
বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। তার পর থেকেই একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরেফিরে আসছে যে, শেখ হাসিনা আসলে কোথায় অবস্থান করছেন।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন ‘গণভবনের’ দিকে যেতে থাকে। এই অবস্থায় শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিমানে করে দিল্লির নিকটস্থ গাজিয়াবাদ বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান। এরপর ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে তিনি আসলে ঠিক কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে মানুষের জল্পনা বন্ধ হয়নি।
ভারতের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, এসব সূত্রের একেকজনের বিশ্বাসযোগ্যতার মাত্রা একেক রকম—শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের একটি সেফ হাউসে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে সূত্রগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। সেখানে তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছেন তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিল্লিভিত্তিক একটি পদে দায়িত্ব পালন করছেন গত ফেব্রুয়ারি থেকে। আবার বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, শেখ হাসিনাকে তাঁর সদলবলে দিল্লির অন্যতম ধনী পার্ক লোধি গার্ডেনে হাঁটতে দেখেছেন।
বিশ্বের যেসব দেশের সরকার শেখ হাসিনার সরকারকে নিঃশর্ত সমর্থন দিয়েছে, তার মধ্যে ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকার শীর্ষে। আওয়ামী লীগ যখন বাংলাদেশের ক্ষমতায়, তখন এ বিষয়ে দিল্লি একধরনের ‘নীরবতা’ বজায় রেখেছিল। বিষয়টি মাথায় রেখে দিল্লিতে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলো বেশির ভাগই ভাবা বন্ধ করে দিয়েছে যে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তারা শেখ হাসিনার প্রথম সাক্ষাৎকার পাবে।
এর কয়েকটি কারণও আছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে এবং দেশে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় শত শত হত্যাকাণ্ডের জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করে। এ ছাড়া ভারত-বাংলাদেশের একটি বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে, যা ২০১৩ সালে হাসিনা নিজেই স্বাক্ষর করেছিলেন। এখন তত্ত্বগতভাবে এই চুক্তিকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি নতুন সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করতে চায়।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসিফ নজরুল ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, ‘ভারতের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, আমরা তাঁকে (শেখ হাসিনাকে) বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণের দাবি জানাতে পারি। তবে আপাতত, আমরা আশা করি, ভারত তাঁকে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেবে না।’ এ সময় তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনা মিথ্যা ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।
এর আগে, ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছিলেন, ‘যদি বাংলাদেশ (সরকার) তাঁকে (শেখ হাসিনা) ফেরত না নেওয়া পর্যন্ত ভারত তাঁকে রাখতে চায়, তবে শর্ত হলো তাঁকে চুপ থাকতে হবে।’ তাঁর এই মন্তব্যে ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনেকেই হতাশ হয়েছিলেন।
এই অঞ্চলের দেশত্যাগী বা পলাতক নেতাদের আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস আছে ভারতের। ১৯৫৯ সালে দালাই লামা চীনের তিব্বত থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। যদিও তিনি রাজনৈতিক বিষয়গুলো একটি বেসামরিক নির্বাসিত প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছেন, তবে সেটিও ভারতে অবস্থিত। তিব্বতের এই আধ্যাত্মিক নেতা সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে, যা চীনাদের ক্ষুব্ধ করেছে। বেইজিং ও বিশ্লেষকদের মতে, মোদি সরকারের সম্মতি ছাড়া এটি ঘটত না।
এরপর, আফগান নেতা মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহর পরিবার ১৯৯২ সালে ভারতে পালিয়ে যায়। যেখানে নাজিবুল্লাহর স্ত্রী ফাতানা নাজিব ও সন্তানেরা এখনো রয়ে গেছেন। শেখ হাসিনা নিজে ও তাঁর বোন শেখ রেহানা ১৯৭৫ সালের পর বেশ কয়েক বছর ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই সময়টাতে তাদের পিতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল।
ভারতে মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকারের সময় পররাষ্ট্রসচিবের দায়িত্ব পালন করা এবং পরে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হওয়া শিবশঙ্কর মেনন বলেছেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ভারতে আশ্রয়ের অনেক নজির আছে। আমরা সব সময় তাদের থাকার অনুমতি দিয়েছি এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা আমাদের ইচ্ছাকে সম্মান করে রাজনৈতিক কার্যকলাপ থেকে দূরে থেকেছে।’
ভারতের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে শেখ হাসিনা ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। সেখানকার রাজনীতিবিদেরা মনে করেন, শেখ হাসিনা ইসলামি উগ্রবাদ দূরীকরণে সফল। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় তাঁর বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কারণেও তাঁকে আলাদাভাবে দেখা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা আছে।
শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ অনেকেই মনে করেন, শেখ হাসিনার পতন ও ড. ইউনূসের দায়িত্ব গ্রহণ মূলত একধরনের ‘কালার রেভল্যুশন’ বা ‘শাসন পরিবর্তন’, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭১ সালে পাকিস্তানকে সমর্থন করলেও ভারতেও দেশটির বিপুল অর্থ লগ্নি আছে এবং সেই লগ্নি কেবল মোদি-ঘনিষ্ঠ বলয়েই হয়েছে এমনটা নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার দিল্লিতে অবস্থানের বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। একই সঙ্গে দিল্লির নিজস্ব পরিকল্পনা অনুসারে, আগামী দিনগুলোতে শেখ হাসিনা অবস্থানের ব্যাপারে একধরনের ঢাক গুড়গুড় থাকবে। আরও সোজা ভাষায় বললে, তাঁর অবস্থানটি ‘অদৃশ্য করার চাদর’ দিয়ে ঢেকে রাখা হবে।
এ বিষয়ে শিবশঙ্কর মেনন বলেন, ‘এগুলো অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠ হওয়ার কুফল। আর যখন বিষয়টি আমাদের প্রতিবেশীর সঙ্গে ঘটে, তখন তা আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিষয়টি এমন নয় যে, আমরা পৃথিবীর অন্য প্রান্তে থাকা কোনো দেশের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ডিল করছি।’
অনুবাদ করেছেন আব্দুর রহমান

বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। তার পর থেকেই একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরেফিরে আসছে যে, শেখ হাসিনা আসলে কোথায় অবস্থান করছেন।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন ‘গণভবনের’ দিকে যেতে থাকে। এই অবস্থায় শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিমানে করে দিল্লির নিকটস্থ গাজিয়াবাদ বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান। এরপর ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে তিনি আসলে ঠিক কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে মানুষের জল্পনা বন্ধ হয়নি।
ভারতের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, এসব সূত্রের একেকজনের বিশ্বাসযোগ্যতার মাত্রা একেক রকম—শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের একটি সেফ হাউসে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে সূত্রগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। সেখানে তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছেন তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিল্লিভিত্তিক একটি পদে দায়িত্ব পালন করছেন গত ফেব্রুয়ারি থেকে। আবার বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, শেখ হাসিনাকে তাঁর সদলবলে দিল্লির অন্যতম ধনী পার্ক লোধি গার্ডেনে হাঁটতে দেখেছেন।
বিশ্বের যেসব দেশের সরকার শেখ হাসিনার সরকারকে নিঃশর্ত সমর্থন দিয়েছে, তার মধ্যে ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকার শীর্ষে। আওয়ামী লীগ যখন বাংলাদেশের ক্ষমতায়, তখন এ বিষয়ে দিল্লি একধরনের ‘নীরবতা’ বজায় রেখেছিল। বিষয়টি মাথায় রেখে দিল্লিতে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলো বেশির ভাগই ভাবা বন্ধ করে দিয়েছে যে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তারা শেখ হাসিনার প্রথম সাক্ষাৎকার পাবে।
এর কয়েকটি কারণও আছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে এবং দেশে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় শত শত হত্যাকাণ্ডের জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করে। এ ছাড়া ভারত-বাংলাদেশের একটি বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে, যা ২০১৩ সালে হাসিনা নিজেই স্বাক্ষর করেছিলেন। এখন তত্ত্বগতভাবে এই চুক্তিকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি নতুন সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করতে চায়।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসিফ নজরুল ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, ‘ভারতের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, আমরা তাঁকে (শেখ হাসিনাকে) বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণের দাবি জানাতে পারি। তবে আপাতত, আমরা আশা করি, ভারত তাঁকে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেবে না।’ এ সময় তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনা মিথ্যা ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।
এর আগে, ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছিলেন, ‘যদি বাংলাদেশ (সরকার) তাঁকে (শেখ হাসিনা) ফেরত না নেওয়া পর্যন্ত ভারত তাঁকে রাখতে চায়, তবে শর্ত হলো তাঁকে চুপ থাকতে হবে।’ তাঁর এই মন্তব্যে ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনেকেই হতাশ হয়েছিলেন।
এই অঞ্চলের দেশত্যাগী বা পলাতক নেতাদের আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস আছে ভারতের। ১৯৫৯ সালে দালাই লামা চীনের তিব্বত থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। যদিও তিনি রাজনৈতিক বিষয়গুলো একটি বেসামরিক নির্বাসিত প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছেন, তবে সেটিও ভারতে অবস্থিত। তিব্বতের এই আধ্যাত্মিক নেতা সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে, যা চীনাদের ক্ষুব্ধ করেছে। বেইজিং ও বিশ্লেষকদের মতে, মোদি সরকারের সম্মতি ছাড়া এটি ঘটত না।
এরপর, আফগান নেতা মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহর পরিবার ১৯৯২ সালে ভারতে পালিয়ে যায়। যেখানে নাজিবুল্লাহর স্ত্রী ফাতানা নাজিব ও সন্তানেরা এখনো রয়ে গেছেন। শেখ হাসিনা নিজে ও তাঁর বোন শেখ রেহানা ১৯৭৫ সালের পর বেশ কয়েক বছর ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই সময়টাতে তাদের পিতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল।
ভারতে মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকারের সময় পররাষ্ট্রসচিবের দায়িত্ব পালন করা এবং পরে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হওয়া শিবশঙ্কর মেনন বলেছেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ভারতে আশ্রয়ের অনেক নজির আছে। আমরা সব সময় তাদের থাকার অনুমতি দিয়েছি এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা আমাদের ইচ্ছাকে সম্মান করে রাজনৈতিক কার্যকলাপ থেকে দূরে থেকেছে।’
ভারতের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে শেখ হাসিনা ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। সেখানকার রাজনীতিবিদেরা মনে করেন, শেখ হাসিনা ইসলামি উগ্রবাদ দূরীকরণে সফল। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় তাঁর বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কারণেও তাঁকে আলাদাভাবে দেখা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা আছে।
শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ অনেকেই মনে করেন, শেখ হাসিনার পতন ও ড. ইউনূসের দায়িত্ব গ্রহণ মূলত একধরনের ‘কালার রেভল্যুশন’ বা ‘শাসন পরিবর্তন’, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭১ সালে পাকিস্তানকে সমর্থন করলেও ভারতেও দেশটির বিপুল অর্থ লগ্নি আছে এবং সেই লগ্নি কেবল মোদি-ঘনিষ্ঠ বলয়েই হয়েছে এমনটা নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার দিল্লিতে অবস্থানের বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। একই সঙ্গে দিল্লির নিজস্ব পরিকল্পনা অনুসারে, আগামী দিনগুলোতে শেখ হাসিনা অবস্থানের ব্যাপারে একধরনের ঢাক গুড়গুড় থাকবে। আরও সোজা ভাষায় বললে, তাঁর অবস্থানটি ‘অদৃশ্য করার চাদর’ দিয়ে ঢেকে রাখা হবে।
এ বিষয়ে শিবশঙ্কর মেনন বলেন, ‘এগুলো অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠ হওয়ার কুফল। আর যখন বিষয়টি আমাদের প্রতিবেশীর সঙ্গে ঘটে, তখন তা আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিষয়টি এমন নয় যে, আমরা পৃথিবীর অন্য প্রান্তে থাকা কোনো দেশের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ডিল করছি।’
অনুবাদ করেছেন আব্দুর রহমান

বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। তার পর থেকেই একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরেফিরে আসছে যে, শেখ হাসিনা আসলে কোথায় অবস্থান করছেন।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন ‘গণভবনের’ দিকে যেতে থাকে। এই অবস্থায় শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিমানে করে দিল্লির নিকটস্থ গাজিয়াবাদ বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান। এরপর ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে তিনি আসলে ঠিক কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে মানুষের জল্পনা বন্ধ হয়নি।
ভারতের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, এসব সূত্রের একেকজনের বিশ্বাসযোগ্যতার মাত্রা একেক রকম—শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের একটি সেফ হাউসে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে সূত্রগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। সেখানে তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছেন তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিল্লিভিত্তিক একটি পদে দায়িত্ব পালন করছেন গত ফেব্রুয়ারি থেকে। আবার বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, শেখ হাসিনাকে তাঁর সদলবলে দিল্লির অন্যতম ধনী পার্ক লোধি গার্ডেনে হাঁটতে দেখেছেন।
বিশ্বের যেসব দেশের সরকার শেখ হাসিনার সরকারকে নিঃশর্ত সমর্থন দিয়েছে, তার মধ্যে ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকার শীর্ষে। আওয়ামী লীগ যখন বাংলাদেশের ক্ষমতায়, তখন এ বিষয়ে দিল্লি একধরনের ‘নীরবতা’ বজায় রেখেছিল। বিষয়টি মাথায় রেখে দিল্লিতে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলো বেশির ভাগই ভাবা বন্ধ করে দিয়েছে যে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তারা শেখ হাসিনার প্রথম সাক্ষাৎকার পাবে।
এর কয়েকটি কারণও আছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে এবং দেশে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় শত শত হত্যাকাণ্ডের জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করে। এ ছাড়া ভারত-বাংলাদেশের একটি বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে, যা ২০১৩ সালে হাসিনা নিজেই স্বাক্ষর করেছিলেন। এখন তত্ত্বগতভাবে এই চুক্তিকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি নতুন সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করতে চায়।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসিফ নজরুল ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, ‘ভারতের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, আমরা তাঁকে (শেখ হাসিনাকে) বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণের দাবি জানাতে পারি। তবে আপাতত, আমরা আশা করি, ভারত তাঁকে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেবে না।’ এ সময় তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনা মিথ্যা ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।
এর আগে, ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছিলেন, ‘যদি বাংলাদেশ (সরকার) তাঁকে (শেখ হাসিনা) ফেরত না নেওয়া পর্যন্ত ভারত তাঁকে রাখতে চায়, তবে শর্ত হলো তাঁকে চুপ থাকতে হবে।’ তাঁর এই মন্তব্যে ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনেকেই হতাশ হয়েছিলেন।
এই অঞ্চলের দেশত্যাগী বা পলাতক নেতাদের আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস আছে ভারতের। ১৯৫৯ সালে দালাই লামা চীনের তিব্বত থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। যদিও তিনি রাজনৈতিক বিষয়গুলো একটি বেসামরিক নির্বাসিত প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছেন, তবে সেটিও ভারতে অবস্থিত। তিব্বতের এই আধ্যাত্মিক নেতা সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে, যা চীনাদের ক্ষুব্ধ করেছে। বেইজিং ও বিশ্লেষকদের মতে, মোদি সরকারের সম্মতি ছাড়া এটি ঘটত না।
এরপর, আফগান নেতা মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহর পরিবার ১৯৯২ সালে ভারতে পালিয়ে যায়। যেখানে নাজিবুল্লাহর স্ত্রী ফাতানা নাজিব ও সন্তানেরা এখনো রয়ে গেছেন। শেখ হাসিনা নিজে ও তাঁর বোন শেখ রেহানা ১৯৭৫ সালের পর বেশ কয়েক বছর ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই সময়টাতে তাদের পিতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল।
ভারতে মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকারের সময় পররাষ্ট্রসচিবের দায়িত্ব পালন করা এবং পরে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হওয়া শিবশঙ্কর মেনন বলেছেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ভারতে আশ্রয়ের অনেক নজির আছে। আমরা সব সময় তাদের থাকার অনুমতি দিয়েছি এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা আমাদের ইচ্ছাকে সম্মান করে রাজনৈতিক কার্যকলাপ থেকে দূরে থেকেছে।’
ভারতের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে শেখ হাসিনা ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। সেখানকার রাজনীতিবিদেরা মনে করেন, শেখ হাসিনা ইসলামি উগ্রবাদ দূরীকরণে সফল। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় তাঁর বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কারণেও তাঁকে আলাদাভাবে দেখা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা আছে।
শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ অনেকেই মনে করেন, শেখ হাসিনার পতন ও ড. ইউনূসের দায়িত্ব গ্রহণ মূলত একধরনের ‘কালার রেভল্যুশন’ বা ‘শাসন পরিবর্তন’, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭১ সালে পাকিস্তানকে সমর্থন করলেও ভারতেও দেশটির বিপুল অর্থ লগ্নি আছে এবং সেই লগ্নি কেবল মোদি-ঘনিষ্ঠ বলয়েই হয়েছে এমনটা নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার দিল্লিতে অবস্থানের বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। একই সঙ্গে দিল্লির নিজস্ব পরিকল্পনা অনুসারে, আগামী দিনগুলোতে শেখ হাসিনা অবস্থানের ব্যাপারে একধরনের ঢাক গুড়গুড় থাকবে। আরও সোজা ভাষায় বললে, তাঁর অবস্থানটি ‘অদৃশ্য করার চাদর’ দিয়ে ঢেকে রাখা হবে।
এ বিষয়ে শিবশঙ্কর মেনন বলেন, ‘এগুলো অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠ হওয়ার কুফল। আর যখন বিষয়টি আমাদের প্রতিবেশীর সঙ্গে ঘটে, তখন তা আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিষয়টি এমন নয় যে, আমরা পৃথিবীর অন্য প্রান্তে থাকা কোনো দেশের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ডিল করছি।’
অনুবাদ করেছেন আব্দুর রহমান

বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। তার পর থেকেই একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরেফিরে আসছে যে, শেখ হাসিনা আসলে কোথায় অবস্থান করছেন।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন ‘গণভবনের’ দিকে যেতে থাকে। এই অবস্থায় শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিমানে করে দিল্লির নিকটস্থ গাজিয়াবাদ বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান। এরপর ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে তিনি আসলে ঠিক কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে মানুষের জল্পনা বন্ধ হয়নি।
ভারতের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, এসব সূত্রের একেকজনের বিশ্বাসযোগ্যতার মাত্রা একেক রকম—শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের একটি সেফ হাউসে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে সূত্রগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। সেখানে তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছেন তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিল্লিভিত্তিক একটি পদে দায়িত্ব পালন করছেন গত ফেব্রুয়ারি থেকে। আবার বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, শেখ হাসিনাকে তাঁর সদলবলে দিল্লির অন্যতম ধনী পার্ক লোধি গার্ডেনে হাঁটতে দেখেছেন।
বিশ্বের যেসব দেশের সরকার শেখ হাসিনার সরকারকে নিঃশর্ত সমর্থন দিয়েছে, তার মধ্যে ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকার শীর্ষে। আওয়ামী লীগ যখন বাংলাদেশের ক্ষমতায়, তখন এ বিষয়ে দিল্লি একধরনের ‘নীরবতা’ বজায় রেখেছিল। বিষয়টি মাথায় রেখে দিল্লিতে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলো বেশির ভাগই ভাবা বন্ধ করে দিয়েছে যে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তারা শেখ হাসিনার প্রথম সাক্ষাৎকার পাবে।
এর কয়েকটি কারণও আছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে এবং দেশে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় শত শত হত্যাকাণ্ডের জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করে। এ ছাড়া ভারত-বাংলাদেশের একটি বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে, যা ২০১৩ সালে হাসিনা নিজেই স্বাক্ষর করেছিলেন। এখন তত্ত্বগতভাবে এই চুক্তিকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি নতুন সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করতে চায়।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসিফ নজরুল ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, ‘ভারতের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, আমরা তাঁকে (শেখ হাসিনাকে) বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণের দাবি জানাতে পারি। তবে আপাতত, আমরা আশা করি, ভারত তাঁকে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেবে না।’ এ সময় তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনা মিথ্যা ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।
এর আগে, ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছিলেন, ‘যদি বাংলাদেশ (সরকার) তাঁকে (শেখ হাসিনা) ফেরত না নেওয়া পর্যন্ত ভারত তাঁকে রাখতে চায়, তবে শর্ত হলো তাঁকে চুপ থাকতে হবে।’ তাঁর এই মন্তব্যে ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনেকেই হতাশ হয়েছিলেন।
এই অঞ্চলের দেশত্যাগী বা পলাতক নেতাদের আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস আছে ভারতের। ১৯৫৯ সালে দালাই লামা চীনের তিব্বত থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। যদিও তিনি রাজনৈতিক বিষয়গুলো একটি বেসামরিক নির্বাসিত প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছেন, তবে সেটিও ভারতে অবস্থিত। তিব্বতের এই আধ্যাত্মিক নেতা সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে, যা চীনাদের ক্ষুব্ধ করেছে। বেইজিং ও বিশ্লেষকদের মতে, মোদি সরকারের সম্মতি ছাড়া এটি ঘটত না।
এরপর, আফগান নেতা মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহর পরিবার ১৯৯২ সালে ভারতে পালিয়ে যায়। যেখানে নাজিবুল্লাহর স্ত্রী ফাতানা নাজিব ও সন্তানেরা এখনো রয়ে গেছেন। শেখ হাসিনা নিজে ও তাঁর বোন শেখ রেহানা ১৯৭৫ সালের পর বেশ কয়েক বছর ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই সময়টাতে তাদের পিতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল।
ভারতে মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকারের সময় পররাষ্ট্রসচিবের দায়িত্ব পালন করা এবং পরে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হওয়া শিবশঙ্কর মেনন বলেছেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ভারতে আশ্রয়ের অনেক নজির আছে। আমরা সব সময় তাদের থাকার অনুমতি দিয়েছি এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা আমাদের ইচ্ছাকে সম্মান করে রাজনৈতিক কার্যকলাপ থেকে দূরে থেকেছে।’
ভারতের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে শেখ হাসিনা ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। সেখানকার রাজনীতিবিদেরা মনে করেন, শেখ হাসিনা ইসলামি উগ্রবাদ দূরীকরণে সফল। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় তাঁর বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কারণেও তাঁকে আলাদাভাবে দেখা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা আছে।
শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ অনেকেই মনে করেন, শেখ হাসিনার পতন ও ড. ইউনূসের দায়িত্ব গ্রহণ মূলত একধরনের ‘কালার রেভল্যুশন’ বা ‘শাসন পরিবর্তন’, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭১ সালে পাকিস্তানকে সমর্থন করলেও ভারতেও দেশটির বিপুল অর্থ লগ্নি আছে এবং সেই লগ্নি কেবল মোদি-ঘনিষ্ঠ বলয়েই হয়েছে এমনটা নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার দিল্লিতে অবস্থানের বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। একই সঙ্গে দিল্লির নিজস্ব পরিকল্পনা অনুসারে, আগামী দিনগুলোতে শেখ হাসিনা অবস্থানের ব্যাপারে একধরনের ঢাক গুড়গুড় থাকবে। আরও সোজা ভাষায় বললে, তাঁর অবস্থানটি ‘অদৃশ্য করার চাদর’ দিয়ে ঢেকে রাখা হবে।
এ বিষয়ে শিবশঙ্কর মেনন বলেন, ‘এগুলো অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠ হওয়ার কুফল। আর যখন বিষয়টি আমাদের প্রতিবেশীর সঙ্গে ঘটে, তখন তা আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিষয়টি এমন নয় যে, আমরা পৃথিবীর অন্য প্রান্তে থাকা কোনো দেশের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ডিল করছি।’
অনুবাদ করেছেন আব্দুর রহমান

প্রবাসীদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩১৯ জন নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া কাতারে ৫১ হাজার ৫৮২ জন, ওমানে ৩৭ হাজার ৭৫৫ জন, মালয়েশিয়ায় ৩৫ হাজার ৪৬৭ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৬ হাজার ৪১৮ জন, যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ হাজার ৮০২ জন, কুয়েতে ১৯ হাজার ৬৭৯ জন, যুক্তরাজ্যে ১৮ হাজার ৪৭৯ জন, সিঙ্গাপুরে...
১৭ মিনিট আগে
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, নিষিদ্ধ বা অবৈধ দ্রব্য বহনের আশঙ্কা দেখা দিলে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের লাগেজ তল্লাশিকালে প্রয়োজনে তালা ভাঙা, চেইন কাটা বা লাগেজের...
১ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে জাতীয় কমিটির নেতারা বলেন, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় আকস্মিক ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির কারণে এসব রুটের নিয়মিত যাত্রীদের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তিন বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার দুপুর ১২টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এই বৈঠক শুরু হয়।
৩ ঘণ্টা আগেবাসস, ঢাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটাধিকার প্রয়োগের লক্ষ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৮৫৯ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ও নিজ ভোটার এলাকার বাইরে অবস্থানরত সরকারি চাকরিজীবীরাও ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করছেন।
আজ রোববার বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টাল ভোটিং আপডেট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপটির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৮৫৯ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে ৫ লাখ ২৩ হাজার ২৩৮ জন পুরুষ ও ৩৪ হাজার ৬১৯ জন নারী রয়েছেন।
প্রবাসীদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩১৯ জন নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া কাতারে ৫১ হাজার ৫৮২ জন, ওমানে ৩৭ হাজার ৭৫৫ জন, মালয়েশিয়ায় ৩৫ হাজার ৪৬৭ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৬ হাজার ৪১৮ জন, যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ হাজার ৮০২ জন, কুয়েতে ১৯ হাজার ৬৭৯ জন, যুক্তরাজ্যে ১৮ হাজার ৪৭৯ জন, সিঙ্গাপুরে ১৭ হাজার ৫৯ জন, ইতালিতে ১৩ হাজার ৬৯২ জন ও কানাডায় ১১ হাজার ১১১ জন নিবন্ধন করেছেন।
অপরদিকে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে আজ বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দেশে অবস্থানরত ৮৩ হাজার ৮২ জন বাংলাদেশি ভোটার ইন কান্ট্রি পোস্টাল ভোট এই ক্যাটাগরিতে নিবন্ধন করেছেন।
জেলা অনুযায়ী নিবন্ধন: ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ কুমিল্লা জেলায় ৫৬ হাজার ৮৮৯ জন। এছাড়া ঢাকা জেলায় ৪৮ হাজার ২৫৪ জন, চট্টগ্রামে ৪৭ হাজার ৩৩৯ জন, নোয়াখালীতে ৩২ হাজার ৭৪৫ জন, সিলেটে ২৩ হাজার ৫৯৫ জন ও চাঁদপুর ২২ হাজার ৩০৫ ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
নির্বাচনী আসন অনুযায়ী নিবন্ধন: অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফেনী-৩ আসনে ৮ হাজার ৭৯২ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ৮ হাজার ৭৫ জন, নোয়াখালী-১ আসনে ৭ হাজার ৭৫৭ জন, কুমিল্লা-১০ আসনে ৭ হাজার ৬৪৩ জন ও নোয়াখালী-৩ আসনে ৭ হাজার ২৯০ জন ভোটার পোস্টাল ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন।
প্রবাসীদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু: জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে ভোটাধিকার প্রয়োগের লক্ষ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসী ভোটারদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গতকাল শনিবার ও শুক্রবার সন্ধ্যায় মোট ১০টি দেশের ৪১ হাজার ৫৪৩ জন প্রবাসী ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে বলে বাসসকে নিশ্চিত করেছেন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনবিষয়ক আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান।
তিনি বলেন, গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু হয়েছে। সেদিন তিন দেশে এবং পরদিন সাত দেশে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
সালীম আহমাদ খান বলেন, আগামী ২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেবে ইসি। প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হলে অ্যাপের মাধ্যমে অথবা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে ভোটাররা তা জানতে পারবেন। ভোট দেওয়ার জন্য ভোটাররা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে লগইন করে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থীদের তালিকা দেখতে পাবেন এবং নির্দেশিকাতে প্রদত্ত পদ্ধতিতে ব্যালট পেপারে প্রতীকের পাশে ফাঁকা ঘরে টিক চিহ্ন বা ক্রস চিহ্ন দিবেন।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের কেউ যদি (আগে থেকে প্রার্থীর বিষয় নিশ্চিত হয়ে) প্রতীক বরাদ্দের আগে ভোট দেন, তাহলে সেক্ষেত্রে তার ভোট বাতিল হবে না। তবে নিয়ম অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর প্রার্থী দেখে ভোট দেবেন প্রবাসীরা।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এই তিন দেশের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ৮৯২টি, যুক্তরাজ্যে ৫৭৩টি ও মালয়েশিয়ায় ৬ হাজার ২৪৬টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মোট সাতটি দেশে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এই সাত দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৮ হাজার ৪৮০টি, চীনে ৬৮১টি, কুয়েতে ১ হাজার ৩১০টি, কাতারে ২ হাজার ৭৩৭টি, সৌদি আরবে ৭ হাজার ৩৪৩টি, জাপানে ৫ হাজার ৬০০টি এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭ হাজার ৬৮১টি।
নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিতদের নিবন্ধন ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বর: জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এক বার্তায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বরে মধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করুন।
আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের নিবন্ধন ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর: ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর নিবন্ধন করতে বলেছে নির্বাচন কমিশন।
এ বিষয়ে ইসির বার্তায় বলা হয়, জাতীয় নির্বাচনে আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করুন।
ইসির অপর এক বার্তায় বলা হয়, ‘পোস্টাল ব্যালট পেতে হলে পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে নিবন্ধনের সময় আপনার অবস্থানকালীন দেশের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী সঠিক ঠিকানা দিন। প্রয়োজনে কর্মস্থল অথবা পরিচিত জনের ঠিকানা দিন। সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ছাড়া পোস্টাল ব্যালট পেপার ভোটারদের কাছে পাঠানো সম্ভব হবে না।’
এ দিকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব খাতের সব কর্মকর্তা/কর্মচারী যারা সরকারি দায়িত্ব পালনের কারণে নিজ ভোটার এলাকার বাইরে অবস্থান করছেন, তাদের আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে (আইসিপিলি) ভোট দিতে ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবশ্যিকভাবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছে ইসি।
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত: নিজ ভোটার এলাকার বাইরে অবস্থানরত সরকারি চাকরিজীবীরা তফসিল ঘোষণার পর থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।
এ বিষয়ে ইসির এক বার্তায় বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবী ও আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা ইন কান্ট্রি পোস্টাল ভোটের (আইসিপিভি) মাধ্যমে আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।
গত ১৮ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ উদ্বোধন করেন এবং ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের জন্য ১৪৮টি নির্দিষ্ট দেশে ভোটার নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করেন।
পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে প্রবাসী ভোটারকে অবশ্যই যেখান থেকে ভোট দেবেন, সে দেশের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে।
নিবন্ধনের জন্য প্রথমে গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটাধিকার প্রয়োগের লক্ষ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৮৫৯ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ও নিজ ভোটার এলাকার বাইরে অবস্থানরত সরকারি চাকরিজীবীরাও ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করছেন।
আজ রোববার বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টাল ভোটিং আপডেট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপটির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৮৫৯ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে ৫ লাখ ২৩ হাজার ২৩৮ জন পুরুষ ও ৩৪ হাজার ৬১৯ জন নারী রয়েছেন।
প্রবাসীদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩১৯ জন নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া কাতারে ৫১ হাজার ৫৮২ জন, ওমানে ৩৭ হাজার ৭৫৫ জন, মালয়েশিয়ায় ৩৫ হাজার ৪৬৭ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৬ হাজার ৪১৮ জন, যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ হাজার ৮০২ জন, কুয়েতে ১৯ হাজার ৬৭৯ জন, যুক্তরাজ্যে ১৮ হাজার ৪৭৯ জন, সিঙ্গাপুরে ১৭ হাজার ৫৯ জন, ইতালিতে ১৩ হাজার ৬৯২ জন ও কানাডায় ১১ হাজার ১১১ জন নিবন্ধন করেছেন।
অপরদিকে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে আজ বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দেশে অবস্থানরত ৮৩ হাজার ৮২ জন বাংলাদেশি ভোটার ইন কান্ট্রি পোস্টাল ভোট এই ক্যাটাগরিতে নিবন্ধন করেছেন।
জেলা অনুযায়ী নিবন্ধন: ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ কুমিল্লা জেলায় ৫৬ হাজার ৮৮৯ জন। এছাড়া ঢাকা জেলায় ৪৮ হাজার ২৫৪ জন, চট্টগ্রামে ৪৭ হাজার ৩৩৯ জন, নোয়াখালীতে ৩২ হাজার ৭৪৫ জন, সিলেটে ২৩ হাজার ৫৯৫ জন ও চাঁদপুর ২২ হাজার ৩০৫ ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
নির্বাচনী আসন অনুযায়ী নিবন্ধন: অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফেনী-৩ আসনে ৮ হাজার ৭৯২ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ৮ হাজার ৭৫ জন, নোয়াখালী-১ আসনে ৭ হাজার ৭৫৭ জন, কুমিল্লা-১০ আসনে ৭ হাজার ৬৪৩ জন ও নোয়াখালী-৩ আসনে ৭ হাজার ২৯০ জন ভোটার পোস্টাল ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন।
প্রবাসীদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু: জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে ভোটাধিকার প্রয়োগের লক্ষ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসী ভোটারদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গতকাল শনিবার ও শুক্রবার সন্ধ্যায় মোট ১০টি দেশের ৪১ হাজার ৫৪৩ জন প্রবাসী ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে বলে বাসসকে নিশ্চিত করেছেন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনবিষয়ক আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান।
তিনি বলেন, গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু হয়েছে। সেদিন তিন দেশে এবং পরদিন সাত দেশে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
সালীম আহমাদ খান বলেন, আগামী ২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেবে ইসি। প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হলে অ্যাপের মাধ্যমে অথবা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে ভোটাররা তা জানতে পারবেন। ভোট দেওয়ার জন্য ভোটাররা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে লগইন করে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থীদের তালিকা দেখতে পাবেন এবং নির্দেশিকাতে প্রদত্ত পদ্ধতিতে ব্যালট পেপারে প্রতীকের পাশে ফাঁকা ঘরে টিক চিহ্ন বা ক্রস চিহ্ন দিবেন।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের কেউ যদি (আগে থেকে প্রার্থীর বিষয় নিশ্চিত হয়ে) প্রতীক বরাদ্দের আগে ভোট দেন, তাহলে সেক্ষেত্রে তার ভোট বাতিল হবে না। তবে নিয়ম অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর প্রার্থী দেখে ভোট দেবেন প্রবাসীরা।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এই তিন দেশের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ৮৯২টি, যুক্তরাজ্যে ৫৭৩টি ও মালয়েশিয়ায় ৬ হাজার ২৪৬টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মোট সাতটি দেশে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এই সাত দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৮ হাজার ৪৮০টি, চীনে ৬৮১টি, কুয়েতে ১ হাজার ৩১০টি, কাতারে ২ হাজার ৭৩৭টি, সৌদি আরবে ৭ হাজার ৩৪৩টি, জাপানে ৫ হাজার ৬০০টি এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭ হাজার ৬৮১টি।
নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিতদের নিবন্ধন ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বর: জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এক বার্তায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বরে মধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করুন।
আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের নিবন্ধন ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর: ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর নিবন্ধন করতে বলেছে নির্বাচন কমিশন।
এ বিষয়ে ইসির বার্তায় বলা হয়, জাতীয় নির্বাচনে আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করুন।
ইসির অপর এক বার্তায় বলা হয়, ‘পোস্টাল ব্যালট পেতে হলে পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে নিবন্ধনের সময় আপনার অবস্থানকালীন দেশের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী সঠিক ঠিকানা দিন। প্রয়োজনে কর্মস্থল অথবা পরিচিত জনের ঠিকানা দিন। সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ছাড়া পোস্টাল ব্যালট পেপার ভোটারদের কাছে পাঠানো সম্ভব হবে না।’
এ দিকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব খাতের সব কর্মকর্তা/কর্মচারী যারা সরকারি দায়িত্ব পালনের কারণে নিজ ভোটার এলাকার বাইরে অবস্থান করছেন, তাদের আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে (আইসিপিলি) ভোট দিতে ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবশ্যিকভাবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছে ইসি।
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত: নিজ ভোটার এলাকার বাইরে অবস্থানরত সরকারি চাকরিজীবীরা তফসিল ঘোষণার পর থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।
এ বিষয়ে ইসির এক বার্তায় বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবী ও আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা ইন কান্ট্রি পোস্টাল ভোটের (আইসিপিভি) মাধ্যমে আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।
গত ১৮ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ উদ্বোধন করেন এবং ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের জন্য ১৪৮টি নির্দিষ্ট দেশে ভোটার নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করেন।
পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে প্রবাসী ভোটারকে অবশ্যই যেখান থেকে ভোট দেবেন, সে দেশের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে।
নিবন্ধনের জন্য প্রথমে গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে হবে।

শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের একটি সেফ হাউসে অবস্থান করছেন। এই বিষয়ে, সূত্রগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। সেখানে তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছেন তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিল্লিভিত্তিক একটি পদে দায়িত্ব পালন করছেন গত ফেব্রুয়ারি থেকে। আবার বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, শেখ হ
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, নিষিদ্ধ বা অবৈধ দ্রব্য বহনের আশঙ্কা দেখা দিলে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের লাগেজ তল্লাশিকালে প্রয়োজনে তালা ভাঙা, চেইন কাটা বা লাগেজের...
১ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে জাতীয় কমিটির নেতারা বলেন, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় আকস্মিক ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির কারণে এসব রুটের নিয়মিত যাত্রীদের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তিন বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার দুপুর ১২টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এই বৈঠক শুরু হয়।
৩ ঘণ্টা আগেবিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রীসেবা ও লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, নিষিদ্ধ বা অবৈধ দ্রব্য বহনের আশঙ্কা দেখা দিলে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের লাগেজ তল্লাশিকালে প্রয়োজনে তালা ভাঙা, চেইন কাটা বা লাগেজের কোনো অংশ কর্তন করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে যাত্রী বা এয়ারলাইনসের পূর্বানুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
তবে বাস্তবতায় দেখা যায়, বিদেশ থেকে আগত অনেক যাত্রী এ ধরনের লাগেজ ক্ষতির দায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কিংবা বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ওপর আরোপ করে থাকেন। পাশাপাশি কিছু অসাধু চক্রের এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে যাত্রীদের সম্পত্তি সুরক্ষা, লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা এবং দায়ী স্টেশন বা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার লক্ষ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আজ রোববার থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত প্রতিটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের লাগেজ ওঠানামা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার কার্যকর করেছে।
বিমান কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, যাত্রীদের মালপত্র সুরক্ষা জোরদার করতে ২০২৪ সালের জুন মাস থেকে বিমানের নিজস্ব ফ্লাইটের ব্যাগেজ ডেলিভারি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দেহে বডি ওর্ন ক্যামেরা সংযুক্ত করা হয়। এই উদ্যোগে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় বর্তমানে বিমানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা গ্রহণকারী সব আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনকেও এই ক্যামেরাভিত্তিক নিরাপত্তা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
আজ এই সম্প্রসারিত কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালক (গ্রাহকসেবা) ও যুগ্মসচিব বদরুল হাসান লিটন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাদের যাত্রীদের সম্পত্তি ও সেবার গুণগত মান রক্ষায় আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। বডি ওর্ন ক্যামেরা প্রযুক্তির সম্প্রসারণ লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে। এটি যাত্রীদের আস্থা বৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের কর্মীদের পেশাদারত্বকে আরও উজ্জ্বল করবে।’
বদরুল হাসান বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিমানের সার্বিক যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে কর্তৃপক্ষ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রীসেবা ও লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, নিষিদ্ধ বা অবৈধ দ্রব্য বহনের আশঙ্কা দেখা দিলে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের লাগেজ তল্লাশিকালে প্রয়োজনে তালা ভাঙা, চেইন কাটা বা লাগেজের কোনো অংশ কর্তন করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে যাত্রী বা এয়ারলাইনসের পূর্বানুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
তবে বাস্তবতায় দেখা যায়, বিদেশ থেকে আগত অনেক যাত্রী এ ধরনের লাগেজ ক্ষতির দায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কিংবা বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ওপর আরোপ করে থাকেন। পাশাপাশি কিছু অসাধু চক্রের এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে যাত্রীদের সম্পত্তি সুরক্ষা, লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা এবং দায়ী স্টেশন বা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার লক্ষ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আজ রোববার থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত প্রতিটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের লাগেজ ওঠানামা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার কার্যকর করেছে।
বিমান কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, যাত্রীদের মালপত্র সুরক্ষা জোরদার করতে ২০২৪ সালের জুন মাস থেকে বিমানের নিজস্ব ফ্লাইটের ব্যাগেজ ডেলিভারি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দেহে বডি ওর্ন ক্যামেরা সংযুক্ত করা হয়। এই উদ্যোগে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় বর্তমানে বিমানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা গ্রহণকারী সব আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনকেও এই ক্যামেরাভিত্তিক নিরাপত্তা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
আজ এই সম্প্রসারিত কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালক (গ্রাহকসেবা) ও যুগ্মসচিব বদরুল হাসান লিটন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাদের যাত্রীদের সম্পত্তি ও সেবার গুণগত মান রক্ষায় আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। বডি ওর্ন ক্যামেরা প্রযুক্তির সম্প্রসারণ লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে। এটি যাত্রীদের আস্থা বৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের কর্মীদের পেশাদারত্বকে আরও উজ্জ্বল করবে।’
বদরুল হাসান বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিমানের সার্বিক যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে কর্তৃপক্ষ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।

শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের একটি সেফ হাউসে অবস্থান করছেন। এই বিষয়ে, সূত্রগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। সেখানে তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছেন তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিল্লিভিত্তিক একটি পদে দায়িত্ব পালন করছেন গত ফেব্রুয়ারি থেকে। আবার বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, শেখ হ
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রবাসীদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩১৯ জন নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া কাতারে ৫১ হাজার ৫৮২ জন, ওমানে ৩৭ হাজার ৭৫৫ জন, মালয়েশিয়ায় ৩৫ হাজার ৪৬৭ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৬ হাজার ৪১৮ জন, যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ হাজার ৮০২ জন, কুয়েতে ১৯ হাজার ৬৭৯ জন, যুক্তরাজ্যে ১৮ হাজার ৪৭৯ জন, সিঙ্গাপুরে...
