
বৈষম্যের অভিযোগ তুলে ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ থেকে ‘ওয়াকআউট’ করেছেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ড. মিজানুর রহমান, সিপিবির রুহিন হোসেন প্রিন্স, ১২-দলীয় জোটের সমন্বয়ক শাহাদাত হোসেন সেলিম। পরে ঐকমত্য কমিশনের আশ্বাসে বৈঠকে ফিরে যান তাঁরা। সংলাপে জামায়াত নেতাদের বেশি কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করেন তাঁরা।
আজ বুধবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বক্তব্য শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দীন আহমদ বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন। এমন সময় প্রথমে গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সংলাপস্থল থেকে বের হয়ে যান। তাঁর পেছনে বের হন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্সসহ দুজন।
মিজানুর রহমান অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। তাঁকে জড়িয়ে ধরে সংলাপস্থলে যাওয়ার অনুরোধ করেন ১২-দলীয় জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম। সে সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। পরে কথা বলেন সেলিম।
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর তিনজন কথা বলেছেন। আমাদের একজন কথা বলতে গেলে তাঁকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি। উনারা সেটা নোট নিয়েছেন। তাই আমরা সংলাপে ফিরে যাচ্ছি।’
শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ‘আমরা যখন কথা বলেছি, তখন আমাদের থামিয়ে দেওয়া হয়। জামায়াতে ইসলামীর নেতা অপ্রাসঙ্গিক কথা বলছিলেন, তখন আমি বললাম এটা প্রাসঙ্গিক নয়। তখন তিনি বলেছেন, আপনি কতজন লোককে প্রতিনিধিত্ব করেন।’
এ সময় জাতীয় ঐক্যমত কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার আবারও তাঁদের সম্মেলন কক্ষে নিয়ে যান।

জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দুই দিনব্যাপী বিশেষ দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মশালা সম্পন্ন করেছে দলটি। গতকাল ও আজ শনিবার রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে ‘বাজেট, অর্থনীতি ও জননীতি: সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা উন্নয়ন’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিদান জুলাই বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য এনসিপি নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানান। এনসিপি প্রতিনিধিদল রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তুরস্কের অব্যাহত কূটনৈতিক সমর্থন ও সম্পৃক্ততার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় ও কৌশলগত নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে বিজয়ী হয়েছে; যা এ পর্যন্ত সংসদ নির্বাচনগুলোতে দলটির সর্বোচ্চ সাফল্য। এ সাফল্যের পেছনে দলের মহিলা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। মহিলা বিভাগের কর্মীরা উঠান বৈঠক, বাড়ি বাড়ি যাওয়াসহ বিভিন্নভাবে প্রচার চালিয়ে সাড়া ফেলেছিলেন।
২১ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ও ভূ-রাজনৈতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হয়...
১ দিন আগে