সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের অর্জন ও উদ্যোগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি ই-বুক প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজ, উদ্যোগ ও অগ্রগতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। ই-বুকটি সময়ের সঙ্গে হালনাগাদ করার কথা বলা হয়েছে। এর ভূমিকায় চলমান অর্থনৈতিক চাপ, বৈশ্বিক অস্থিরতা, জ্বালানি-সংকট ও দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারের অর্জন জনগণের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন অবশ্যই আছে। একটি নির্বাচিত সরকার কী করছে, কী করতে চায় এবং বিশেষ করে অঙ্গীকারের কোন ক্ষেত্রে কতটা এগিয়েছে—এ সম্পর্কে নাগরিকদের জানার অধিকার ও আগ্রহ নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু সাফল্যের হিসাব যদি মূলত একপেশে ও আত্মতুষ্টিতে ভরা হয়, তাহলে তা শেষ পর্যন্ত সরকারের জন্যও খুব উপকারী হয় না। কারণ, জনগণ শুধু সাফল্যের গল্প শুনতে চায় না; তারা জানতে চায়, কোথায় কোথায় ব্যর্থতা আছে, কোথায় সমস্যা আছে আর সেই সমস্যা সমাধানে সরকারের পরিকল্পনাগুলো কী।
আমার মনে হয় সরকারের সাফল্যের এই ই-বুক বা ১৮০ দিনের মূল্যায়নে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকটকে আরও স্পষ্টভাবে সামনে আনা দরকার। কারণ, এই সংকট নিছক কাগজ-কলমের হিসাবের বিষয় নয়; এটি মানুষের প্রতিদিনের জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বিদ্যুৎ না থাকলে শিল্পকারখানা চলে না, ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ঘরসংসারের দৈনন্দিন কাজ, রোগীর সেবা, শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ব্যাহত হয়। জ্বালানি না থাকলে পরিবহন, কৃষি, শিল্প—সব ক্ষেত্রেই তার প্রভাব পড়ে। এখন তাই-ই হচ্ছে।
দেশের বিদ্যুৎ খাতে উৎপাদন সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৩ হাজার ৯২ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর হার ১০০ শতাংশ হয়ে গেছে। কিন্তু উৎপাদনের কারিগরি সক্ষমতা থাকা আর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা এক কথা নয়। চলতি বছর গরমের সময়ে জ্বালানি ও গ্যাসের সংকট, বিদ্যুৎকেন্দ্রের রক্ষণাবেক্ষণ এবং অন্যান্য কারণে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সারা দেশের মানুষ সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। সম্প্রতি খোদ রাজধানীতে যে মাত্রার লোডশেডিং হয়েছে, অনেকের ভাষ্যে তা নজিরবিহীন।
সরকার বলছে, তারা বিপুল বকেয়া, পুরোনো চুক্তি, আমদানিনির্ভরতা এবং দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার একটি কঠিন পরিস্থিতি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, দেশের বিদ্যুৎ সংকটের জন্য বর্তমান সরকারের কোনো দায়ই নেই। তাঁরা ‘অতীতের সরকারের পাপের জের’ বইছেন। বিদ্যুৎ খাতে আগের আমলের ৫৬ হাজার কোটি টাকার বিশাল বকেয়া থাকার কথা সরকার জানিয়েছে। জ্বালানি খাতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের ঘাটতি ও আমদানিনির্ভরতার কারণে সংকট গভীর হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত যে নাজুক অবস্থায় ছিল তা সবার জানা। বিএনপি সরকার দায়িত্বে এসে কী পরিস্থিতি পেয়েছে তার বাস্তব চিত্র অবশ্যই তারা তুলে ধরতে পারে। কিন্তু তার পাশাপাশি ক্ষমতায় আসার পর থেকে গত কয়েক মাসে সরকার সংকট মোকাবিলায় কী কী পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তার কতটা এ পর্যন্ত কার্যকর হয়েছে—স্বচ্ছতার খাতিরে তারও স্পষ্ট হিসাব জনগণের সামনে থাকা দরকার। বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কী, স্থলে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান এবং সাগরের ব্লক বরাদ্দের সর্বশেষ পরিস্থিতি কী, জ্বালানি পরিশোধন ও মজুত বৃদ্ধির উদ্যোগ কতটা এগোল, আমদানিনির্ভরতাইবা কীভাবে কমানো হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর তো জনগণ জানতে চায়।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বিনিয়োগ নিয়ে। সরকারের সাফল্য মূল্যায়নে বিনিয়োগ পরিস্থিতিকে বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান বাড়ে, উৎপাদন বাড়ে, অর্থনীতি এগিয়ে যায়। এখানে ছবিটি কিছুটা মিশ্র। ২০২৫ সালে বাংলাদেশে নিট বিদেশি বিনিয়োগ ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত দুই বছরের বেশি সময়ের উথালপাথাল পরিস্থিতির বিচারে এটি ইতিবাচক খবর। কিন্তু এই বৃদ্ধির বড় অংশ এসেছে বিদ্যমান বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পুনর্বিনিয়োগ ও আন্তকোম্পানি ঋণ থেকে। নতুন ইকুইটি বিনিয়োগের চিত্র খুবই উদ্বেগজনক। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে নতুন ইকুইটি এফডিআই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭০ শতাংশের বেশি কমেছে।
অতএব শুধু ‘এফডিআই বেড়েছে’ বললে পুরো সত্য বলা হবে না। প্রশ্ন ওঠা উচিত—নতুন বিনিয়োগকারীরা কেন আসছেন না? বিনিয়োগকারীর সামনে প্রধান বাধাগুলো কী? রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তথা জাতীয় ভাবমূর্তি, জ্বালানি, জমি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, করব্যবস্থা কিংবা মুদ্রা বিনিময়ের ঝুঁকি—কোনটি কতটা বড় বাধা? তার সমাধানে কী কী করণীয়? সরকারকে এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। অবশ্য আগে তার নিজেকে নিশ্চিতভাবে জানতে হবে জবাবগুলো।
জনস্বাস্থ্য খাতেও একই কথা প্রযোজ্য। দেশে হামের প্রাদুর্ভাব যে নজিরবিহীনরকম ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তা আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য বড় সতর্কবার্তা। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকাদান কর্মসূচির ব্যত্যয় ঘটার অভিযোগ আছে। খোদ ইউনিসেফের পক্ষ থেকে এ কথা এসেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের টিকাদানবিষয়ক কাজে কোথায় ঘাটতি বা গাফিলতি ছিল, নজরদারি ও প্রস্তুতিতে কী ভুল হয়েছিল—এসবের নিরপেক্ষ মূল্যায়ন হওয়া দরকার। কিন্তু অতীত সরকারের ব্যর্থতার খতিয়ান দিয়ে বর্তমান সরকারের এখনকার দায়িত্ব ঢাকা যাবে না। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কী পদক্ষেপ নিয়েছে, কত দ্রুত নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে—সেটিও জনগণকে জানাতে হবে। হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি কী কী কারণে প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে না তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসে করণীয় নির্ধারণ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, পরবর্তী অর্থবছর এবং পাঁচ বছরের পরিকল্পনার কথা সংসদে জানিয়েছিলেন। এখন ১৮০ দিনের মূল্যায়নের সময় এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাও জানিয়েছেন, সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সূক্ষ্মভাবে মূল্যায়ন করছে এবং ১৮০ দিন শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরবেন।
আমরা আশা করব, এই মূল্যায়ন যেন কেবলই অর্জনের তালিকা না হয়। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্য কতটা পূরণ হয়েছে, কোথায় ব্যর্থতা হয়েছে এবং কেন হয়েছে—তার যেন একটি খোলামেলা মূল্যায়ন হয়। কোনো মন্ত্রী বা মন্ত্রণালয়ের পারফরম্যান্স যদি প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারে, তাহলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা হবে কি না, সেটিও বিবেচনা করা উচিত। ছয় মাস খুব দীর্ঘ সময় নয়; কিন্তু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রগতির হাল বা গতিপ্রকৃতি বোঝার জন্য খুব কম সময়ও নয়। যাঁরা ভালো করছেন, তাঁদের আরও সুযোগ দেওয়া দরকার। যাঁদের ব্যর্থতার পাল্লা ভারী, তাঁদের জায়গায় নতুন কাউকে দায়িত্ব দিয়ে ফল পাওয়ার চেষ্টা করা শীর্ষ নেতৃত্বের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
নাগরিকের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগগুলোর একটি আইনশৃঙ্খলা। হত্যা, শিশু ও নারী নিপীড়ন এবং চাঁদার দাবিতে অস্ত্রধারী কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য নাগরিকদের আতঙ্কে রেখেছে। অন্তর্বর্তী আমলে চালু হওয়া মব সন্ত্রাস এখনো মানুষের মনে গভীর নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ২৬১টি মব সহিংসতার ঘটনায় ১৩৩ জন নিহত এবং ২৫৬ জন আহত হয়েছেন বলে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি জানিয়েছে। মে মাসে ৩২ জন এবং জুনে ৩৩ জন মব সহিংসতায় নিহত হওয়ার তথ্যও এসেছে। তাই মব সন্ত্রাস চিরতরে দমনে সরকারকে দৃশ্যমান কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অভিযোগ উঠেছে গুম এবং হেফাজতে প্রশ্নবিদ্ধ মৃত্যুরও। সরকারকে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের অভিজ্ঞতার আলোকে এদিকে সময় থাকতেই নজর দিতে হবে।
