সড়ক পরিবহন আইন
তৌফিকুল ইসলাম, ঢাকা

সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী মোটরযান মেরামত কারখানা (ওয়ার্কশপ) চালাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) লাইসেন্স থাকতে হবে। কিন্তু সারা দেশে ৩৫ হাজারের মতো এমন কারখানা চলছে ওই লাইসেন্স ছাড়াই। আইন অনুযায়ী অবৈধ এসব সারাইখানাকে বিআরটিএ লাইসেন্সের আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে সারাইখানার মালিকেরা লাইসেন্স নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর বিধিমালা প্রকাশ করা হয় ২০২২ সালে। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিআরটিএ কোনো মোটরযান মেরামত কারখানাকে লাইসেন্সের আওতায় আনতে পারেনি। বিআরটিএ সূত্র বলেছে, কারখানার মালিকেরা লাইসেন্সের জন্য কোনো আবেদন করেননি।
বিআরটিএর চেয়ারম্যান মো. ইয়াসীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরাও চাইছি, মোটরযান মেরামত কারখানাগুলো একটি নিয়মের মধ্যে আসুক। কারণ, সঠিক মেরামতের ওপর নির্ভর করে গাড়ির মান। ত্রুটিযুক্ত গাড়ি চলাচল করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।
এরই মধ্যে বিআরটিএর বিভিন্ন বিভাগীয় অফিসকে মেরামত কারখানাগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনতে বলা হয়েছে।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় আটটি বিভাগীয় অফিস সারা দেশে অনুমোদিত এবং অনুমোদনবিহীন মোটরযান মেরামত কারখানার তালিকা তৈরির কাজ করছে। তবে কোনো বিভাগই এখনো চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করতে পারেনি। ফলে সারা দেশে মেরামত কারখানার সরকারি হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি।
তবে মোটরযান মেরামত কারখানার মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির তথ্য বলছে, সারা দেশে কমবেশি ৩৫ হাজার অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ আছে।
বিআরটিএর ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিআরটিএর সার্কেল অফিসের মাধ্যমে আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি। কারখানার মালিকদের লাইসেন্সের আবেদন করার জন্য অবহিত করা হচ্ছে। লাইসেন্স দিতে কমিটি করা হয়েছে। কারখানার মালিকেরা আবেদন করলে, বিধি অনুযায়ী শর্ত পূরণ সাপেক্ষে লাইসেন্স দেওয়া হবে।’
সূত্র জানায়, বিআরটিএ মোটরযান মেরামত কারখানার লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করলে তা বন্ধ করতে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে একটি চিঠি দেওয়া হয়। এই প্রতিবেদকের হাতে আসা চিঠিতে বলা হয়েছে, বিআরটিএ যে আইন করেছে, তাতে দেশের ছোট, বড়, মাঝারি ওয়ার্কশপগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। চিঠিতে আইনের ছয়টি বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা একটি বড় স্টেকহোল্ডার হলেও এই আইন করার সময় কোথাও ডাকা হয়নি। বিআরটিএ ছবি তুলে গাড়ির ফিটনেস দেয়; লোকবল, যন্ত্রপাতি নেই। তারা আমাদের লাইসেন্স দেবে কীভাবে? এই আইনের কিছু বিষয় সহনীয় ও সহজ করতে বিআরটিএকে জানিয়েছি। আমাদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিতে বললেও বিআরটিএ এখনো আমাদের সঙ্গে বসেনি।’
যেখানে-সেখানে কারখানা
বাস বা ট্রাকের বডি তৈরির কারখানাগুলো গড়ে উঠেছে আমিনবাজার, মিরপুর বেড়িবাঁধ, তেজগাঁও এবং সায়েদাবাদ এলাকায়। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের মোটরযান মেরামত কারখানা রাজধানীসহ সারা দেশে যেখানে-সেখানে গড়ে উঠেছে। ফুটপাতেও জায়গা দখল করে কারখানা গড়ে উঠেছে। এগুলোর কোনো লাইসেন্স নেই। অনেকের ট্রেড লাইসেন্সও নেই। এসব স্থানে মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক, গাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন মেরামত করা হচ্ছে। তবে যথাযথ মেরামত হচ্ছে কি না এবং মেরামত শেষে চলাচলের জন্য নিরাপদ কি না, তা নিশ্চিত করা হয় না।
বাসের বডি তৈরির একটি কারখানার মালিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাসমালিকদের চাহিদা অনুযায়ী তাঁরা বাস বানিয়ে দেন। যেমন বানিয়ে দেন, বিআরটিএ ফিটনেস দিয়ে দেয়। কারখানা নিবন্ধনের আগে বিআরটিএকে ঠিক হতে হবে। তারা যেকোনো গাড়ির ফিটনেস দিয়ে দিলে মেরামত কারখানাকে নিয়ন্ত্রণ করে লাভ নেই।
মেরামত কারখানার লাইসেন্সের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর। কারখানা নিবন্ধন বা নবায়ন করতে লাগবে ১০ হাজার টাকা। লাইসেন্স ছাড়া কারখানা চালালে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং তাৎক্ষণিকভাবে কারখানা সিলগালা করে দেওয়া যাবে।
পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, মেরামত কারখানাগুলোকে একটি নিয়মের মধ্যে আনতে হবে। এটি দীর্ঘদিন ধরে বিআরটিএ করেনি। আর চাইলেই রাতারাতি করে ফেলাও সম্ভব নয়। বিআরটিএ আগে বিজ্ঞানভিত্তিক এবং টেকনিক্যালি দক্ষ হোক, সারা বছর কাজ করুক। তাহলেই গাড়ির মেরামতজনিত কাজও সুন্দর হবে।
কীভাবে দেওয়া হবে লাইসেন্স
যেখানে যানবাহনের ইঞ্জিন, মোটর, যন্ত্রাংশ মেরামত এবং যানবাহনের বডি প্রস্তুত করা হয়, আইনে সেগুলো মোটরযান মেরামত কারখানা। মোটরসাইকেল, থ্রি-হুইলার (অটোরিকশা-মোটরক্যাব রিকশা-অটোটেম্পো), হালকা, মধ্যম ও ভারী মোটরযান, বিশেষ ধরনের এবং প্রতিবন্ধীবান্ধব মোটরযান কারখানার লাইসেন্স দিতে পারবে বিআরটিএ।
মোটরযান মেরামত কারখানা স্থাপন এবং পরিচালনার জন্য লাইসেন্স নিতে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। সেটি যাচাই-বাছাই করে পাঁচ সদস্যের নির্বাচনী কমিটি লাইসেন্স দিতে সুপারিশ করবে। এরপর বিআরটিএ লাইসেন্স দেবে। নির্বাচনী কমিটির সভাপতি থাকবেন সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং)। সুপারিশ করার আগে কমিটিকে মেরামতের কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের অটোমোবাইলের ওপর কারিগরি জ্ঞান, কারখানায় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম, কারখানায় পাঁচটি মোটরযান রাখার জায়গা, প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন সার্টিফিকেট ও হালনাগাদ আয়কর পরিশোধের সনদ এবং আর্থিক স্বচ্ছতার সনদ আছে কি না—এগুলো দেখতে বলা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী মোটরযান মেরামত কারখানা (ওয়ার্কশপ) চালাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) লাইসেন্স থাকতে হবে। কিন্তু সারা দেশে ৩৫ হাজারের মতো এমন কারখানা চলছে ওই লাইসেন্স ছাড়াই। আইন অনুযায়ী অবৈধ এসব সারাইখানাকে বিআরটিএ লাইসেন্সের আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে সারাইখানার মালিকেরা লাইসেন্স নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর বিধিমালা প্রকাশ করা হয় ২০২২ সালে। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিআরটিএ কোনো মোটরযান মেরামত কারখানাকে লাইসেন্সের আওতায় আনতে পারেনি। বিআরটিএ সূত্র বলেছে, কারখানার মালিকেরা লাইসেন্সের জন্য কোনো আবেদন করেননি।
বিআরটিএর চেয়ারম্যান মো. ইয়াসীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরাও চাইছি, মোটরযান মেরামত কারখানাগুলো একটি নিয়মের মধ্যে আসুক। কারণ, সঠিক মেরামতের ওপর নির্ভর করে গাড়ির মান। ত্রুটিযুক্ত গাড়ি চলাচল করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।
এরই মধ্যে বিআরটিএর বিভিন্ন বিভাগীয় অফিসকে মেরামত কারখানাগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনতে বলা হয়েছে।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় আটটি বিভাগীয় অফিস সারা দেশে অনুমোদিত এবং অনুমোদনবিহীন মোটরযান মেরামত কারখানার তালিকা তৈরির কাজ করছে। তবে কোনো বিভাগই এখনো চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করতে পারেনি। ফলে সারা দেশে মেরামত কারখানার সরকারি হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি।
তবে মোটরযান মেরামত কারখানার মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির তথ্য বলছে, সারা দেশে কমবেশি ৩৫ হাজার অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ আছে।
বিআরটিএর ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিআরটিএর সার্কেল অফিসের মাধ্যমে আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি। কারখানার মালিকদের লাইসেন্সের আবেদন করার জন্য অবহিত করা হচ্ছে। লাইসেন্স দিতে কমিটি করা হয়েছে। কারখানার মালিকেরা আবেদন করলে, বিধি অনুযায়ী শর্ত পূরণ সাপেক্ষে লাইসেন্স দেওয়া হবে।’
সূত্র জানায়, বিআরটিএ মোটরযান মেরামত কারখানার লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করলে তা বন্ধ করতে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে একটি চিঠি দেওয়া হয়। এই প্রতিবেদকের হাতে আসা চিঠিতে বলা হয়েছে, বিআরটিএ যে আইন করেছে, তাতে দেশের ছোট, বড়, মাঝারি ওয়ার্কশপগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। চিঠিতে আইনের ছয়টি বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা একটি বড় স্টেকহোল্ডার হলেও এই আইন করার সময় কোথাও ডাকা হয়নি। বিআরটিএ ছবি তুলে গাড়ির ফিটনেস দেয়; লোকবল, যন্ত্রপাতি নেই। তারা আমাদের লাইসেন্স দেবে কীভাবে? এই আইনের কিছু বিষয় সহনীয় ও সহজ করতে বিআরটিএকে জানিয়েছি। আমাদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিতে বললেও বিআরটিএ এখনো আমাদের সঙ্গে বসেনি।’
যেখানে-সেখানে কারখানা
বাস বা ট্রাকের বডি তৈরির কারখানাগুলো গড়ে উঠেছে আমিনবাজার, মিরপুর বেড়িবাঁধ, তেজগাঁও এবং সায়েদাবাদ এলাকায়। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের মোটরযান মেরামত কারখানা রাজধানীসহ সারা দেশে যেখানে-সেখানে গড়ে উঠেছে। ফুটপাতেও জায়গা দখল করে কারখানা গড়ে উঠেছে। এগুলোর কোনো লাইসেন্স নেই। অনেকের ট্রেড লাইসেন্সও নেই। এসব স্থানে মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক, গাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন মেরামত করা হচ্ছে। তবে যথাযথ মেরামত হচ্ছে কি না এবং মেরামত শেষে চলাচলের জন্য নিরাপদ কি না, তা নিশ্চিত করা হয় না।
বাসের বডি তৈরির একটি কারখানার মালিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাসমালিকদের চাহিদা অনুযায়ী তাঁরা বাস বানিয়ে দেন। যেমন বানিয়ে দেন, বিআরটিএ ফিটনেস দিয়ে দেয়। কারখানা নিবন্ধনের আগে বিআরটিএকে ঠিক হতে হবে। তারা যেকোনো গাড়ির ফিটনেস দিয়ে দিলে মেরামত কারখানাকে নিয়ন্ত্রণ করে লাভ নেই।
মেরামত কারখানার লাইসেন্সের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর। কারখানা নিবন্ধন বা নবায়ন করতে লাগবে ১০ হাজার টাকা। লাইসেন্স ছাড়া কারখানা চালালে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং তাৎক্ষণিকভাবে কারখানা সিলগালা করে দেওয়া যাবে।
পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, মেরামত কারখানাগুলোকে একটি নিয়মের মধ্যে আনতে হবে। এটি দীর্ঘদিন ধরে বিআরটিএ করেনি। আর চাইলেই রাতারাতি করে ফেলাও সম্ভব নয়। বিআরটিএ আগে বিজ্ঞানভিত্তিক এবং টেকনিক্যালি দক্ষ হোক, সারা বছর কাজ করুক। তাহলেই গাড়ির মেরামতজনিত কাজও সুন্দর হবে।
কীভাবে দেওয়া হবে লাইসেন্স
যেখানে যানবাহনের ইঞ্জিন, মোটর, যন্ত্রাংশ মেরামত এবং যানবাহনের বডি প্রস্তুত করা হয়, আইনে সেগুলো মোটরযান মেরামত কারখানা। মোটরসাইকেল, থ্রি-হুইলার (অটোরিকশা-মোটরক্যাব রিকশা-অটোটেম্পো), হালকা, মধ্যম ও ভারী মোটরযান, বিশেষ ধরনের এবং প্রতিবন্ধীবান্ধব মোটরযান কারখানার লাইসেন্স দিতে পারবে বিআরটিএ।
মোটরযান মেরামত কারখানা স্থাপন এবং পরিচালনার জন্য লাইসেন্স নিতে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। সেটি যাচাই-বাছাই করে পাঁচ সদস্যের নির্বাচনী কমিটি লাইসেন্স দিতে সুপারিশ করবে। এরপর বিআরটিএ লাইসেন্স দেবে। নির্বাচনী কমিটির সভাপতি থাকবেন সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং)। সুপারিশ করার আগে কমিটিকে মেরামতের কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের অটোমোবাইলের ওপর কারিগরি জ্ঞান, কারখানায় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম, কারখানায় পাঁচটি মোটরযান রাখার জায়গা, প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন সার্টিফিকেট ও হালনাগাদ আয়কর পরিশোধের সনদ এবং আর্থিক স্বচ্ছতার সনদ আছে কি না—এগুলো দেখতে বলা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
৬ ঘণ্টা আগে