১৭ মিনিট আগে
বিবৃতিতে জাতীয় কমিটির নেতারা বলেন, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় আকস্মিক ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির কারণে এসব রুটের নিয়মিত যাত্রীদের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তিন বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার দুপুর ১২টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এই বৈঠক শুরু হয়।
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাষ্ট্রীয় গণপরিবহন ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।
আজ রোববার সংগঠনের সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, রেল কর্তৃপক্ষ ঢাকা-কক্সবাজারসহ পূর্বাঞ্চর রেলের ছয় রুটে ট্রেনের ভাড়া বাড়িয়েছে, যা গতকাল শনিবার থেকে কার্যকর হয়েছে।
বিভিন্ন রেলসেতুর মাশুল বাড়িয়ে পূর্বাঞ্চল রেলের যাত্রীদের ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘হঠকারী’ উল্লেখ করে নাগরিক সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, এ নিয়ে ছয় রুটে গত ১৩ বছরে পাঁচ দফা ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।
বিবৃতিতে জাতীয় কমিটির নেতারা বলেন, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় আকস্মিক ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির কারণে এসব রুটের নিয়মিত যাত্রীদের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।

রাষ্ট্রীয় গণপরিবহন ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।
আজ রোববার সংগঠনের সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, রেল কর্তৃপক্ষ ঢাকা-কক্সবাজারসহ পূর্বাঞ্চর রেলের ছয় রুটে ট্রেনের ভাড়া বাড়িয়েছে, যা গতকাল শনিবার থেকে কার্যকর হয়েছে।
বিভিন্ন রেলসেতুর মাশুল বাড়িয়ে পূর্বাঞ্চল রেলের যাত্রীদের ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘হঠকারী’ উল্লেখ করে নাগরিক সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, এ নিয়ে ছয় রুটে গত ১৩ বছরে পাঁচ দফা ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।
বিবৃতিতে জাতীয় কমিটির নেতারা বলেন, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় আকস্মিক ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির কারণে এসব রুটের নিয়মিত যাত্রীদের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।

শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের একটি সেফ হাউসে অবস্থান করছেন। এই বিষয়ে, সূত্রগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। সেখানে তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছেন তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিল্লিভিত্তিক একটি পদে দায়িত্ব পালন করছেন গত ফেব্রুয়ারি থেকে। আবার বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, শেখ হ
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রবাসীদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩১৯ জন নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া কাতারে ৫১ হাজার ৫৮২ জন, ওমানে ৩৭ হাজার ৭৫৫ জন, মালয়েশিয়ায় ৩৫ হাজার ৪৬৭ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৬ হাজার ৪১৮ জন, যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ হাজার ৮০২ জন, কুয়েতে ১৯ হাজার ৬৭৯ জন, যুক্তরাজ্যে ১৮ হাজার ৪৭৯ জন, সিঙ্গাপুরে...
১৭ মিনিট আগে
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, নিষিদ্ধ বা অবৈধ দ্রব্য বহনের আশঙ্কা দেখা দিলে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের লাগেজ তল্লাশিকালে প্রয়োজনে তালা ভাঙা, চেইন কাটা বা লাগেজের...
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তিন বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার দুপুর ১২টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এই বৈঠক শুরু হয়।
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তিন বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ রোববার দুপুর ১২টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত রয়েছেন। ভোটের তফসিল ঘোষণার পর তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের এটি প্রথম সাক্ষাৎ।
বৈঠকে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত রয়েছেন। নির্বাচন ভবনে পৌঁছালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ তিন বাহিনীর প্রধানদের আলাদাভাবে অভ্যর্থনা জানান।
বৈঠকে ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা হতে পারে।
এদিকে আজ বেলা আড়াইটায় নির্বাচন ভবনের সম্মেলনকক্ষে সিইসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় সভায় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান বা তাঁদের উপযুক্ত প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), এনএসআই, ডিজিএফআই, কোস্ট গার্ড, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার উপস্থিত থাকবেন।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, দুপুর ১২টায় তিন বাহিনীর প্রধানেরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বেলা আড়াইটায় আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা শেষে বেসমেন্টে গণমাধ্যমে এ বিষয়ে ব্রিফিং করা হবে।

সভার আলোচ্যসূচির মধ্যে রয়েছে নির্বাচন-পূর্ব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধে যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের জন্য প্রণীত আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী আচরণবিধি প্রতিপালন এবং নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি পর্যালোচনা এবং বিবিধ বিষয়ে আলোচনা হবে।


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তিন বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ রোববার দুপুর ১২টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত রয়েছেন। ভোটের তফসিল ঘোষণার পর তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের এটি প্রথম সাক্ষাৎ।
বৈঠকে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত রয়েছেন। নির্বাচন ভবনে পৌঁছালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ তিন বাহিনীর প্রধানদের আলাদাভাবে অভ্যর্থনা জানান।
বৈঠকে ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা হতে পারে।
এদিকে আজ বেলা আড়াইটায় নির্বাচন ভবনের সম্মেলনকক্ষে সিইসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় সভায় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান বা তাঁদের উপযুক্ত প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), এনএসআই, ডিজিএফআই, কোস্ট গার্ড, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার উপস্থিত থাকবেন।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, দুপুর ১২টায় তিন বাহিনীর প্রধানেরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বেলা আড়াইটায় আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা শেষে বেসমেন্টে গণমাধ্যমে এ বিষয়ে ব্রিফিং করা হবে।

সভার আলোচ্যসূচির মধ্যে রয়েছে নির্বাচন-পূর্ব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধে যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের জন্য প্রণীত আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী আচরণবিধি প্রতিপালন এবং নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি পর্যালোচনা এবং বিবিধ বিষয়ে আলোচনা হবে।


শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের একটি সেফ হাউসে অবস্থান করছেন। এই বিষয়ে, সূত্রগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। সেখানে তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছেন তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিল্লিভিত্তিক একটি পদে দায়িত্ব পালন করছেন গত ফেব্রুয়ারি থেকে। আবার বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, শেখ হ
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রবাসীদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩১৯ জন নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া কাতারে ৫১ হাজার ৫৮২ জন, ওমানে ৩৭ হাজার ৭৫৫ জন, মালয়েশিয়ায় ৩৫ হাজার ৪৬৭ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৬ হাজার ৪১৮ জন, যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ হাজার ৮০২ জন, কুয়েতে ১৯ হাজার ৬৭৯ জন, যুক্তরাজ্যে ১৮ হাজার ৪৭৯ জন, সিঙ্গাপুরে...
১৭ মিনিট আগে
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, নিষিদ্ধ বা অবৈধ দ্রব্য বহনের আশঙ্কা দেখা দিলে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের লাগেজ তল্লাশিকালে প্রয়োজনে তালা ভাঙা, চেইন কাটা বা লাগেজের...
১ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে জাতীয় কমিটির নেতারা বলেন, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় আকস্মিক ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির কারণে এসব রুটের নিয়মিত যাত্রীদের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।
১ ঘণ্টা আগে