রাকিবুল ইসলাম

পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই এ বছরের শীত যেন আচমকাই নিজের চরিত্র বদলে ফেলেছে। এটি আর সহনীয়, নরম কিংবা সাময়িক শীত নয়; এ শীত দীর্ঘ, ধারালো এবং হাড়কাঁপানো। রাত নামলেই তাপমাত্রা অনেক কমে আসে। সন্ধ্যার পর ঘন কুয়াশা চারপাশ ঢেকে ফেলে এমনভাবে, যেন পরিচিত পৃথিবীটাই অচেনা হয়ে ওঠে। কয়েক হাত দূরের মানুষকে আলাদা করে চেনা যায় না। সূর্য ওঠে দেরিতে, আর উঠলেও তার আলো ক্লান্ত, বিবর্ণ, শক্তিহীন।
আবহাওয়া অধিদপ্তর একে বলছে ‘মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ’। কিন্তু এই পরিভাষা কেবল কাগজে মানায়। মানুষের বাস্তবজীবনের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। কারণ, এই শীত মানুষের শরীর, জীবন, আয় এবং মর্যাদার ওপর যে আঘাত হানছে—তা কোনোভাবেই মৃদু নয়।
শীত প্রতিবছর আসে, প্রতিবছর কষ্ট হয় কিন্তু রাষ্ট্রীয় প্রস্তুতির জায়গায় দৃশ্যমান কোনো গুণগত পরিবর্তন দেখা যায় না। যেন আমরা সবাই রাষ্ট্র, সমাজ, নীতিনির্ধারক শীতকে একটি অনিবার্য দুর্ভোগ হিসেবেই মেনে নিয়েছি, যার বিরুদ্ধে কিছু করার নেই। এই আত্মসমর্পণই সবচেয়ে ভয়ংকর। শীত কোনো গণতান্ত্রিক ঋতু নয়। এটি সবার জন্য এক রকম নয়। শহরের উচ্চবিত্ত মানুষের কাছে শীত মানে গরম কফির কাপ, মোটা কম্বল, হিটার-নিয়ন্ত্রিত ঘরের আরাম। অথচ একই শহরে, একই শীতে ফুটপাতের মানুষটি রাত কাটায় খোলা আকাশের নিচে পলিথিন আর ছেঁড়া কাপড়ে শরীর মুড়ে। তার চোখে ঘুম আসে না, গায়ে আসে কাঁপুনি।
গ্রাম ও মফস্বলে শীত মানে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া। কৃষক খেতে যেতে পারেন না, দিনমজুরের কাজ থাকে না, হাট-বাজারে ক্রেতা কমে যায়। রিকশাচালক, ভ্যানচালক, হকার, নির্মাণশ্রমিক— এই মানুষগুলোর জীবনে শীত কোনো রোমান্টিক ঋতু নয়। কুয়াশা আর ঠান্ডায় কাজ থেমে যায়, আয় বন্ধ হয়। কিন্তু ক্ষুধা থামে না। শরীর কাঁপে, কিন্তু পেটের দাবির কাছে শরীরের আরামের কোনো মূল্য নেই।
এখানেই প্রাকৃতিক সমস্যা থেকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যায় রূপ নেয় শীত। এটি দারিদ্র্যের কাঠামোগত চেহারাকে আরও নগ্ন করে তোলে। রাষ্ট্র যখন উন্নয়নের গল্প শোনায়, বড় প্রকল্পের হিসাব দেয়, তখন এই মানুষগুলো সেই গল্পের বাইরেই থেকে যায়। শীত এসে সেই বাদ পড়ার হিসাবটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। উন্নয়ন যদি সত্যিই অন্তর্ভুক্তিমূলক হতো, তবে প্রতিবছর শীত এলে একই মানুষগুলো একইভাবে বিপন্ন হতো না।
ঘন কুয়াশায় যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ার দৃশ্যও নতুন নয়। সড়কে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলে, ট্রেন দেরিতে চলে, দুর্ঘটনা ঘটে, নৌ ও বিমান চলাচল ব্যাহত হয়। প্রতিবছর আমরা একই খবর পড়ি, দেখি, শুনি। প্রশ্ন হলো এগুলো কি সত্যিই অনিবার্য? আবহাওয়া অধিদপ্তর আগাম পূর্বাভাস দেয়। তবু কেন যোগাযোগব্যবস্থায় বিকল্প পরিকল্পনা, নিরাপত্তা নির্দেশনা, যাত্রীব্যবস্থাপনা প্রতিবছরই দুর্বল থাকে?
এর উত্তর রাষ্ট্রের চরিত্রে নিহিত। আমাদের রাষ্ট্র এখনো প্রতিক্রিয়াশীল। দুর্ঘটনার পর তদন্ত, মৃত্যুর পর শোক, দুর্ভোগের পর আশ্বাস—এই চক্রের বাইরে আমরা যেতে পারিনি। একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র ঝুঁকি আগে চিহ্নিত করে। আমাদের রাষ্ট্র কি সেই জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছে?
শহরের ফুটপাত, বস্তি, রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড—এই জায়গাগুলোতেই শীত সবচেয়ে নিষ্ঠুর। ছিন্নমূল মানুষ রাত কাটায় কাঁপতে কাঁপতে। পথশিশুদের অবস্থা আরও ভয়াবহ। ছোট শরীর, দুর্বল প্রতিরোধক্ষমতা—শীত তাদের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। এরা রাষ্ট্রের নাগরিক, কিন্তু রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে তাদের কোনো অস্তিত্ব নেই। শীত এলেই কিছু শীতবস্ত্র বিতরণের ছবি ওঠে, কিছু বক্তব্য আসে; তারপর তারা আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
উত্তরাঞ্চলের শীতের গল্প আরও করুণ। পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, গাইবান্ধা—শীত এলেই এই নামগুলো সংবাদে ভেসে ওঠে। চরাঞ্চলের ঘর বাতাস আটকাতে পারে না। কম্বল নেই, গরম কাপড় নেই, খাবার নেই। এই দুর্ভোগ নতুন নয়, কিন্তু সমাধানও আসে না। মনে হয়, উত্তরাঞ্চলের শীত আমাদের কাছে কেবল একটি মৌসুমি সংবাদ।
শীতের সঙ্গে পুষ্টিহীনতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্পর্ক গভীর। অপুষ্ট শিশুর জন্য নিউমোনিয়া, বয়স্কদের জন্য শ্বাসকষ্ট শীতে প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। প্রতিবছর হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ে, কিন্তু গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর অবস্থা বদলায় না। এটি বিস্ময় নয়, এটি দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা।
শীত এলেই কম্বল বিতরণের রাজনীতি শুরু হয়। সহায়তা প্রয়োজন এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তা কি সময়মতো, সঠিক মানুষের কাছে, সম্মানের সঙ্গে পৌঁছায়? নাকি এটি মৌসুমি প্রদর্শনীতে পরিণত হয়? ত্রাণ যদি নীতিনির্ভর না হয়, তবে তা সহায়তা নয়, তা রাজনৈতিক প্রচারণা।
শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো কোনো মহানুভবতা নয়, এটি সভ্য সমাজের ন্যূনতম দায়। তবে এই মানবিক উদ্যোগ রাষ্ট্রের ব্যর্থতার বিকল্প হতে পারে না। মানুষ পাশে দাঁড়াবে, কারণ মানুষ মানুষকে ছেড়ে দিতে পারে না। কিন্তু রাষ্ট্রকেও মনে রাখতে হবে নাগরিকের দয়া নয়, অধিকারই এখানে মুখ্য।

পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই এ বছরের শীত যেন আচমকাই নিজের চরিত্র বদলে ফেলেছে। এটি আর সহনীয়, নরম কিংবা সাময়িক শীত নয়; এ শীত দীর্ঘ, ধারালো এবং হাড়কাঁপানো। রাত নামলেই তাপমাত্রা অনেক কমে আসে। সন্ধ্যার পর ঘন কুয়াশা চারপাশ ঢেকে ফেলে এমনভাবে, যেন পরিচিত পৃথিবীটাই অচেনা হয়ে ওঠে। কয়েক হাত দূরের মানুষকে আলাদা করে চেনা যায় না। সূর্য ওঠে দেরিতে, আর উঠলেও তার আলো ক্লান্ত, বিবর্ণ, শক্তিহীন।
