নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মেট্রোপলিটন এলাকায় ভবন নির্মাণে সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে অনুমতি নয়, ভবন নির্মাণের বিষয়টি সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
সচিবালয়ে আজ বৃহস্পতিবার এক আন্তমন্ত্রণালয় সভা শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তাজুল বলেন, ‘রাজউক থেকে ভবনের নকশা ও স্থাপত্যবিষয়ক বিষয়গুলোর অনুমোদন নিতে হবে। আর ওই ভবন কোন স্থানে করা হচ্ছে সে বিষয়ে সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে।’
গত ৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক সভায় তাজুল ইসলাম বলেছিলেন, যেকোনো অবকাঠামো নির্মাণের আগে রাজউকের পাশাপাশি দুই সিটি করপোরেশনের অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন পেতে গিয়ে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে মেয়রদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছিলেন তিনি। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রিয়েল এস্টেট হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকায় ভবন নির্মাণে রাজউক কিংবা সিটি করপোরেশনের মধ্যে যেকোনো একটি সংস্থাকে অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ রাখার দাবি জানায়।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘সিটি করপোরেশন থেকে ভবনের আর্কিটেকচারাল বা স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের জন্য পারমিশন নিতে হবে না। ওই বিল্ডিং নির্ধারিত জায়গায় নির্মাণ করা হচ্ছে কি না; ভবনটির যে প্ল্যান আছে, সেই প্ল্যান অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তা যদি কেউ দেখাশোনা না করে, তাহলে কি শহর বসবাসের উপযোগী থাকবে? এ জন্য ভবন নির্মাণের বিষয়টি সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে।’
অনেকে খাল দখল করে ভবন নির্মাণ করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এমন হলে আমরা তখন সিটি করপোরেশনকে ধরতে পারব। তাদের কাছে জবাব চাইতে পারব।’

মেট্রোপলিটন এলাকায় ভবন নির্মাণে সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে অনুমতি নয়, ভবন নির্মাণের বিষয়টি সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
সচিবালয়ে আজ বৃহস্পতিবার এক আন্তমন্ত্রণালয় সভা শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তাজুল বলেন, ‘রাজউক থেকে ভবনের নকশা ও স্থাপত্যবিষয়ক বিষয়গুলোর অনুমোদন নিতে হবে। আর ওই ভবন কোন স্থানে করা হচ্ছে সে বিষয়ে সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে।’
গত ৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক সভায় তাজুল ইসলাম বলেছিলেন, যেকোনো অবকাঠামো নির্মাণের আগে রাজউকের পাশাপাশি দুই সিটি করপোরেশনের অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন পেতে গিয়ে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে মেয়রদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছিলেন তিনি। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রিয়েল এস্টেট হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকায় ভবন নির্মাণে রাজউক কিংবা সিটি করপোরেশনের মধ্যে যেকোনো একটি সংস্থাকে অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ রাখার দাবি জানায়।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘সিটি করপোরেশন থেকে ভবনের আর্কিটেকচারাল বা স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের জন্য পারমিশন নিতে হবে না। ওই বিল্ডিং নির্ধারিত জায়গায় নির্মাণ করা হচ্ছে কি না; ভবনটির যে প্ল্যান আছে, সেই প্ল্যান অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তা যদি কেউ দেখাশোনা না করে, তাহলে কি শহর বসবাসের উপযোগী থাকবে? এ জন্য ভবন নির্মাণের বিষয়টি সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে।’
অনেকে খাল দখল করে ভবন নির্মাণ করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এমন হলে আমরা তখন সিটি করপোরেশনকে ধরতে পারব। তাদের কাছে জবাব চাইতে পারব।’

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে