বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

সৌদিতে যাওয়ার জন্য মেনিনজাইটিসের টিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ওমরাহ বা পবিত্র হজ পালনে এবং ভিজিট ভিসায় সৌদি আরবগামী যাত্রীদের বিমানবন্দরে এই টিকার সনদ দেখাতে হবে এবং ভ্রমণকালে তা সঙ্গে রাখতে হবে।
সৌদি আরবগামী যাত্রীদের জন্য এই নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। সৌদি আরব সরকারের নতুন নির্দেশনার আলোকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে। সৌদি আরবের সিভিল এভিয়েশন দপ্তর এরই মধ্যে দেশটিতে ফ্লাইট পরিচালনাকারী সব এয়ারলাইনসকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক কামরুল ইসলাম গতকাল সোমবার দেশের সব এয়ারলাইনস এবং বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এই নির্দেশনার বিষয়ে চিঠি দেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যাঁরা ওমরাহ বা হজ করতে অথবা ভিজিট ভিসায় সৌদি আরবে যাবেন, তাঁদের সবার জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। সৌদি আরবে যাওয়ার কমপক্ষে ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিসের টিকা নিতে হবে। ভ্রমণের সময় সেই টিকা নেওয়ার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে। এক বছরের নিচের শিশুদের এই টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। কেউ যদি গত তিন বছরের মধ্যে টিকা নিয়ে থাকেন, তাহলে সৌদি আরবে প্রবেশে তাঁকে নতুন করে টিকা দিতে হবে না।
এই টিকা ছাড়াও কয়েকটি দেশের ওমরাহ যাত্রীদের করোনাভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, পীতজ্বর ও পোলিওর টিকা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, আফগানিস্তানের যাত্রীদের জন্য পোলিও এবং অ্যাঙ্গোলা, কঙ্গো, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়ার যাত্রীদের জন্য পীতজ্বরের টিকা বিশেষভাবে বাধ্যতামূলক।
চীনসহ পাশের দেশগুলোতে আতঙ্ক ছড়ানো হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) এরই মধ্যে বাংলাদেশে শনাক্ত হয়েছে। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার নির্দেশনা অনুযায়ী ১৩ জানুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিশেষ নির্দেশনায় এইচএমপিভির বিষয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
বিমানবন্দরের যাত্রী, কর্মী ও দর্শনার্থীদের সবাইকে মুখে মাস্ক রাখা এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়েছে। যদি কারও জ্বর, কাশি, শ্বাস ছোট হওয়ার মতো এইচএমপিভির লক্ষণ দেখা দেয়, সে ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দরের হেলথ সার্ভিসে জানাতে বলা হয়েছে।

সৌদিতে যাওয়ার জন্য মেনিনজাইটিসের টিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ওমরাহ বা পবিত্র হজ পালনে এবং ভিজিট ভিসায় সৌদি আরবগামী যাত্রীদের বিমানবন্দরে এই টিকার সনদ দেখাতে হবে এবং ভ্রমণকালে তা সঙ্গে রাখতে হবে।
সৌদি আরবগামী যাত্রীদের জন্য এই নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। সৌদি আরব সরকারের নতুন নির্দেশনার আলোকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে। সৌদি আরবের সিভিল এভিয়েশন দপ্তর এরই মধ্যে দেশটিতে ফ্লাইট পরিচালনাকারী সব এয়ারলাইনসকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক কামরুল ইসলাম গতকাল সোমবার দেশের সব এয়ারলাইনস এবং বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এই নির্দেশনার বিষয়ে চিঠি দেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যাঁরা ওমরাহ বা হজ করতে অথবা ভিজিট ভিসায় সৌদি আরবে যাবেন, তাঁদের সবার জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। সৌদি আরবে যাওয়ার কমপক্ষে ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিসের টিকা নিতে হবে। ভ্রমণের সময় সেই টিকা নেওয়ার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে। এক বছরের নিচের শিশুদের এই টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। কেউ যদি গত তিন বছরের মধ্যে টিকা নিয়ে থাকেন, তাহলে সৌদি আরবে প্রবেশে তাঁকে নতুন করে টিকা দিতে হবে না।
এই টিকা ছাড়াও কয়েকটি দেশের ওমরাহ যাত্রীদের করোনাভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, পীতজ্বর ও পোলিওর টিকা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, আফগানিস্তানের যাত্রীদের জন্য পোলিও এবং অ্যাঙ্গোলা, কঙ্গো, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়ার যাত্রীদের জন্য পীতজ্বরের টিকা বিশেষভাবে বাধ্যতামূলক।
চীনসহ পাশের দেশগুলোতে আতঙ্ক ছড়ানো হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) এরই মধ্যে বাংলাদেশে শনাক্ত হয়েছে। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার নির্দেশনা অনুযায়ী ১৩ জানুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিশেষ নির্দেশনায় এইচএমপিভির বিষয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
বিমানবন্দরের যাত্রী, কর্মী ও দর্শনার্থীদের সবাইকে মুখে মাস্ক রাখা এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়েছে। যদি কারও জ্বর, কাশি, শ্বাস ছোট হওয়ার মতো এইচএমপিভির লক্ষণ দেখা দেয়, সে ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দরের হেলথ সার্ভিসে জানাতে বলা হয়েছে।

সস্ত্রীক বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছান।
২৩ মিনিট আগে
২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
৩ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
৩ ঘণ্টা আগে