নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ যাতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, সে জন্য চার মিলিয়ন ইউরো বা ৫৬ কোটি ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার বেশি সহায়তা প্যাকেজ দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তাঁর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল সিইসির সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করে আজ। ইসির সঙ্গে এটি ইইউ রাষ্ট্রদূতের চতুর্থ বৈঠক।
বৈঠক শেষে মাইকেল মিলার সাংবাদিকদের জানান, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে অগ্রগতির সহযাত্রী হিসেবে কাজ করছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ভোটের দিকে এগোচ্ছে দেশটি। আজ আমি বিশেষভাবে এসেছি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে জানাতে যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪ মিলিয়ন ইউরোর বেশি সহায়তা দেবে, যাতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নির্বাচনের আয়োজন করতে পারে।’
‘এটি একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক। ভবিষ্যতে আমরা এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাব।’
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে কেবল ইইউ প্রতিনিধি নয়, ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে মিলার বলেন, ‘তাঁরা আমাদের বাস্তবায়নকারী অংশীদার—নির্বাচন বিশেষজ্ঞ। তাঁরা এখানে থাকবেন, যাতে আসন্ন নির্বাচনে নাগরিক পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভোটার এডুকেশনকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন হিসেবে আমরা আমাদের অংশীদার বাংলাদেশ এবং অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর, যাতে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারে।’
নির্বাচন কমিশনকে নানা ধরনের সহায়তার কথা তুলে ধরে ইইউ রাষ্ট্রদূত জানান, তাঁরা সরাসরি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে দক্ষতা বৃদ্ধি, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেওয়া, যেমন কার্যকরী পরিকল্পনা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্বাধীনতা, দক্ষতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা। বাংলাদেশে আমাদের কাজের অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো এখানেও। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে একটি অগ্রাধিকারমূলক দেশ হিসেবে বিবেচনা করছে, বিশেষত সম্ভাব্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের জন্য।’
এক প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, ‘নির্বাচন প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সবার মনোযোগ রয়েছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাজ। আমরা এখন আলোচনা করছি বাস্তবিক কিছু পদক্ষেপ নিয়ে, যা নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে। আর এ জন্যই আমরা এখানে এসেছি আমাদের দক্ষতা কাজে লাগাতে। কারণ আমরা চাই আপনাদের নির্বাচন যেন সত্যিই গ্রহণযোগ্য হয়, আন্তর্জাতিক মানের হয়, অবশ্যই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়।’
আগামী মাসে দেশে ইইউর প্রাকনির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল আসবে জানিয়ে মিলার বলেন, ‘আগামী মাসে প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের একটি দল বাংলাদেশে আসবে। এটি পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ মিশন নয়। বরং বিশেষজ্ঞদের কাজ হবে যাচাই করা যে, এখানে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠানোর জন্য সঠিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না। আমরা সক্ষমতা ও বাস্তবতা যাচাই করছি।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিচ্ছি–ভোটার এডুকেশন, দেশীয় পর্যবেক্ষক সংগঠনগুলোকে মাঠ পর্যায়ে কাজের সক্ষমতা দেওয়া, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কাজ করা এবং ছোট ছোট নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এই আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’

বাংলাদেশ যাতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, সে জন্য চার মিলিয়ন ইউরো বা ৫৬ কোটি ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার বেশি সহায়তা প্যাকেজ দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তাঁর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল সিইসির সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করে আজ। ইসির সঙ্গে এটি ইইউ রাষ্ট্রদূতের চতুর্থ বৈঠক।
বৈঠক শেষে মাইকেল মিলার সাংবাদিকদের জানান, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে অগ্রগতির সহযাত্রী হিসেবে কাজ করছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ভোটের দিকে এগোচ্ছে দেশটি। আজ আমি বিশেষভাবে এসেছি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে জানাতে যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪ মিলিয়ন ইউরোর বেশি সহায়তা দেবে, যাতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নির্বাচনের আয়োজন করতে পারে।’
‘এটি একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক। ভবিষ্যতে আমরা এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাব।’
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে কেবল ইইউ প্রতিনিধি নয়, ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে মিলার বলেন, ‘তাঁরা আমাদের বাস্তবায়নকারী অংশীদার—নির্বাচন বিশেষজ্ঞ। তাঁরা এখানে থাকবেন, যাতে আসন্ন নির্বাচনে নাগরিক পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভোটার এডুকেশনকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন হিসেবে আমরা আমাদের অংশীদার বাংলাদেশ এবং অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর, যাতে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারে।’
নির্বাচন কমিশনকে নানা ধরনের সহায়তার কথা তুলে ধরে ইইউ রাষ্ট্রদূত জানান, তাঁরা সরাসরি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে দক্ষতা বৃদ্ধি, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেওয়া, যেমন কার্যকরী পরিকল্পনা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্বাধীনতা, দক্ষতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা। বাংলাদেশে আমাদের কাজের অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো এখানেও। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে একটি অগ্রাধিকারমূলক দেশ হিসেবে বিবেচনা করছে, বিশেষত সম্ভাব্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের জন্য।’
এক প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, ‘নির্বাচন প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সবার মনোযোগ রয়েছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাজ। আমরা এখন আলোচনা করছি বাস্তবিক কিছু পদক্ষেপ নিয়ে, যা নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে। আর এ জন্যই আমরা এখানে এসেছি আমাদের দক্ষতা কাজে লাগাতে। কারণ আমরা চাই আপনাদের নির্বাচন যেন সত্যিই গ্রহণযোগ্য হয়, আন্তর্জাতিক মানের হয়, অবশ্যই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়।’
আগামী মাসে দেশে ইইউর প্রাকনির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল আসবে জানিয়ে মিলার বলেন, ‘আগামী মাসে প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের একটি দল বাংলাদেশে আসবে। এটি পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ মিশন নয়। বরং বিশেষজ্ঞদের কাজ হবে যাচাই করা যে, এখানে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠানোর জন্য সঠিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না। আমরা সক্ষমতা ও বাস্তবতা যাচাই করছি।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিচ্ছি–ভোটার এডুকেশন, দেশীয় পর্যবেক্ষক সংগঠনগুলোকে মাঠ পর্যায়ে কাজের সক্ষমতা দেওয়া, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কাজ করা এবং ছোট ছোট নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এই আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ যাতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, সে জন্য চার মিলিয়ন ইউরো বা ৫৬ কোটি ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার বেশি সহায়তা প্যাকেজ দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তাঁর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল সিইসির সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করে আজ। ইসির সঙ্গে এটি ইইউ রাষ্ট্রদূতের চতুর্থ বৈঠক।
বৈঠক শেষে মাইকেল মিলার সাংবাদিকদের জানান, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে অগ্রগতির সহযাত্রী হিসেবে কাজ করছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ভোটের দিকে এগোচ্ছে দেশটি। আজ আমি বিশেষভাবে এসেছি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে জানাতে যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪ মিলিয়ন ইউরোর বেশি সহায়তা দেবে, যাতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নির্বাচনের আয়োজন করতে পারে।’
‘এটি একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক। ভবিষ্যতে আমরা এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাব।’
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে কেবল ইইউ প্রতিনিধি নয়, ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে মিলার বলেন, ‘তাঁরা আমাদের বাস্তবায়নকারী অংশীদার—নির্বাচন বিশেষজ্ঞ। তাঁরা এখানে থাকবেন, যাতে আসন্ন নির্বাচনে নাগরিক পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভোটার এডুকেশনকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন হিসেবে আমরা আমাদের অংশীদার বাংলাদেশ এবং অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর, যাতে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারে।’
নির্বাচন কমিশনকে নানা ধরনের সহায়তার কথা তুলে ধরে ইইউ রাষ্ট্রদূত জানান, তাঁরা সরাসরি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে দক্ষতা বৃদ্ধি, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেওয়া, যেমন কার্যকরী পরিকল্পনা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্বাধীনতা, দক্ষতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা। বাংলাদেশে আমাদের কাজের অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো এখানেও। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে একটি অগ্রাধিকারমূলক দেশ হিসেবে বিবেচনা করছে, বিশেষত সম্ভাব্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের জন্য।’
