Ajker Patrika

স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। ছবি: জাতীয় সংসদ

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপির সঙ্গে আজ বুধবার তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু। ১৯৭৭ সাল ছিল বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।

স্পিকার বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চীন সফরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরে ১৯৯১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফর এই সম্পর্ককে আরও নতুন উচ্চতায় উন্নীত করে।

স্পিকার আরও বলেন, ‘দুই দেশের জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক চীন-বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তি। চীনের সঙ্গে আমাদের সংসদীয় যোগাযোগ বাড়াতে সংসদ সদস্যদের সফর বিনিময় অত্যন্ত জরুরি, যা দুই দেশের সুসম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেবে।’ তিনি সে সঙ্গে গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ খুব দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে জিয়াউর রহমানের সার্ক গঠনের প্রস্তাব ছিল এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। বর্তমানে এই সংস্থায় চীনের পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিতি আঞ্চলিক উন্নয়নে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ সময় তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার বিষয়ে প্রস্তাব করেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন সরকারের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রদূত জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমকে অভিনন্দন জানান এবং চীন সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন। স্পিকার জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতীকসংবলিত স্মারক চীনের রাষ্ট্রদূতকে উপহার দেন।

সাক্ষাৎকালে তাঁরা উভয়ই দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও উন্নয়ন অংশীদারত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের ভূমিকা ও বর্তমান বিশ্বের জ্বালানি তেলের সংকটের বিষয়েও তাঁরা আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে চীনের দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত