
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির সংকটের কারণে আকাশসীমা বন্ধ থাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় এক মাসে ৭৭৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যগামী হাজারো যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন এবং বিমান চলাচলের সূচিতে নজিরবিহীন বিপর্যয় তৈরি হয়।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ বা সীমিত রেখেছে। ফলে এসব দেশের গন্তব্যে পরিচালিত ফ্লাইটগুলো বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো।
তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষ দিন থেকে মার্চের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। শুরুতে প্রতিদিন ৩০-৪০টি ফ্লাইট বাতিল হলেও ধীরে ধীরে তা কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। আজ বুধবার (২৫ মার্চ) পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ২০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এদিকে ২৬ মার্চ রাত ১২টার পর থেকে আরও ২২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজের চারটি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ছয়টি, গালফ এয়ারের দুটি, কাতার এয়ারওয়েজের চারটি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের দুটি ও জাজিরা এয়ারওয়েজের চারটি ফ্লাইট রয়েছে।
সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৭৭৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইটের সূচিতে অনিশ্চয়তা থেকেই যাবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধাপে ধাপে বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলো পুনরায় চালু করা হবে বলে জানিয়েছে এয়ারলাইনসগুলো।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

রফিকুল ইসলাম বলেন, পদকের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীতদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলমান থাকায় আপাতত পদক প্রদান স্থগিত রাখা হয়েছে। যাচাই শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সুবিধাজনক সময়ে তাঁদের পদক দেওয়া হবে...
৩৯ মিনিট আগে
সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে আমি ভালোবাসিলাম, সে কখনো করে না বঞ্চনা।’ দেশের জনগণ অনেক কঠিন লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। তারা কঠিনকে ভালোবেসেছিল। এই দীর্ঘ সংগ্রাম জনগণকে বঞ্চিত করেনি। তারা একটি নতুন সকালের দেখা পেয়েছে...
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে পুলিশ বাহিনীর বিকল্প নেই। তবে পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে, তাহলে পুলিশের দায়িত্ব পালনের পথ অনেকটা সহজ এবং সুগম হয়ে যায়।’
৫ ঘণ্টা আগে
‘আমরা চাই বিচারকদের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়ুক। জনগণ আমাদেরকে ম্যান্ডেট দিয়েছে। তাই আপনাদের বলতে চাই, যে বিষয়গুলো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায়, সেগুলো এড়িয়ে চলে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করুন। এ কাজে সরকারকে সব সময় আপনাদের পাশে পাবেন...
৭ ঘণ্টা আগে