এক প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, ‘নির্বাচন প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সবার মনোযোগ রয়েছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাজ। আমরা এখন আলোচনা করছি বাস্তবিক কিছু পদক্ষেপ নিয়ে, যা নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে। আর এ জন্যই আমরা এখানে এসেছি আমাদের দক্ষতা কাজে লাগাতে। কারণ আমরা চাই আপনাদের নির্বাচন যেন সত্যিই গ্রহণযোগ্য হয়, আন্তর্জাতিক মানের হয়, অবশ্যই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়।’
আগামী মাসে দেশে ইইউর প্রাকনির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল আসবে জানিয়ে মিলার বলেন, ‘আগামী মাসে প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের একটি দল বাংলাদেশে আসবে। এটি পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ মিশন নয়। বরং বিশেষজ্ঞদের কাজ হবে যাচাই করা যে, এখানে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠানোর জন্য সঠিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না। আমরা সক্ষমতা ও বাস্তবতা যাচাই করছি।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিচ্ছি–ভোটার এডুকেশন, দেশীয় পর্যবেক্ষক সংগঠনগুলোকে মাঠ পর্যায়ে কাজের সক্ষমতা দেওয়া, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কাজ করা এবং ছোট ছোট নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এই আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’

বাংলাদেশ যাতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, সে জন্য চার মিলিয়ন ইউরো বা ৫৬ কোটি ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার বেশি সহায়তা প্যাকেজ দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তাঁর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল সিইসির সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করে আজ। ইসির সঙ্গে এটি ইইউ রাষ্ট্রদূতের চতুর্থ বৈঠক।
বৈঠক শেষে মাইকেল মিলার সাংবাদিকদের জানান, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে অগ্রগতির সহযাত্রী হিসেবে কাজ করছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ভোটের দিকে এগোচ্ছে দেশটি। আজ আমি বিশেষভাবে এসেছি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে জানাতে যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪ মিলিয়ন ইউরোর বেশি সহায়তা দেবে, যাতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নির্বাচনের আয়োজন করতে পারে।’
‘এটি একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক। ভবিষ্যতে আমরা এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাব।’
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে কেবল ইইউ প্রতিনিধি নয়, ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে মিলার বলেন, ‘তাঁরা আমাদের বাস্তবায়নকারী অংশীদার—নির্বাচন বিশেষজ্ঞ। তাঁরা এখানে থাকবেন, যাতে আসন্ন নির্বাচনে নাগরিক পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভোটার এডুকেশনকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন হিসেবে আমরা আমাদের অংশীদার বাংলাদেশ এবং অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর, যাতে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারে।’
নির্বাচন কমিশনকে নানা ধরনের সহায়তার কথা তুলে ধরে ইইউ রাষ্ট্রদূত জানান, তাঁরা সরাসরি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে দক্ষতা বৃদ্ধি, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেওয়া, যেমন কার্যকরী পরিকল্পনা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্বাধীনতা, দক্ষতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা। বাংলাদেশে আমাদের কাজের অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো এখানেও। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে একটি অগ্রাধিকারমূলক দেশ হিসেবে বিবেচনা করছে, বিশেষত সম্ভাব্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের জন্য।’
এক প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, ‘নির্বাচন প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সবার মনোযোগ রয়েছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাজ। আমরা এখন আলোচনা করছি বাস্তবিক কিছু পদক্ষেপ নিয়ে, যা নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে। আর এ জন্যই আমরা এখানে এসেছি আমাদের দক্ষতা কাজে লাগাতে। কারণ আমরা চাই আপনাদের নির্বাচন যেন সত্যিই গ্রহণযোগ্য হয়, আন্তর্জাতিক মানের হয়, অবশ্যই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়।’
আগামী মাসে দেশে ইইউর প্রাকনির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল আসবে জানিয়ে মিলার বলেন, ‘আগামী মাসে প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের একটি দল বাংলাদেশে আসবে। এটি পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ মিশন নয়। বরং বিশেষজ্ঞদের কাজ হবে যাচাই করা যে, এখানে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠানোর জন্য সঠিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না। আমরা সক্ষমতা ও বাস্তবতা যাচাই করছি।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিচ্ছি–ভোটার এডুকেশন, দেশীয় পর্যবেক্ষক সংগঠনগুলোকে মাঠ পর্যায়ে কাজের সক্ষমতা দেওয়া, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কাজ করা এবং ছোট ছোট নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এই আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’

নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
৮ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন...