আবহাওয়া অধিদপ্তর একে বলছে ‘মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ’। কিন্তু এই পরিভাষা কেবল কাগজে মানায়। মানুষের বাস্তবজীবনের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। কারণ, এই শীত মানুষের শরীর, জীবন, আয় এবং মর্যাদার ওপর যে আঘাত হানছে—তা কোনোভাবেই মৃদু নয়।
শীত প্রতিবছর আসে, প্রতিবছর কষ্ট হয় কিন্তু রাষ্ট্রীয় প্রস্তুতির জায়গায় দৃশ্যমান কোনো গুণগত পরিবর্তন দেখা যায় না। যেন আমরা সবাই রাষ্ট্র, সমাজ, নীতিনির্ধারক শীতকে একটি অনিবার্য দুর্ভোগ হিসেবেই মেনে নিয়েছি, যার বিরুদ্ধে কিছু করার নেই। এই আত্মসমর্পণই সবচেয়ে ভয়ংকর। শীত কোনো গণতান্ত্রিক ঋতু নয়। এটি সবার জন্য এক রকম নয়। শহরের উচ্চবিত্ত মানুষের কাছে শীত মানে গরম কফির কাপ, মোটা কম্বল, হিটার-নিয়ন্ত্রিত ঘরের আরাম। অথচ একই শহরে, একই শীতে ফুটপাতের মানুষটি রাত কাটায় খোলা আকাশের নিচে পলিথিন আর ছেঁড়া কাপড়ে শরীর মুড়ে। তার চোখে ঘুম আসে না, গায়ে আসে কাঁপুনি।
গ্রাম ও মফস্বলে শীত মানে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া। কৃষক খেতে যেতে পারেন না, দিনমজুরের কাজ থাকে না, হাট-বাজারে ক্রেতা কমে যায়। রিকশাচালক, ভ্যানচালক, হকার, নির্মাণশ্রমিক— এই মানুষগুলোর জীবনে শীত কোনো রোমান্টিক ঋতু নয়। কুয়াশা আর ঠান্ডায় কাজ থেমে যায়, আয় বন্ধ হয়। কিন্তু ক্ষুধা থামে না। শরীর কাঁপে, কিন্তু পেটের দাবির কাছে শরীরের আরামের কোনো মূল্য নেই।
এখানেই প্রাকৃতিক সমস্যা থেকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যায় রূপ নেয় শীত। এটি দারিদ্র্যের কাঠামোগত চেহারাকে আরও নগ্ন করে তোলে। রাষ্ট্র যখন উন্নয়নের গল্প শোনায়, বড় প্রকল্পের হিসাব দেয়, তখন এই মানুষগুলো সেই গল্পের বাইরেই থেকে যায়। শীত এসে সেই বাদ পড়ার হিসাবটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। উন্নয়ন যদি সত্যিই অন্তর্ভুক্তিমূলক হতো, তবে প্রতিবছর শীত এলে একই মানুষগুলো একইভাবে বিপন্ন হতো না।
ঘন কুয়াশায় যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ার দৃশ্যও নতুন নয়। সড়কে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলে, ট্রেন দেরিতে চলে, দুর্ঘটনা ঘটে, নৌ ও বিমান চলাচল ব্যাহত হয়। প্রতিবছর আমরা একই খবর পড়ি, দেখি, শুনি। প্রশ্ন হলো এগুলো কি সত্যিই অনিবার্য? আবহাওয়া অধিদপ্তর আগাম পূর্বাভাস দেয়। তবু কেন যোগাযোগব্যবস্থায় বিকল্প পরিকল্পনা, নিরাপত্তা নির্দেশনা, যাত্রীব্যবস্থাপনা প্রতিবছরই দুর্বল থাকে?
এর উত্তর রাষ্ট্রের চরিত্রে নিহিত। আমাদের রাষ্ট্র এখনো প্রতিক্রিয়াশীল। দুর্ঘটনার পর তদন্ত, মৃত্যুর পর শোক, দুর্ভোগের পর আশ্বাস—এই চক্রের বাইরে আমরা যেতে পারিনি। একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র ঝুঁকি আগে চিহ্নিত করে। আমাদের রাষ্ট্র কি সেই জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছে?
শহরের ফুটপাত, বস্তি, রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড—এই জায়গাগুলোতেই শীত সবচেয়ে নিষ্ঠুর। ছিন্নমূল মানুষ রাত কাটায় কাঁপতে কাঁপতে। পথশিশুদের অবস্থা আরও ভয়াবহ। ছোট শরীর, দুর্বল প্রতিরোধক্ষমতা—শীত তাদের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। এরা রাষ্ট্রের নাগরিক, কিন্তু রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে তাদের কোনো অস্তিত্ব নেই। শীত এলেই কিছু শীতবস্ত্র বিতরণের ছবি ওঠে, কিছু বক্তব্য আসে; তারপর তারা আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
উত্তরাঞ্চলের শীতের গল্প আরও করুণ। পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, গাইবান্ধা—শীত এলেই এই নামগুলো সংবাদে ভেসে ওঠে। চরাঞ্চলের ঘর বাতাস আটকাতে পারে না। কম্বল নেই, গরম কাপড় নেই, খাবার নেই। এই দুর্ভোগ নতুন নয়, কিন্তু সমাধানও আসে না। মনে হয়, উত্তরাঞ্চলের শীত আমাদের কাছে কেবল একটি মৌসুমি সংবাদ।
শীতের সঙ্গে পুষ্টিহীনতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্পর্ক গভীর। অপুষ্ট শিশুর জন্য নিউমোনিয়া, বয়স্কদের জন্য শ্বাসকষ্ট শীতে প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। প্রতিবছর হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ে, কিন্তু গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর অবস্থা বদলায় না। এটি বিস্ময় নয়, এটি দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা।
শীত এলেই কম্বল বিতরণের রাজনীতি শুরু হয়। সহায়তা প্রয়োজন এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তা কি সময়মতো, সঠিক মানুষের কাছে, সম্মানের সঙ্গে পৌঁছায়? নাকি এটি মৌসুমি প্রদর্শনীতে পরিণত হয়? ত্রাণ যদি নীতিনির্ভর না হয়, তবে তা সহায়তা নয়, তা রাজনৈতিক প্রচারণা।
শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো কোনো মহানুভবতা নয়, এটি সভ্য সমাজের ন্যূনতম দায়। তবে এই মানবিক উদ্যোগ রাষ্ট্রের ব্যর্থতার বিকল্প হতে পারে না। মানুষ পাশে দাঁড়াবে, কারণ মানুষ মানুষকে ছেড়ে দিতে পারে না। কিন্তু রাষ্ট্রকেও মনে রাখতে হবে নাগরিকের দয়া নয়, অধিকারই এখানে মুখ্য।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তরল পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের তীব্র সংকট দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতার একটি সংকেত মাত্র। যদিও সব ক্ষেত্রেই জ্বালানির ঘাটতি দীর্ঘকালের। সাধারণভাবে কখনো কম কখনো বেশি ঘাটতি নিয়েই দেশ চলেছে। এবারের মতো সংকটময় পরিস্থিতির উদ্ভব কালেভদ্রেই হয়ে থাকে।
১৯ ঘণ্টা আগে
যখন উন্নত বিশ্বের সুযোগগুলো আমাদের হাতছানি দেয়, তখন পরিচিতির প্রতীক, আমাদের সবুজ পাসপোর্টটি এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য ‘ভিসা বন্ড’ বা অতিরিক্ত জামানত আরোপের খবর সেই স্বপ্ন এবং বাস্তবতার মধ্যে এক নতুন কাঁটাতারের সৃষ্টি করেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হলে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশ বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থানের দেড় বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এ বাহিনীর সদস্যদের যেখানে এখনো মনোবল ফেরানো সম্ভব হয়নি, সেখানে কীভাবে তাঁদের দ্বারা নির্বাচনে সঠিকভাবে দায়িত্ব...
১৯ ঘণ্টা আগে
এটি একটি পরিত্যক্ত ভবন এবং এর আঙিনা ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। কিন্তু না, ভবনটি ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এর আঙিনা ময়লা ফেলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। ছবিটি যে কথাই বলুক না কেন, প্রকাশিত খবর বলছে, ওই ভবনটি একটি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের এবং স্থানান্তরিত নতুন ভবনে চিকিৎসাসেবা পরিচালিত হলেও পুরোনো ভবনটিতে...
২ দিন আগে