সম্পাদকীয়

এটি একটি পরিত্যক্ত ভবন এবং এর আঙিনা ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। কিন্তু না, ভবনটি ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এর আঙিনা ময়লা ফেলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। ছবিটি যে কথাই বলুক না কেন, প্রকাশিত খবর বলছে, ওই ভবনটি একটি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের এবং স্থানান্তরিত নতুন ভবনে চিকিৎসাসেবা পরিচালিত হলেও পুরোনো ভবনটিতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে হরিজন (সুইপার) সম্প্রদায়ের আবাসস্থল। আরও হতাশ হতে হয় এ জন্য যে, এই সম্প্রদায় পুরো এলাকা পরিষ্কার করে ফেললেও নিজেদের থাকার জায়গাটা ময়লার ভাগাড় আর গণশৌচাগারে পরিণত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
যে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কথা বলা হচ্ছে তার অবস্থান পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নে। যদিও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এর পুরোনো ভবনটিতে চিকিৎসাসেবা পরিচালিত হয় না, কিন্তু এটি অপসারণও করা হয়নি। ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। আঙিনাসহ ভবনটি এখন পরিণত হয়েছে গণশৌচাগার আর ময়লার ভাগাড়ে। প্রতিদিন কয়েক শ মানুষ এখানে মূত্রত্যাগ করতে আসে বলে অভিযোগ রয়েছে। আর বাজারের ভোক্তা-ব্যবসায়ীরা যেন নিয়ম করেই এখানে ময়লা ফেলে যায়। আবার হরিজন সম্প্রদায়কে কেন ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী বলে চিহ্নিত করা একটি ভবনে আশ্রয় দেওয়া হলো, তা-ও একটি রহস্য!
স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি সব সময় খোলা থাকে এবং সেখানে কোনো বিধিনিষেধ নেই বলে জায়গাটির এমন বেহাল দশা। একই আঙিনায় নতুন ভবনে কাশিনাথপুরের মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। এমন একটি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কীভাবে জনসাধারণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পারে, তা এক জটিল ধাঁধা! এই ধাঁধার সমাধান করতে নিশ্চয়ই কোনো মেডিকেল অফিসার হতে হয় না, সাধারণ জ্ঞান থাকাটাই যথেষ্ট। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাধারণ জ্ঞানটুকু আহরণ করতে খুব বেশি সময় লাগার তো কথা না। নতুন ভবনে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই পুরোনো ভবনটি অপসারণ করে প্রতিষ্ঠানটির আঙিনা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া এবং অন্যত্র হরিজন সম্প্রদায়ের আবাসস্থলের ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেছেন, অতি দ্রুত উপস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির পরিত্যক্ত ভবন নিলাম করে অপসারণ করা হবে, প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে মাটিও ভরাট করা হবে। পাবনা জেলার সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, পরিত্যক্ত ভবন অপসারণ, আবর্জনা অপসারণ ও দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তাঁদের এই আশ্বাসে কাশিনাথপুরবাসী কতটা ভরসা করতে পারবেন তা সময়ই বলে দেবে।
একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবেশ যদি পরিচ্ছন্নই না হয় তাহলে সেখানে চিকিৎসাসেবা নিতে যাওয়া বৃথা। শুধু কাশিনাথপুরের এই উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটিই নয়, দেশের প্রতিটি চিকিৎসালয়ের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর হওয়া জরুরি। দায়িত্বশীলদের কাজে যেন সেই প্রতিফলনটা পাওয়া যায়, এটাই কাম্য।

এটি একটি পরিত্যক্ত ভবন এবং এর আঙিনা ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। কিন্তু না, ভবনটি ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এর আঙিনা ময়লা ফেলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। ছবিটি যে কথাই বলুক না কেন, প্রকাশিত খবর বলছে, ওই ভবনটি একটি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের এবং স্থানান্তরিত নতুন ভবনে চিকিৎসাসেবা পরিচালিত হলেও পুরোনো ভবনটিতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে হরিজন (সুইপার) সম্প্রদায়ের আবাসস্থল। আরও হতাশ হতে হয় এ জন্য যে, এই সম্প্রদায় পুরো এলাকা পরিষ্কার করে ফেললেও নিজেদের থাকার জায়গাটা ময়লার ভাগাড় আর গণশৌচাগারে পরিণত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
যে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কথা বলা হচ্ছে তার অবস্থান পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নে। যদিও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এর পুরোনো ভবনটিতে চিকিৎসাসেবা পরিচালিত হয় না, কিন্তু এটি অপসারণও করা হয়নি। ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। আঙিনাসহ ভবনটি এখন পরিণত হয়েছে গণশৌচাগার আর ময়লার ভাগাড়ে। প্রতিদিন কয়েক শ মানুষ এখানে মূত্রত্যাগ করতে আসে বলে অভিযোগ রয়েছে। আর বাজারের ভোক্তা-ব্যবসায়ীরা যেন নিয়ম করেই এখানে ময়লা ফেলে যায়। আবার হরিজন সম্প্রদায়কে কেন ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী বলে চিহ্নিত করা একটি ভবনে আশ্রয় দেওয়া হলো, তা-ও একটি রহস্য!
স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি সব সময় খোলা থাকে এবং সেখানে কোনো বিধিনিষেধ নেই বলে জায়গাটির এমন বেহাল দশা। একই আঙিনায় নতুন ভবনে কাশিনাথপুরের মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। এমন একটি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কীভাবে জনসাধারণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পারে, তা এক জটিল ধাঁধা! এই ধাঁধার সমাধান করতে নিশ্চয়ই কোনো মেডিকেল অফিসার হতে হয় না, সাধারণ জ্ঞান থাকাটাই যথেষ্ট। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাধারণ জ্ঞানটুকু আহরণ করতে খুব বেশি সময় লাগার তো কথা না। নতুন ভবনে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই পুরোনো ভবনটি অপসারণ করে প্রতিষ্ঠানটির আঙিনা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া এবং অন্যত্র হরিজন সম্প্রদায়ের আবাসস্থলের ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেছেন, অতি দ্রুত উপস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির পরিত্যক্ত ভবন নিলাম করে অপসারণ করা হবে, প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে মাটিও ভরাট করা হবে। পাবনা জেলার সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, পরিত্যক্ত ভবন অপসারণ, আবর্জনা অপসারণ ও দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তাঁদের এই আশ্বাসে কাশিনাথপুরবাসী কতটা ভরসা করতে পারবেন তা সময়ই বলে দেবে।
একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবেশ যদি পরিচ্ছন্নই না হয় তাহলে সেখানে চিকিৎসাসেবা নিতে যাওয়া বৃথা। শুধু কাশিনাথপুরের এই উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটিই নয়, দেশের প্রতিটি চিকিৎসালয়ের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর হওয়া জরুরি। দায়িত্বশীলদের কাজে যেন সেই প্রতিফলনটা পাওয়া যায়, এটাই কাম্য।

নির্বাচনী সমঝোতা নিয়ে ‘মতান্তরের জেরে’ তরুণদের স্বপ্নের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সামনের সারির বেশ কয়েকজন নেতা। সেই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ পদত্যাগ করলেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দা নীলিমা দোলা। এ নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের পর গঠিত নতুন এই দলটি থেকে...
১৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময় থেকে বাংলাদেশ একটা জটিল ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি, দায়িত্বহীনতা, খুন-রাহাজানি, রাজনৈতিক ও অ্যাকটিভিস্ট ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তাহীনতাসহ নানান সংকটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অতিক্রম করছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে যাবতীয়...
১৫ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর নওহাটা কলেজ মোড়ের একটি রাস্তার কাজে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মার খেয়েছেন একজন বিএনপি নেতা। তিনি কার কাছে চাঁদা চাইতে গিয়েছিলেন? স্থানীয় যুবদল কর্মীর কাছে। যুবদল কর্মী কি নিজেই ঠিকাদারির কাজটা পেয়েছিলেন? না। তিনি পাননি। মূল ঠিকাদার রাস্তার কাজের অংশ মাটি কাটার কাজটি দিয়েছিলেন এই যুবদল কর্মীকে।
২ দিন আগে
মার্কিন বাহিনী চলতি সপ্তাহের শুরুতে পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে সস্ত্রীক তাঁর দেশ থেকে তুলে নিয়ে গেছে। প্রথমে রাজধানী কারাকাস থেকে হেলিকপ্টারে করে তাঁদের নেওয়া হয় মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আইও জিমায়। তারপর সে জাহাজে করে মাদুরো দম্পতিকে নেওয়া হয়...
২ দিন আগে