আরেকটি বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই—প্রতিহিংসার রাজনীতি। রক্তক্ষয়ী গণ-আন্দোলনে বড় ধরনের রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর মানুষ দিন বদল নিয়ে অনেক আশা করেছিল। এরপরও যদি আমরা পুরোনো প্রতিহিংসার চক্র থেকে বের হতে না পারি, তাহলে এত বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের অর্থ কী? অপরাধের বিচার হবে, দুর্নীতির বিচার হবে, সহিংসতার বিচার হবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিচার আর প্রতিহিংসাপরায়ণতা এক জিনিস নয়। এ প্রসঙ্গে মনে করিয়ে দিতে চাই, নির্বাচনের আগে-পরে বিভিন্ন সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রতিহিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তিনি তাঁর নিজের বিরুদ্ধে পরিচালিত অন্যায়-অবিচারও ভুলে গিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। আশা করি, সরকারি দল এবং সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রমে এর প্রতিফলন থাকবে।
দেশের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ জ্বালানি নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি নিশ্চিত করার মাধ্যমে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মূল্যস্ফীতি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে জনমানুষের আস্থা পুনর্গঠন। এসব সরকার বা কোনো একটি দলের একার কাজ নয়। আমাদের বাস্তবতায় এজন্য প্রয়োজন জাতীয় ঐকমত্য। সরকার, বিরোধী দল, ব্যবসায়ী সমাজ, নাগরিক সমাজ—সব পক্ষকে অন্তত জাতীয় স্বার্থের মৌলিক বিষয়গুলোতে একটি ন্যূনতম ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে।
সরকারের সাফল্যের কথা অবশ্যই বলা হোক। কিন্তু ব্যর্থতা, সীমাবদ্ধতা ও বাধা থাকলে সে কথাও বলা হোক। কারণ, ভোটদাতা জনগণের সঙ্গে সত্যিকার অর্থে একটি আস্থার সম্পর্ক তৈরি করা দেশ পরিচালনাকারীদের দায়িত্ব। ১৮০ দিনের হিসাব তাই যেন শুধু কতটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, কতটি উদ্যোগ ঘোষণা হয়েছে—তার তালিকা না হয়। বরং এ প্রশ্নের জবাবও থাকুক: জনগণের দৈনন্দিন জীবন কতটা সহজ হয়েছে? ঘরে বাতি ও রান্নার চুলা জ্বলছে তো? সিএনজি স্টেশনে লাইন কত বড়? মানুষের জানমাল রাস্তায় কতটা নিরাপদ? সরকারি হাসপাতাল আর অন্যান্য সেবার ভোগান্তি কতটা কমেছে? দলীয় নেতা-কর্মীরা সরকারের সুনাম ঠিকমতো রক্ষা করছে? প্রশ্নগুলোর যথাসম্ভব সৎ উত্তরই সরকারের প্রকৃত সাফল্যের মাপকাঠি। সত্যের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে তা সত্য—সব সময় দেখতে অত সুন্দর না হলেও।

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর কৃষি উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল ইসলামকে ‘বর্ষসেরা শিক্ষক’ হিসেবে একটা পুরস্কার দেওয়া যায় না? কারণ, তাঁর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক অনিয়মের কিছু গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি কাগজে-কলমে পাকা হিসাব দিয়ে দক্ষ অর্থনীতিবিদের পরিচয় দিয়েছেন!
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ১৪ আগস্ট শুক্রবার সকালে ফেরদৌস স্টিলের ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। তখন জাহাজের খোলে কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। তাঁদের অনেকেই হয়তো জানতেন না, যে জাহাজে তাঁরা কাজ করছিলেন, সেটি মাত্র এক মাস আগেই নিরাপত্তা ত্রুটির অভিযোগে শ্রম আদালতের মামলায় পড়েছিল।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ১৪ আগস্ট ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার ছয় দিন পর এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের ভয়ে...
১ দিন আগে
জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হওয়ার কথা রয়েছে। আমাদের অর্থনীতি এখন এমন এক পরিস্থিতির মধ্যে আছে, যেখানে আশা ও উদ্বেগ পাশাপাশি অবস্থান করছে। দেশ এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ...
১ দিন আগে