নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলকে ‘একতরফা’ বলে মন্তব্য করে তা বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৫৮৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তারা মনে করেন চলমান উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে দেশকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই মত দিয়ে একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দল নিরপেক্ষ সরকার গঠন ও সংলাপের মাধ্যমে নতুন তফসিল দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণতন্ত্রের পূর্ব শর্ত হচ্ছে মানুষের ভোটের অধিকার, মানবাধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ দেশের ৩৬টি রাজনৈতিক দল মানুষের এই ভোটের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে আসছে। কিন্তু সরকার তাতে কর্ণপাত না করে আরেকটি ২০১৪ এবং ২০১৮ মার্কা নির্বাচনের আয়োজন করার পায়তারা চালাচ্ছে। এর পরিণতি শুভকর নয়। জাতীয় নির্বাচন মানুষের জীবনে প্রতি পাঁচ বছর পর পর আসে সেটাকে উৎসবমুখর করে তোলার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকার বিরোধী দল বিএনপিসহ আন্দোলনকারী দলগুলোর সভা সমাবেশ করার সমস্ত অধিকার ধূলিসাৎ করে দিয়ে কেবলমাত্র তাদের নিজেদের শিবিরের এবং পছন্দের দলগুলোকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করছে। একটি দলের অফিসের সামনে উৎসব মুখর পরিবেশ আর একটি দলের অফিসে ঝুলছে তালা, পুলিশের সতর্ক পাহারার কারণে সেখানে প্রবেশ করতে পারছে না কোনো নেতা-কর্মী।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন, প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ, প্রফেসর ড. আফম ইউসুফ হায়দার, এডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক আলমগীর মহিউদ্দিন, এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, প্রফেসর আহমেদ কামাল, অধ্যাপক নুরুল আমিন, প্রফেসর ড. তাজমেরি এসএ ইসলাম, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, কবি ও সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, প্রফেসর ডা: সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ডা: ফরহাদ হালিম ডোনার, সাংবাদিক ড. রেজোয়ান হোসেন সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, প্রফেসর ড. আবদুল লতিফ মাসুম, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান প্রমুখ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলকে ‘একতরফা’ বলে মন্তব্য করে তা বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৫৮৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তারা মনে করেন চলমান উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে দেশকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই মত দিয়ে একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দল নিরপেক্ষ সরকার গঠন ও সংলাপের মাধ্যমে নতুন তফসিল দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণতন্ত্রের পূর্ব শর্ত হচ্ছে মানুষের ভোটের অধিকার, মানবাধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ দেশের ৩৬টি রাজনৈতিক দল মানুষের এই ভোটের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে আসছে। কিন্তু সরকার তাতে কর্ণপাত না করে আরেকটি ২০১৪ এবং ২০১৮ মার্কা নির্বাচনের আয়োজন করার পায়তারা চালাচ্ছে। এর পরিণতি শুভকর নয়। জাতীয় নির্বাচন মানুষের জীবনে প্রতি পাঁচ বছর পর পর আসে সেটাকে উৎসবমুখর করে তোলার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকার বিরোধী দল বিএনপিসহ আন্দোলনকারী দলগুলোর সভা সমাবেশ করার সমস্ত অধিকার ধূলিসাৎ করে দিয়ে কেবলমাত্র তাদের নিজেদের শিবিরের এবং পছন্দের দলগুলোকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করছে। একটি দলের অফিসের সামনে উৎসব মুখর পরিবেশ আর একটি দলের অফিসে ঝুলছে তালা, পুলিশের সতর্ক পাহারার কারণে সেখানে প্রবেশ করতে পারছে না কোনো নেতা-কর্মী।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন, প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ, প্রফেসর ড. আফম ইউসুফ হায়দার, এডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক আলমগীর মহিউদ্দিন, এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, প্রফেসর আহমেদ কামাল, অধ্যাপক নুরুল আমিন, প্রফেসর ড. তাজমেরি এসএ ইসলাম, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, কবি ও সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, প্রফেসর ডা: সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ডা: ফরহাদ হালিম ডোনার, সাংবাদিক ড. রেজোয়ান হোসেন সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, প্রফেসর ড. আবদুল লতিফ মাসুম, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলকে ‘একতরফা’ বলে মন্তব্য করে তা বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৫৮৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তারা মনে করেন চলমান উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে দেশকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই মত দিয়ে একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দল নিরপেক্ষ সরকার গঠন ও সংলাপের মাধ্যমে নতুন তফসিল দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণতন্ত্রের পূর্ব শর্ত হচ্ছে মানুষের ভোটের অধিকার, মানবাধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ দেশের ৩৬টি রাজনৈতিক দল মানুষের এই ভোটের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে আসছে। কিন্তু সরকার তাতে কর্ণপাত না করে আরেকটি ২০১৪ এবং ২০১৮ মার্কা নির্বাচনের আয়োজন করার পায়তারা চালাচ্ছে। এর পরিণতি শুভকর নয়। জাতীয় নির্বাচন মানুষের জীবনে প্রতি পাঁচ বছর পর পর আসে সেটাকে উৎসবমুখর করে তোলার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকার বিরোধী দল বিএনপিসহ আন্দোলনকারী দলগুলোর সভা সমাবেশ করার সমস্ত অধিকার ধূলিসাৎ করে দিয়ে কেবলমাত্র তাদের নিজেদের শিবিরের এবং পছন্দের দলগুলোকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করছে। একটি দলের অফিসের সামনে উৎসব মুখর পরিবেশ আর একটি দলের অফিসে ঝুলছে তালা, পুলিশের সতর্ক পাহারার কারণে সেখানে প্রবেশ করতে পারছে না কোনো নেতা-কর্মী।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন, প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ, প্রফেসর ড. আফম ইউসুফ হায়দার, এডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক আলমগীর মহিউদ্দিন, এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, প্রফেসর আহমেদ কামাল, অধ্যাপক নুরুল আমিন, প্রফেসর ড. তাজমেরি এসএ ইসলাম, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, কবি ও সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, প্রফেসর ডা: সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ডা: ফরহাদ হালিম ডোনার, সাংবাদিক ড. রেজোয়ান হোসেন সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, প্রফেসর ড. আবদুল লতিফ মাসুম, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান প্রমুখ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলকে ‘একতরফা’ বলে মন্তব্য করে তা বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৫৮৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তারা মনে করেন চলমান উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে দেশকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই মত দিয়ে একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দল নিরপেক্ষ সরকার গঠন ও সংলাপের মাধ্যমে নতুন তফসিল দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণতন্ত্রের পূর্ব শর্ত হচ্ছে মানুষের ভোটের অধিকার, মানবাধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ দেশের ৩৬টি রাজনৈতিক দল মানুষের এই ভোটের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে আসছে। কিন্তু সরকার তাতে কর্ণপাত না করে আরেকটি ২০১৪ এবং ২০১৮ মার্কা নির্বাচনের আয়োজন করার পায়তারা চালাচ্ছে। এর পরিণতি শুভকর নয়। জাতীয় নির্বাচন মানুষের জীবনে প্রতি পাঁচ বছর পর পর আসে সেটাকে উৎসবমুখর করে তোলার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকার বিরোধী দল বিএনপিসহ আন্দোলনকারী দলগুলোর সভা সমাবেশ করার সমস্ত অধিকার ধূলিসাৎ করে দিয়ে কেবলমাত্র তাদের নিজেদের শিবিরের এবং পছন্দের দলগুলোকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করছে। একটি দলের অফিসের সামনে উৎসব মুখর পরিবেশ আর একটি দলের অফিসে ঝুলছে তালা, পুলিশের সতর্ক পাহারার কারণে সেখানে প্রবেশ করতে পারছে না কোনো নেতা-কর্মী।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন, প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ, প্রফেসর ড. আফম ইউসুফ হায়দার, এডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক আলমগীর মহিউদ্দিন, এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, প্রফেসর আহমেদ কামাল, অধ্যাপক নুরুল আমিন, প্রফেসর ড. তাজমেরি এসএ ইসলাম, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, কবি ও সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, প্রফেসর ডা: সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ডা: ফরহাদ হালিম ডোনার, সাংবাদিক ড. রেজোয়ান হোসেন সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, প্রফেসর ড. আবদুল লতিফ মাসুম, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান প্রমুখ।

রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
৯ মিনিট আগে
নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে তিনটি ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক (এলসিটি) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তরিকুল ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। আজ উপদেষ্টা পরিষদে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত ফৌজদারি দায় থেকে আন্দোলনকারীদের অব্যাহতি...
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিনে ১০৪টি আবেদনের শুনানি করা হয়। এর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে ৬০টি আপিল আবেদন মঞ্জুর হয়েছে এবং ২৯টি আপিল আবেদন না-মঞ্জুর হয়েছে। কমিশন মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে পাঁচটি আপিল না-মঞ্জুর করেছে। আর ১০টি আপিল আবেদন অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে।
এর আগে গতকাল বুধবার পর্যন্ত পাঁচ দিনের শুনানিতে মোট ২৭৫ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। আজ পর্যন্ত এই সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩৫।
আগামীকাল শুক্রবার ৩০টি আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আপিল শুনানি চলবে। গত ১০ জানুয়ারি (শনিবার) থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শুরু হয়। যা চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।

রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিনে ১০৪টি আবেদনের শুনানি করা হয়। এর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে ৬০টি আপিল আবেদন মঞ্জুর হয়েছে এবং ২৯টি আপিল আবেদন না-মঞ্জুর হয়েছে। কমিশন মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে পাঁচটি আপিল না-মঞ্জুর করেছে। আর ১০টি আপিল আবেদন অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে।
এর আগে গতকাল বুধবার পর্যন্ত পাঁচ দিনের শুনানিতে মোট ২৭৫ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। আজ পর্যন্ত এই সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩৫।
আগামীকাল শুক্রবার ৩০টি আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আপিল শুনানি চলবে। গত ১০ জানুয়ারি (শনিবার) থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শুরু হয়। যা চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলকে ‘একতরফা’ বলে মন্তব্য করে তা বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৫৮৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তারা মনে করেন চলমান উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে দেশকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন।
২৩ নভেম্বর ২০২৩
নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে তিনটি ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক (এলসিটি) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তরিকুল ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। আজ উপদেষ্টা পরিষদে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত ফৌজদারি দায় থেকে আন্দোলনকারীদের অব্যাহতি...
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে তিনটি ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক (এলসিটি) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা শিপইয়ার্ড প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিংয়ের শুভ উদ্বোধন করেন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। এ সময় সামরিক ও অসামরিক বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপকূলীয় অঞ্চলে সেনা ও নৌবাহিনীর সমন্বিত এফিবিয়াস অপারেশনে ট্যাংক, আর্টিলারি, এপিসিসহ ভারী সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে শান্তিকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মানবিক সহায়তা ও উদ্ধার অভিযানে এসব জাহাজ কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এই প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে নৌবাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ডে নিজস্ব সক্ষমতায় এবং কানাডার ভার্ড মেরিন ডিজাইনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় এলসিটিগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রতিটি এলসিটি ছয়টি ট্যাংক অথবা ১২টি এপিসি কিংবা ১৮টি সামরিক যান বহনে সক্ষম। এসব জাহাজ নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আইএসপিআর জানায়, রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (খুশিলি) বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৯ সালে আর্থিক সংকটের মুখে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের মাধ্যমে নতুন করে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বাণিজ্যিক জাহাজ ও যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুপরিচিত।
জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। উৎপাদনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে ISO-এর নির্দেশনা অনুসরণ করা হয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ল্যাসিফিকেশন সোসাইটি অনুমোদিত সংস্থা বিএভি (BV), ডিএনভি-জিএল (DNV-GL), এনকেকে (NKK), সিসিএস (CCS), এলআর (LR), রিনা (RINA), এবিএস (ABS) প্রভৃতির তত্ত্বাবধানে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ ও নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়ে থাকে।
আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ব্যবস্থাপনা, প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার, বছরে তিন হাজার টন স্টিলওয়ার্ক সক্ষমতা এবং আট শতাধিক জলযান নির্মাণের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড আজ বাংলাদেশের শিল্প খাতে একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড ও অনুসরণযোগ্য আদর্শ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
এ ছাড়া নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অর্জন করেছে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার এবং সবুজায়নের মাধ্যমে ইকো-ফ্রেন্ডলি শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে এই স্বীকৃতি লাভ করে প্রতিষ্ঠানটি।

নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে তিনটি ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক (এলসিটি) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা শিপইয়ার্ড প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিংয়ের শুভ উদ্বোধন করেন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। এ সময় সামরিক ও অসামরিক বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপকূলীয় অঞ্চলে সেনা ও নৌবাহিনীর সমন্বিত এফিবিয়াস অপারেশনে ট্যাংক, আর্টিলারি, এপিসিসহ ভারী সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে শান্তিকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মানবিক সহায়তা ও উদ্ধার অভিযানে এসব জাহাজ কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এই প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে নৌবাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ডে নিজস্ব সক্ষমতায় এবং কানাডার ভার্ড মেরিন ডিজাইনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় এলসিটিগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রতিটি এলসিটি ছয়টি ট্যাংক অথবা ১২টি এপিসি কিংবা ১৮টি সামরিক যান বহনে সক্ষম। এসব জাহাজ নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আইএসপিআর জানায়, রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (খুশিলি) বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৯ সালে আর্থিক সংকটের মুখে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের মাধ্যমে নতুন করে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বাণিজ্যিক জাহাজ ও যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুপরিচিত।
জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। উৎপাদনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে ISO-এর নির্দেশনা অনুসরণ করা হয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ল্যাসিফিকেশন সোসাইটি অনুমোদিত সংস্থা বিএভি (BV), ডিএনভি-জিএল (DNV-GL), এনকেকে (NKK), সিসিএস (CCS), এলআর (LR), রিনা (RINA), এবিএস (ABS) প্রভৃতির তত্ত্বাবধানে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ ও নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়ে থাকে।
আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ব্যবস্থাপনা, প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার, বছরে তিন হাজার টন স্টিলওয়ার্ক সক্ষমতা এবং আট শতাধিক জলযান নির্মাণের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড আজ বাংলাদেশের শিল্প খাতে একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড ও অনুসরণযোগ্য আদর্শ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
এ ছাড়া নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অর্জন করেছে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার এবং সবুজায়নের মাধ্যমে ইকো-ফ্রেন্ডলি শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে এই স্বীকৃতি লাভ করে প্রতিষ্ঠানটি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলকে ‘একতরফা’ বলে মন্তব্য করে তা বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৫৮৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তারা মনে করেন চলমান উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে দেশকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন।
২৩ নভেম্বর ২০২৩
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
৯ মিনিট আগে
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তরিকুল ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। আজ উপদেষ্টা পরিষদে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত ফৌজদারি দায় থেকে আন্দোলনকারীদের অব্যাহতি...
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় গ্রেপ্তার সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আলোচিত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তরিকুল ইসলাম।
আবেদ আলীকে আজ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন তাঁর সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবীরা এ সময় রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। এর বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষ। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে দুদক আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে আবেদ আলীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তির অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক ব্যাংকিং লেনদেন পাওয়া গেছে। তার মধ্যে মো. জাকারিয়া রহমানসহ একাধিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত আছেন বলে জানা গেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, আবেদ আলী পিএসসির গাড়িচালক (অবসরপ্রাপ্ত) হয়েও সংঘবদ্ধ প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অনেক সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল এবং অনৈতিকভাবে চাকরি পেয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। আসামির কাছ থেকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রকৃত তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের জন্য আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।
২০২৪ সালের ৮ জুলাই বিসিএস পরীক্ষাসহ ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরের বছরের ৫ জানুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা করে দুদক।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আবেদ আলী ১২টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা জমা এবং ২০ কোটি ৪১ লাখ টাকা উত্তোলনসহ ৪১ কোটি ২৯ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় গ্রেপ্তার সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আলোচিত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তরিকুল ইসলাম।
আবেদ আলীকে আজ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন তাঁর সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবীরা এ সময় রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। এর বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষ। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে দুদক আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে আবেদ আলীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তির অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক ব্যাংকিং লেনদেন পাওয়া গেছে। তার মধ্যে মো. জাকারিয়া রহমানসহ একাধিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত আছেন বলে জানা গেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, আবেদ আলী পিএসসির গাড়িচালক (অবসরপ্রাপ্ত) হয়েও সংঘবদ্ধ প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অনেক সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল এবং অনৈতিকভাবে চাকরি পেয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। আসামির কাছ থেকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রকৃত তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের জন্য আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।
২০২৪ সালের ৮ জুলাই বিসিএস পরীক্ষাসহ ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরের বছরের ৫ জানুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা করে দুদক।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আবেদ আলী ১২টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা জমা এবং ২০ কোটি ৪১ লাখ টাকা উত্তোলনসহ ৪১ কোটি ২৯ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলকে ‘একতরফা’ বলে মন্তব্য করে তা বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৫৮৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তারা মনে করেন চলমান উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে দেশকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন।
২৩ নভেম্বর ২০২৩
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
৯ মিনিট আগে
নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে তিনটি ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক (এলসিটি) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। আজ উপদেষ্টা পরিষদে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত ফৌজদারি দায় থেকে আন্দোলনকারীদের অব্যাহতি...
