নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘সংসদে বঙ্গবন্ধু’ ও ‘মুজিববর্ষ বিশেষ অধিবেশন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের কার্যোপদেষ্টা কমিটির দ্বাদশ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বই দুটির মোড়ক উন্মোচন করেন। কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
মোড়ক উন্মোচনের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়ের পর ক্ষমতা না দেওয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা অর্জিত হয়। স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই বঙ্গবন্ধু জাতিকে উপহার দেন সংবিধান। এরপর, ৭ মার্চ ১৯৭৩-এ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান—এটা বিশ্বে বিরল।’
জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তির ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন ৯ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। ৭ এপ্রিল বেলা ৩টায় এবং ৮ ও ৯ এপ্রিল সকাল ১০টায় অধিবেশন শুরু হবে। উল্লেখ্য, এই অধিবেশনে ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৭ এপ্রিল বেলা ৩টা ১৫ মিনিটে স্মারক বক্তৃতা দেবেন।
বৈঠকে জানানো হয়, এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ২০টি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৪৯টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৯টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে এবং বিধি-৭১-এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ৩৫টি। অধিবেশনে উত্থাপনের জন্য আটটি সরকারি বিলের নোটিশ পাওয়া গেছে। গত অধিবেশনে অনিষ্পন্ন ৯টি বিলসহ ১৭টি বিলের মধ্যে কমিটিতে পরীক্ষাধীন সাতটি, পাসের অপেক্ষায় একটি ও উত্থাপনের অপেক্ষায় ৯টি। বেসরকারি সদস্যদের বিলের কোনো নোটিশ পাওয়া যায়নি।
বৈঠকে কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, আমির হোসেন আমু, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ওবায়দুল কাদের, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, আনিসুল হক, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী অংশ নেন।

‘সংসদে বঙ্গবন্ধু’ ও ‘মুজিববর্ষ বিশেষ অধিবেশন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের কার্যোপদেষ্টা কমিটির দ্বাদশ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বই দুটির মোড়ক উন্মোচন করেন। কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
মোড়ক উন্মোচনের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়ের পর ক্ষমতা না দেওয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা অর্জিত হয়। স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই বঙ্গবন্ধু জাতিকে উপহার দেন সংবিধান। এরপর, ৭ মার্চ ১৯৭৩-এ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান—এটা বিশ্বে বিরল।’
জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তির ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন ৯ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। ৭ এপ্রিল বেলা ৩টায় এবং ৮ ও ৯ এপ্রিল সকাল ১০টায় অধিবেশন শুরু হবে। উল্লেখ্য, এই অধিবেশনে ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৭ এপ্রিল বেলা ৩টা ১৫ মিনিটে স্মারক বক্তৃতা দেবেন।
বৈঠকে জানানো হয়, এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ২০টি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৪৯টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৯টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে এবং বিধি-৭১-এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ৩৫টি। অধিবেশনে উত্থাপনের জন্য আটটি সরকারি বিলের নোটিশ পাওয়া গেছে। গত অধিবেশনে অনিষ্পন্ন ৯টি বিলসহ ১৭টি বিলের মধ্যে কমিটিতে পরীক্ষাধীন সাতটি, পাসের অপেক্ষায় একটি ও উত্থাপনের অপেক্ষায় ৯টি। বেসরকারি সদস্যদের বিলের কোনো নোটিশ পাওয়া যায়নি।
বৈঠকে কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, আমির হোসেন আমু, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ওবায়দুল কাদের, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, আনিসুল হক, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী অংশ নেন।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশ অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ ও ২ আসনের নতুন তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতেই ভোট হবে। তবে অন্যান্য বিষয়ের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদির ভাই ওমর বিন হাদিকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
৩ ঘণ্টা আগে
আদিলুর রহমান খান বলেন, এত দিন যে অন্যায় হয়েছে, সেই অন্যায় আর হতে দেওয়া হবে না। গণ-অভ্যুত্থানের সরকারের উদ্যোগে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। সেই সনদের বিষয়ে সবার সম্মতি নিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘যাঁরা বাংলাদেশকে বদলাতে চান, বাংলাদেশকে সমৃদ্ধিশালী করতে চান...
৪ ঘণ্টা আগে
গণভোট নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘যাঁরা গণভোট নিয়ে সমালোচনা করছেন, তাঁদের জানার পরিধি কম। কারণ, পৃথিবীর যে সমস্ত দেশে গণভোট হয়েছে, সেখানে সরকার গণভোটে হ্যাঁ অথবা না-এর পক্ষ নিয়ে থাকে। যেহেতু এই সরকার সংস্কারের পক্ষে, তাই হ্যাঁ ভোটের পক্ষে কথা বলছে।
৪ ঘণ্টা আগে