
প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটা উনি দিয়েছেন আবেগের বশে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের স্বরূপ দেখেছেন, রাজাকার দেখেছেন, মুক্তিযুদ্ধ দেখেছেন, পরিবারের সবাই সম্পৃক্ত ছিল। সুতরাং তাঁর আবেগের বহিঃপ্রকাশে তিনি এ কথা বলেছেন যে মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিপুতিরা পাবে। এটা ওনার আবেগের বহিঃপ্রকাশ। এটা ওনার নিজস্ব বক্তব্য ও অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। এটা উনি সত্যিই বোঝাতে চেয়েছেন কি না আমি জানি না।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী যারা স্লোগান দিচ্ছে, তারা তো সংখ্যায় বিপুল। এরা তো আর রাজাকারের সন্তান হতে পারে না। উনি (প্রধানমন্ত্রী) হয়তো বলেছেন আবেগের থেকে। মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়াতে উনি আহত হয়েছেন, সে জন্য বলেছেন। এই বলাতে ছাত্রদের মাঝে একটা প্রতিক্রিয়া হতেই পারে। কারণ সবাই নিজেকে প্রশ্ন করেছে যে আমি কি তাহলে রাজাকারের সন্তান? ওই ক্ষোভ থেকে তারাও আবার আবেগের বশে রাতে স্লোগান দিয়ে বেরিয়ে এসে মিছিল দিয়েছে।
আমরা তো ‘তুই রাজাকার’ বলতাম। গালি হিসেবে। ওরা (ছাত্রছাত্রী) বলছে, ‘তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার’। কিন্তু এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এটাও কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আজ (সোমবার) আবার বলেছেন। তিনি বক্তব্যে বলছেন, তারা কি জানে রাজাকার কী। রোকেয়া হলের মেয়েদের হত্যা করেছে রাজাকারেরা, ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে গেছে রাজাকারেরা। তাদের পরিচয়ে গর্ববোধ করার কী আছে, এটাও উনি (প্রধানমন্ত্রী) দুঃখবোধ করে বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আবেগের জায়গা থেকে আবার ছাত্রছাত্রীদের স্লোগানও আবেগের জায়গা থেকে। তারা বলেছিল, চেয়েছি অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার। এই পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার, এটা আমি মানতে পারি না। মানা যায় না। তবে এটাও আবেগের বহিঃপ্রকাশ। আমার মনে হয়, এই ধরনের বহিঃপ্রকাশ যত কম হয়, তত জাতির বিভেদ দূর হবে।
লেখক: অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মানবজাতির অন্তহীন দুর্ভাগ্যের কথা ভেবে ফরাসি দার্শনিক ভলতের (আমাদের দেশে বেশি পরিচিত ‘ভলতেয়ার’) একবার আশা প্রকাশ করেছিলেন এটা ভেবে যে ‘আমরা যে রকমটি চাই পৃথিবী যদি তেমনটিই হতো—যদি সর্বত্র মানুষ খুঁজে পেত জীবিকা-নির্বাহের সহজ ও নিশ্চিত উপায়, এবং তাদের স্বভাবপ্রকৃতির অনুকূল জলবায়ু—তবে একজন মানুষের
৭ মিনিট আগে
ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে ছিল বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য। ভাস্কর্যটি অনায়াসে ভেঙে ফেলা হচ্ছিল। অথচ কারা এটি ভাঙছে, সে ব্যাপারে কেউ কিছু জানত না। আজকের পত্রিকায় এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় বলা হয়েছে, ভাস্কর্যটি
১৪ মিনিট আগে
বেলুচিস্তান কিংবা পাকিস্তানের প্রসঙ্গ এলেই ইতিহাস যেন আমাদের অজান্তেই ৫৫ বছর পেছনে টেনে নিয়ে যায়। আর যখন বেলুচিস্তানে সামরিক অভিযান, বিদ্রোহ ও গণ-অসন্তোষের খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়, তখন ১৯৭১ সালের স্মৃতি অনিবার্যভাবেই ফিরে আসে।
১ দিন আগে
পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছিল। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সীমাহীন ব্যর্থতা ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা বলতে গেলে সাত রাত, সাত দিন কেটে যাবে। অর্থনীতি থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক পর্যায়ে সীমাহীন ব্যর্থতা।
১ দিন আগে