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত ফৌজদারি দায় থেকে আন্দোলনকারীদের অব্যাহতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এসব কথা জানান।
আইন উপদেষ্টা বলেন, এই অধ্যাদেশের আওতায় জুলাই ও আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন এবং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য কোনো আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যাবে না। ওই সময়ের এমন কর্মকাণ্ডের কারণে যদি আগে কোনো মামলা হয়ে থাকে, সেগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে সরকার।
আইন উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে সংঘটিত অপরাধ—বিশেষ করে হত্যাকাণ্ড—এই দায়মুক্তির আওতায় আসবে না। লোভ, প্রতিশোধ বা ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে সংঘটিত কোনো হত্যাকাণ্ড হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফৌজদারি দায় থেকে রেহাই পাবেন না।
কোনো ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল কি না—সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ড. আসিফ নজরুল। ভুক্তভোগীর পরিবার যদি মনে করে, কোনো হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাহলে তারা মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ করতে পারবে। কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের সমমর্যাদায় গণ্য হবে।
উপদেষ্টা আরও জানান, মানবাধিকার কমিশন যদি মনে করে, কোনো ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রয়োজন, সে সুপারিশ করার সুযোগও এই অধ্যাদেশে রাখা হয়েছে। জানুয়ারির মধ্যেই একটি শক্তিশালী ও কার্যকর মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন আইন উপদেষ্টা।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের আত্মত্যাগের ফলেই দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মুক্ত পরিবেশ ফিরে এসেছে। ভবিষ্যতে যাতে তাঁরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা হয়রানির শিকার না হন, সেই নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকেই এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে।

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত ফৌজদারি দায় থেকে আন্দোলনকারীদের অব্যাহতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এসব কথা জানান।
আইন উপদেষ্টা বলেন, এই অধ্যাদেশের আওতায় জুলাই ও আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন এবং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য কোনো আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যাবে না। ওই সময়ের এমন কর্মকাণ্ডের কারণে যদি আগে কোনো মামলা হয়ে থাকে, সেগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে সরকার।
আইন উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে সংঘটিত অপরাধ—বিশেষ করে হত্যাকাণ্ড—এই দায়মুক্তির আওতায় আসবে না। লোভ, প্রতিশোধ বা ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে সংঘটিত কোনো হত্যাকাণ্ড হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফৌজদারি দায় থেকে রেহাই পাবেন না।
কোনো ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল কি না—সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ড. আসিফ নজরুল। ভুক্তভোগীর পরিবার যদি মনে করে, কোনো হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাহলে তারা মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ করতে পারবে। কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের সমমর্যাদায় গণ্য হবে।
উপদেষ্টা আরও জানান, মানবাধিকার কমিশন যদি মনে করে, কোনো ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রয়োজন, সে সুপারিশ করার সুযোগও এই অধ্যাদেশে রাখা হয়েছে। জানুয়ারির মধ্যেই একটি শক্তিশালী ও কার্যকর মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন আইন উপদেষ্টা।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের আত্মত্যাগের ফলেই দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মুক্ত পরিবেশ ফিরে এসেছে। ভবিষ্যতে যাতে তাঁরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা হয়রানির শিকার না হন, সেই নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকেই এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলকে ‘একতরফা’ বলে মন্তব্য করে তা বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৫৮৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তারা মনে করেন চলমান উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে দেশকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন।
২৩ নভেম্বর ২০২৩
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
৯ মিনিট আগে
নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে তিনটি ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক (এলসিটি) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তরিকুল ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে