নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নওগাঁ-২ আসনে আগামীকাল সোমবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচন উপলক্ষে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. শহীদুজ্জামান সরকার, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী এইচএম আখতারুল আলম ও মো. মেহেদী মাহমুদ রেজা।
ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, নির্বাচনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে ১২৪টি ভোটকেন্দ্রের ৭০৬টি ভোটকক্ষে ৩ লাখ ৫৬ হাজার ১৩২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় সাধারণ কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও ব্যাটালিয়ন আনসারসহ ১৬ জনের ফোর্স নিয়োজিত রাখা হয়েছে। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিয়োজিত থাকবে ১৭ জনের ফোর্স।
এ ছাড়া ভোটের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়োজিত রয়েছে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের ৩১টি মোবাইল ও সাতটি স্ট্রাইকিং ফোর্স। দায়িত্ব পালন করছে র্যাবের ৪টি টিম ও ৮ প্লাটুন বিজিবি। সেই সঙ্গে ৮ জন নির্বাহী ও দুজন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটও দায়িত্ব পালন করছেন।
গত ৭ জানুয়ারি এই আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে একজন বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়ায় ভোটের প্রক্রিয়া বাতিল করে পরবর্তীতে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে কমিশন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নওগাঁ-২ আসনে আগামীকাল সোমবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচন উপলক্ষে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. শহীদুজ্জামান সরকার, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী এইচএম আখতারুল আলম ও মো. মেহেদী মাহমুদ রেজা।
ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, নির্বাচনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে ১২৪টি ভোটকেন্দ্রের ৭০৬টি ভোটকক্ষে ৩ লাখ ৫৬ হাজার ১৩২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় সাধারণ কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও ব্যাটালিয়ন আনসারসহ ১৬ জনের ফোর্স নিয়োজিত রাখা হয়েছে। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিয়োজিত থাকবে ১৭ জনের ফোর্স।
এ ছাড়া ভোটের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়োজিত রয়েছে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের ৩১টি মোবাইল ও সাতটি স্ট্রাইকিং ফোর্স। দায়িত্ব পালন করছে র্যাবের ৪টি টিম ও ৮ প্লাটুন বিজিবি। সেই সঙ্গে ৮ জন নির্বাহী ও দুজন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটও দায়িত্ব পালন করছেন।
গত ৭ জানুয়ারি এই আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে একজন বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়ায় ভোটের প্রক্রিয়া বাতিল করে পরবর্তীতে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে কমিশন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
১২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১৩ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
১৪ ঘণ্টা আগে