ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির সম্মেলন আগামী এক মাসের মধ্যে আয়োজন করার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্র। পৃথক দুটি চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে জেলা ও ৭ জুলাইয়ের মধ্যে মহানগর বিএনপির সম্মেলন আয়োজন করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি জানানো হয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন উভয় কমিটির নেতারা। ২ জুন দলীয় প্যাডে চিঠি দুটি জেলা ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের কাছে পাঠানো হয় এবং তাঁরা গতকাল মঙ্গলবার সেগুলো হাতে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
জেলা বিএনপির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২ জুন রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভার্চুয়াল অংশগ্রহণে ফরিদপুর বিভাগীয় নেতাদের নিয়ে সভা হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ফরিদপুর জেলার আওতাধীন সব ইউনিট কমিটি জুলাই মাসের মধ্যে গঠন করে ১২ জুলাইয়ের মধ্যে জেলা বিএনপির সম্মেলন আয়োজন করতে হবে। অন্যথায় জেলা আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দেওয়া হবে।
এ ছাড়া মহানগর বিএনপির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মহানগরের আওতাধীন ওয়ার্ডগুলোর কমিটি করে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সম্মেলন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তা না হলে কমিটি ভেঙে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন বলেন, ‘চিঠি পাওয়ার পরই আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য কাজ শুরু করে দিয়েছি। সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যমে যথাসময়ে সম্মেলনের আয়োজন করা হবে।’
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল জেলা বিএনপির ১৯ সদস্যবিশিষ্ট ও মহানগর বিএনপির ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। পরে সাড়ে চার মাস পর সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে দুটি কমিটিকে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট করা হয়।
আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পর থেকে জেলার ১৫টি ইউনিটের (নয়টি উপজেলা ও পাঁচটি পৌরসভা) মধ্যে আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর, ভাঙ্গা পৌর ও সদরপুর উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগে কেন্দ্রীয় কমিটি সেগুলো স্থগিত করে এবং পরে এক আদেশে সদরপুর উপজেলা কমিটি পুনর্বহাল করা হয়।
এ বিষয়ে স্বপন বলেন, ‘জেলার ১৫টি ইউনিটের মাধ্যমে চারটিতে কমিটি দিয়েছিলাম। এর মধ্যে তিনটি স্থগিত রয়েছে। এ বিষয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেন্দ্র যে সিদ্ধান্ত দেবে, মেনে নেওয়া হবে।’
যোগাযোগ করা হলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা বলেন, ‘যথাসময়ের মধ্যে আমাদের সম্মেলন হবে এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’
এদিকে মহানগরের ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৯টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সদস্যসচিব গোলাম মোস্তফা মিরাজ নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাকি আটটি দ্রুত সম্পন্ন করে কেন্দ্রে পাঠানো হবে। এ ছাড়া যে দিন সম্মেলনের সিদ্ধান্ত দেবে, সে দিনই করা হবে।’

ফরিদপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির সম্মেলন আগামী এক মাসের মধ্যে আয়োজন করার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্র। পৃথক দুটি চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে জেলা ও ৭ জুলাইয়ের মধ্যে মহানগর বিএনপির সম্মেলন আয়োজন করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি জানানো হয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন উভয় কমিটির নেতারা। ২ জুন দলীয় প্যাডে চিঠি দুটি জেলা ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের কাছে পাঠানো হয় এবং তাঁরা গতকাল মঙ্গলবার সেগুলো হাতে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
জেলা বিএনপির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২ জুন রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভার্চুয়াল অংশগ্রহণে ফরিদপুর বিভাগীয় নেতাদের নিয়ে সভা হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ফরিদপুর জেলার আওতাধীন সব ইউনিট কমিটি জুলাই মাসের মধ্যে গঠন করে ১২ জুলাইয়ের মধ্যে জেলা বিএনপির সম্মেলন আয়োজন করতে হবে। অন্যথায় জেলা আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দেওয়া হবে।
এ ছাড়া মহানগর বিএনপির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মহানগরের আওতাধীন ওয়ার্ডগুলোর কমিটি করে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সম্মেলন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তা না হলে কমিটি ভেঙে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন বলেন, ‘চিঠি পাওয়ার পরই আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য কাজ শুরু করে দিয়েছি। সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যমে যথাসময়ে সম্মেলনের আয়োজন করা হবে।’
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল জেলা বিএনপির ১৯ সদস্যবিশিষ্ট ও মহানগর বিএনপির ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। পরে সাড়ে চার মাস পর সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে দুটি কমিটিকে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট করা হয়।
আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পর থেকে জেলার ১৫টি ইউনিটের (নয়টি উপজেলা ও পাঁচটি পৌরসভা) মধ্যে আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর, ভাঙ্গা পৌর ও সদরপুর উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগে কেন্দ্রীয় কমিটি সেগুলো স্থগিত করে এবং পরে এক আদেশে সদরপুর উপজেলা কমিটি পুনর্বহাল করা হয়।
এ বিষয়ে স্বপন বলেন, ‘জেলার ১৫টি ইউনিটের মাধ্যমে চারটিতে কমিটি দিয়েছিলাম। এর মধ্যে তিনটি স্থগিত রয়েছে। এ বিষয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেন্দ্র যে সিদ্ধান্ত দেবে, মেনে নেওয়া হবে।’
যোগাযোগ করা হলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা বলেন, ‘যথাসময়ের মধ্যে আমাদের সম্মেলন হবে এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’
এদিকে মহানগরের ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৯টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সদস্যসচিব গোলাম মোস্তফা মিরাজ নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাকি আটটি দ্রুত সম্পন্ন করে কেন্দ্রে পাঠানো হবে। এ ছাড়া যে দিন সম্মেলনের সিদ্ধান্ত দেবে, সে দিনই করা হবে।’

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ চার দফা দাবিতে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করছে তাঁর সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ থেকে এ পথযাত্রা শুরু হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাম দলগুলোর জোট ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর নেতারা। গতকাল সোমবার সকালে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নেতাদের মধ্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক অবস্থা, আসন্ন সংসদ নির্বাচন
১৬ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, জমিনের মাটিতে তাঁর ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, গত ৫ আগস্টের পর কীভাবে বাংলাদেশের সব জায়গায় চাঁদাবাজি, মামলা-বাণিজ্য, টাকা না দিলে মামলায় ঢুকাইয়া দেওয়ার বিরুদ্ধে আমি রুমিন ফারহানা দলে থাকা অবস্থায় কথা বলেছি
১৮ ঘণ্টা আগে
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিত্তি। মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকে না। ফলে নব্বই ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেই এগোতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
১ দিন আগে