চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক সহকারী প্রক্টর হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভ ৯ ঘণ্টা প্রক্টর অফিসে অবরুদ্ধ থাকার পর প্রশাসনের সহযোগিতায় মুক্ত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির একটি গাড়িতে করে তাঁকে নিজ বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
এর আগে গতকাল দুপুরে চব্বিশের আন্দোলনে ‘গণহত্যা’য় সমর্থনের অভিযোগ তুলে শিক্ষক রোমান শুভকে জোর করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান চাকসু নেতারা। এরপর ৯ ঘণ্টা প্রক্টর অফিসে অবস্থানের পর চবি উপ-উপাচার্য ড. শামীম উদ্দীন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও চাকসু সদস্যদের মধ্যে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িতে করে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, প্রক্টর অফিসে থাকাকালে রোমান শুভর মোবাইল ফোন চেক করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ চবির রানিং কমিটির সভাপতি রেজাউল হক রুবেল, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু, পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে আলাদা করার ঘোষণা দেওয়া আওয়ামী লীগ নেতা আবরার শাহরিয়ারের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এমনকি গত শুক্রবার রাতেও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চবি শাখার সভাপতির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এ ছাড়া চবি শিক্ষক রোমান শুভর বিরুদ্ধে মামলা করতে হাটহাজারী থানায় গিয়েছিলেন চাকসু নেতারা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা নিতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চাকসুর পরিবহন ও যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মো. ইসহাক ভূঞা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী হেনস্তা এবং সব ধরনের অপকর্মের নেতৃত্ব যাঁরা দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রোমান শুভ। এ ছাড়াও নানা ধরনের অপকর্মে তিনি জড়িত ছিলেন।
চাকসু সাধারণ সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব বলেন, ‘আইন বিভাগের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের শিক্ষার্থী হেনস্তাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় আমরা আগেই তাঁর শাস্তির দাবি জানিয়েছিলাম, কিন্তু প্রশাসন তা বাস্তবায়ন করেনি।’ তিনি আরও বলেন, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে পাওয়া গেলে চাকসু নেতারা তাঁকে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান। এই ঘটনায় থানায় মামলা করতে চাইলেও পুলিশ অপারগতা জানায়। পরে প্রশাসন জানিয়েছে, চলমান তদন্ত শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘ওই শিক্ষক বিভিন্ন সমস্যার সঙ্গে জড়িত। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক সহকারী প্রক্টর হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভ ৯ ঘণ্টা প্রক্টর অফিসে অবরুদ্ধ থাকার পর প্রশাসনের সহযোগিতায় মুক্ত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির একটি গাড়িতে করে তাঁকে নিজ বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
এর আগে গতকাল দুপুরে চব্বিশের আন্দোলনে ‘গণহত্যা’য় সমর্থনের অভিযোগ তুলে শিক্ষক রোমান শুভকে জোর করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান চাকসু নেতারা। এরপর ৯ ঘণ্টা প্রক্টর অফিসে অবস্থানের পর চবি উপ-উপাচার্য ড. শামীম উদ্দীন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও চাকসু সদস্যদের মধ্যে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িতে করে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, প্রক্টর অফিসে থাকাকালে রোমান শুভর মোবাইল ফোন চেক করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ চবির রানিং কমিটির সভাপতি রেজাউল হক রুবেল, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু, পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে আলাদা করার ঘোষণা দেওয়া আওয়ামী লীগ নেতা আবরার শাহরিয়ারের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এমনকি গত শুক্রবার রাতেও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চবি শাখার সভাপতির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এ ছাড়া চবি শিক্ষক রোমান শুভর বিরুদ্ধে মামলা করতে হাটহাজারী থানায় গিয়েছিলেন চাকসু নেতারা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা নিতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চাকসুর পরিবহন ও যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মো. ইসহাক ভূঞা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী হেনস্তা এবং সব ধরনের অপকর্মের নেতৃত্ব যাঁরা দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রোমান শুভ। এ ছাড়াও নানা ধরনের অপকর্মে তিনি জড়িত ছিলেন।
চাকসু সাধারণ সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব বলেন, ‘আইন বিভাগের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের শিক্ষার্থী হেনস্তাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় আমরা আগেই তাঁর শাস্তির দাবি জানিয়েছিলাম, কিন্তু প্রশাসন তা বাস্তবায়ন করেনি।’ তিনি আরও বলেন, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে পাওয়া গেলে চাকসু নেতারা তাঁকে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান। এই ঘটনায় থানায় মামলা করতে চাইলেও পুলিশ অপারগতা জানায়। পরে প্রশাসন জানিয়েছে, চলমান তদন্ত শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘ওই শিক্ষক বিভিন্ন সমস্যার সঙ্গে জড়িত। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।’

দুদক জানিয়েছে, সাতজন নিম্ন আয়ের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে একটি চক্র। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তা করেন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামানের ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান
১ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা আগের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় দেওয়া হয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে
সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। অভিযোগসংশ্লিষ্ট মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে নির্বাচনী মাঠে ফিরলেন আরও ৫৮ প্রার্থী। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিন আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না...
২ ঘণ্টা আগে