সম্পাদকীয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে দ্রুত। দেশের নাগরিকেরা যেমন অধীর আগ্রহে দিনটির অপেক্ষা করছেন, তেমনি করছেন প্রবাসীরাও। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৩০০ সংসদীয় আসনে আগামী নির্বাচনের জন্য মোট ১৫ লাখ ২৭ হাজার ১৫৫ জন ভোটারের পোস্টাল ভোট নিবন্ধন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রবাসী ৭ লাখ ৬০ হাজারের কিছু বেশি। বাকিরা করেছেন দেশ থেকে—সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী কর্মকর্তা, আনসার-ভিডিপির সদস্য এবং কারাবন্দী। শারীরিকভাবে সরাসরি ভোটদানে অসমর্থ এই ভোটাররা আগে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করে কিছু প্রক্রিয়া মেনে তা ডাকযোগে প্রেরণ করে ভোট দিতে পারেন। এটাই পোস্টাল ব্যালট ভোট।
নির্বাচন কমিশন জোর দিয়েই দাবি করছে, এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে; নিরাপদে, নিশ্চিন্তে জনগণ নিজেদের ভোট প্রদান করতে পারবে। কিন্তু কদিন ধরে বাহরাইনের ‘ভাইরাল’ হওয়া ভিডিওটি যেন বিপরীত কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৭ মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, বাহরাইনের একটি বাসায় একসঙ্গে বসে কয়েকজন পোস্টাল ব্যালট গুনছেন। তাঁরা ঠিক কতগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন, তা নির্দিষ্ট করে বলা না গেলেও বোঝা যায় সংখ্যাটি শতকের ঘরেই হবে। কেন এত ব্যালট পেপার এক বাড়িতে এল এবং কেনইবা কয়েকজন মিলে সেগুলো গুনতে বসে গেল—এই ঘটনাটি কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া নিয়ে শঙ্কার কথাই বলছে।
যাই হোক, অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার সমালোচনার জবাব তো নির্বাচন কমিশনকেই দিতে হবে। ইতিমধ্যে ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ আনার পাশাপাশি একটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগও তুলেছেন।
বাহরাইনের ব্যাপারটি তো বটেই, তিনি দেশের উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল ঢাকা ছাড়াও অন্যান্য মহানগর এবং বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় দরিদ্র এবং কম শিক্ষিত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ফোন নম্বর এবং বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তারা ভুয়া এনআইডি বানিয়ে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। বিকাশ নম্বরে অর্থ দিয়ে প্রলুব্ধ করতে পারে।
পাঠক-ভোটার বুঝতেই পারছেন এই অভিযোগ কতটা গুরুতর। এমন ঘটনা যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা আমরা করছিলাম, তা কি আদৌ সম্ভব?
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে পোস্টাল ব্যালট-কাণ্ড তদন্ত করে তারা প্রতিবেদন দেবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু শুধু কথায় যে চিড়ে ভিজবে না, তা এই সংস্থাটিকে মনে রাখতে হবে। যাঁরা শারীরিকভাবে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে ভোট প্রদান করতে পারেন না, তাঁদের জন্য এই পোস্টাল ভোটের ব্যবস্থা যে কতটা গুরুত্ব বহন করে, তা শুধু তাঁরাই ভালো জানেন। তাঁদের এই পরমানন্দটুকু নিশ্চিত করা তো নির্বাচন কমিশনেরই দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে দ্রুত। দেশের নাগরিকেরা যেমন অধীর আগ্রহে দিনটির অপেক্ষা করছেন, তেমনি করছেন প্রবাসীরাও। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৩০০ সংসদীয় আসনে আগামী নির্বাচনের জন্য মোট ১৫ লাখ ২৭ হাজার ১৫৫ জন ভোটারের পোস্টাল ভোট নিবন্ধন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রবাসী ৭ লাখ ৬০ হাজারের কিছু বেশি। বাকিরা করেছেন দেশ থেকে—সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী কর্মকর্তা, আনসার-ভিডিপির সদস্য এবং কারাবন্দী। শারীরিকভাবে সরাসরি ভোটদানে অসমর্থ এই ভোটাররা আগে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করে কিছু প্রক্রিয়া মেনে তা ডাকযোগে প্রেরণ করে ভোট দিতে পারেন। এটাই পোস্টাল ব্যালট ভোট।
