেট বিতরণ করবে কেন? নির্বাচনের বিরুদ্ধে। অসহযোগ করবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে। নির্বাচনের বিরুদ্ধে শান্তির প্রোগ্রাম হয় না। নির্বাচনী শান্তির পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করা। আমরা এটুকুই বুঝি।’
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
২ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৫ ঘণ্টা আগে