৯ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ ভোটকেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। নিরাপত্তার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা মোট কেন্দ্রের প্রায় ৫৯ শতাংশ।
সচিবালয়ে গতকাল সোমবার আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যরা বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ লাখ সদস্য, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০, পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, র্যাবের ৭ হাজার ৭০০ এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ফায়ার সার্ভিসের ১৩ হাজার ৩৯০ জন দায়িত্ব পালন করবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন ভোটকেন্দ্রিক দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড এবং র্যাবের সমন্বয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এই সমন্বয় সেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিটি বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।

নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ ভোটকেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। নিরাপত্তার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা মোট কেন্দ্রের প্রায় ৫৯ শতাংশ।
সচিবালয়ে গতকাল সোমবার আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যরা বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ লাখ সদস্য, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০, পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, র্যাবের ৭ হাজার ৭০০ এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ফায়ার সার্ভিসের ১৩ হাজার ৩৯০ জন দায়িত্ব পালন করবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন ভোটকেন্দ্রিক দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড এবং র্যাবের সমন্বয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এই সমন্বয় সেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিটি বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।

মাইকেল মিলার সাংবাদিকদের জানান, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে অগ্রগতির সহযাত্রী হিসেবে কাজ করছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ভোটের দিকে এগোচ্ছে দেশটি। আজ আমি বিশেষভাবে এসেছি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে জানাতে যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪ মিলিয়ন ইউরোর বেশি সহায়তা দেবে, যাতে বাংলাদেশ
১৯ আগস্ট ২০২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
৮ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন...
৯ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
আজ সোমবার নতুন করে এই কর্মপরিকল্পনা করা হয়েছে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ঘোষিত নতুন কর্মপরিকল্পনার তথ্য অনুযায়ী, ২২ জানুয়ারি ৩০০ সংসদীয় আসনের ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ করা হবে; এরপর ২৮ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইসির আরেকটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে; ১ ফেব্রুয়ারি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অর্থ বরাদ্দ ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ এবং ২-৩ ফেব্রুয়ারি ব্যালট ও নির্বাচনী সামগ্রী মাঠপর্যায়ে পাঠাবে ইসি। তবে ভোট গ্রহণের জন্য তৈরি ভোটকেন্দ্রগুলোয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাম্প তৈরি না করার বিশেষ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আজ বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ড. মুহম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে এক বছরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের অঙ্গীকার করে। এর ধারাবাহিকতায় তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
আজ সোমবার নতুন করে এই কর্মপরিকল্পনা করা হয়েছে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ঘোষিত নতুন কর্মপরিকল্পনার তথ্য অনুযায়ী, ২২ জানুয়ারি ৩০০ সংসদীয় আসনের ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ করা হবে; এরপর ২৮ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইসির আরেকটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে; ১ ফেব্রুয়ারি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অর্থ বরাদ্দ ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ এবং ২-৩ ফেব্রুয়ারি ব্যালট ও নির্বাচনী সামগ্রী মাঠপর্যায়ে পাঠাবে ইসি। তবে ভোট গ্রহণের জন্য তৈরি ভোটকেন্দ্রগুলোয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাম্প তৈরি না করার বিশেষ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আজ বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ড. মুহম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে এক বছরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের অঙ্গীকার করে। এর ধারাবাহিকতায় তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

মাইকেল মিলার সাংবাদিকদের জানান, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে অগ্রগতির সহযাত্রী হিসেবে কাজ করছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ভোটের দিকে এগোচ্ছে দেশটি। আজ আমি বিশেষভাবে এসেছি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে জানাতে যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪ মিলিয়ন ইউরোর বেশি সহায়তা দেবে, যাতে বাংলাদেশ
১৯ আগস্ট ২০২৫
নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি।
৪ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন...