নির্বাচন কমিশন জোর দিয়েই দাবি করছে, এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে; নিরাপদে, নিশ্চিন্তে জনগণ নিজেদের ভোট প্রদান করতে পারবে। কিন্তু কদিন ধরে বাহরাইনের ‘ভাইরাল’ হওয়া ভিডিওটি যেন বিপরীত কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৭ মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, বাহরাইনের একটি বাসায় একসঙ্গে বসে কয়েকজন পোস্টাল ব্যালট গুনছেন। তাঁরা ঠিক কতগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন, তা নির্দিষ্ট করে বলা না গেলেও বোঝা যায় সংখ্যাটি শতকের ঘরেই হবে। কেন এত ব্যালট পেপার এক বাড়িতে এল এবং কেনইবা কয়েকজন মিলে সেগুলো গুনতে বসে গেল—এই ঘটনাটি কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া নিয়ে শঙ্কার কথাই বলছে।
যাই হোক, অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার সমালোচনার জবাব তো নির্বাচন কমিশনকেই দিতে হবে। ইতিমধ্যে ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ আনার পাশাপাশি একটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগও তুলেছেন।
বাহরাইনের ব্যাপারটি তো বটেই, তিনি দেশের উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল ঢাকা ছাড়াও অন্যান্য মহানগর এবং বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় দরিদ্র এবং কম শিক্ষিত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ফোন নম্বর এবং বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তারা ভুয়া এনআইডি বানিয়ে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। বিকাশ নম্বরে অর্থ দিয়ে প্রলুব্ধ করতে পারে।
পাঠক-ভোটার বুঝতেই পারছেন এই অভিযোগ কতটা গুরুতর। এমন ঘটনা যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা আমরা করছিলাম, তা কি আদৌ সম্ভব?
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে পোস্টাল ব্যালট-কাণ্ড তদন্ত করে তারা প্রতিবেদন দেবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু শুধু কথায় যে চিড়ে ভিজবে না, তা এই সংস্থাটিকে মনে রাখতে হবে। যাঁরা শারীরিকভাবে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে ভোট প্রদান করতে পারেন না, তাঁদের জন্য এই পোস্টাল ভোটের ব্যবস্থা যে কতটা গুরুত্ব বহন করে, তা শুধু তাঁরাই ভালো জানেন। তাঁদের এই পরমানন্দটুকু নিশ্চিত করা তো নির্বাচন কমিশনেরই দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের পালে হাওয়া লাগা যাকে বোঝায়, সে রকম কোনো কিছু এখনো সাধারণ জনপরিসরে দেখা যাচ্ছে না। এবারই একসঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে একই দিনে। কিন্তু মানুষকে এখন পর্যন্ত নির্বাচনমুখী হতে দেখা যাচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সময়ে চাকরি হলো সোনার হরিণ। যে হরিণের পেছনে ছুটছে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী। যেকোনো ধরনের চাকরি পেতে কারও প্রচেষ্টার যেন কোনো কমতি নেই। বিশেষ করে আমাদের দেশে সরকারি চাকরির বাজারে এখন প্রতিযোগিতার অভাব নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
সবকিছু ঠিক থাকলে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রপ্রত্যাশী জনগণের কাছে এই নির্বাচনটি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত কাঙ্ক্ষিত। কারণ, এক যুগের বেশি সময় ধরে দেশে যে নির্বাচনী বাস্তবতা গড়ে উঠেছিল, তা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ, অংশগ্রহণহীন এবং বিতর্কে ভরপুর।
৩ ঘণ্টা আগে
‘বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে’ প্রবাদটিই যেন সত্যে প্রমাণিত হতে চলেছে খুলনা নগরের উপকণ্ঠে রূপসা সেতুর নিকটবর্তী মাথাভাঙ্গা মৌজার ৩২টি দরিদ্র ও শ্রমজীবী পরিবারের মানুষের কাছে। কারণ, এখানে বসবাসরত পরিবারগুলোর জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। জায়গাটি একসময় বিরান ভূমি ছিল।
১ দিন আগে