
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে এ নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক হলেও, কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এই বিষয়ে দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযোগটি নিয়ে কমিশন পর্যালোচনা করছে। যাচাই-বাছাই কমিটিকে (যাবাক) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১ মে জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এ কারণে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন না।
এ দিকে গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান অভিযোগ অনুসন্ধান চেয়ে দুদকে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, দুর্নীতির অভিযোগে আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। কিন্তু এত বড় অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পরও দুদক অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেয়নি; যা দুদকের নিষ্ক্রিয়তা। এ বিষয়ে যথাযথ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিয়ে জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়।
২০১৮ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছর বাংলাদেশের চিফ অব আর্মি স্টাফ ছিলেন জেনারেল আজিজ আহমেদ। এর আগে ২০১২ সাল থেকে চার বছর বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিজিবির নেতৃত্ব দেন তিনি।

কমলাপুর রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টারগুলোর সামনে ভিড় ছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যাঁরা অনলাইনে অগ্রিম টিকিট কাটতে পারেননি, তাঁরা বিভিন্ন ট্রেনের স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রা করছেন।
১২ মিনিট আগে
একসময় বলা হতো, বাঙালি কোনো যুবক কবিতা লেখেননি এমন হতে পারে না। তাঁদের মধ্যে সবাই না হোক, কেউ কেউ তো কবি হয়ে ওঠেন। আর বিক্রি যা-ই থাক, একসময় কবিতার বই বের হতো দেদার। এবার সংখ্যায় প্রকাশের শীর্ষে আছে কাব্যগ্রন্থই।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করায় বিশ্বে তেল-গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের টান পড়েছে। এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় মজুত থাকলেও বাংলাদেশের ওপর সংকটের প্রভাব পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংকট থেকে রেহাই পেতে বাংলাদেশের জন্য দুটি নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা হলে তদবির নিয়ে থানায় না যাওয়ার ব্যাপারে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। তিনি বলেন, ‘মাদকের ব্যাপারে কাউকে থানায় নিয়ে গেলে সে যত বড় ব্যক্তির সন্তানই হোক না কেন, কেউ যেন থানায় সুপারিশ না করেন। কোনো সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে না
১২ ঘণ্টা আগে