৯ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন করে ২৬ জানুয়ারি তাঁদের হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
এর আগে তাঁদের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে শেখ হাসিনা মারণাস্ত্র ব্যবহার করে যেকোনো মূল্যে আন্দোলন দমনের নির্দেশ দেন। শেখ হাসিনার উক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য এ কে এম শামীম ওসমান তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গ নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই শামীম ওসমান তৎকালীন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে ফোন করে বলেন, ‘পুলিশ কিছু করতে পারছিল না, সাহায্য চাইছে, আমাকে হাতে অস্ত্র নিতে হইছে। আর অস্ত্র ছাড়া মুভ করা যাচ্ছে না। দৌড়াইয়া পানিত নামাইছি সবগুলোরে। দুইটারে ধরছি, এখন যাচ্ছি সিদ্ধিরগঞ্জে। আর সজল মোল্লার সাথে আলাপ করছি যে তোমরা আমাদের সাপোর্ট দাও। আমরা চিটাগাং রোড খালি করতেছি। আপনি একটু বলে দেন। আপনি নেত্রীকে বলে দেন। অস্ত্র হাতে ছবি আসলে যেন রাগ না করে।’
অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৯ জুলাই বেলা ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় শামীম ওসমানের নির্দেশনা ও উপস্থিতিতে তাঁর পুত্র ইমতিনান ওসমান অয়ন ওরফে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়ন ওসমানের শ্যালক আহমদ মিনহাজুল আবেদীন ভিকি, শামীম ওসমানের শ্যালক তানভির আহম্মেদ টিটু উপস্থিত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করেন। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী পারভেজ, মাদ্রাসাশিক্ষার্থী কিশোর আদিল, গার্মেন্টস কর্মী ইয়াসিন, বাসচালক আবুল হোসেন মিজি, গার্মেন্টস কর্মী রাসেল রানাসহ ছয় বছরের শিশু রিয়া গোপকে হত্যা করা হয়। সে সঙ্গে আন্দোলনরত আহম্মদ আলী, সম্রাট, আল আমিন, হাসান গাজী, রানাসহ অসংখ্য আন্দোলনকারীকে হত্যাচেষ্টার মাধ্যমে মারাত্মক জখম করা হয়। যা আসামিদের জ্ঞাতসারে, সম্পৃক্ততায়, উপস্থিতিতে ও সহায়তায় সংঘটিত হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন করে ২৬ জানুয়ারি তাঁদের হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
এর আগে তাঁদের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে শেখ হাসিনা মারণাস্ত্র ব্যবহার করে যেকোনো মূল্যে আন্দোলন দমনের নির্দেশ দেন। শেখ হাসিনার উক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য এ কে এম শামীম ওসমান তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গ নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই শামীম ওসমান তৎকালীন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে ফোন করে বলেন, ‘পুলিশ কিছু করতে পারছিল না, সাহায্য চাইছে, আমাকে হাতে অস্ত্র নিতে হইছে। আর অস্ত্র ছাড়া মুভ করা যাচ্ছে না। দৌড়াইয়া পানিত নামাইছি সবগুলোরে। দুইটারে ধরছি, এখন যাচ্ছি সিদ্ধিরগঞ্জে। আর সজল মোল্লার সাথে আলাপ করছি যে তোমরা আমাদের সাপোর্ট দাও। আমরা চিটাগাং রোড খালি করতেছি। আপনি একটু বলে দেন। আপনি নেত্রীকে বলে দেন। অস্ত্র হাতে ছবি আসলে যেন রাগ না করে।’
অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৯ জুলাই বেলা ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় শামীম ওসমানের নির্দেশনা ও উপস্থিতিতে তাঁর পুত্র ইমতিনান ওসমান অয়ন ওরফে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়ন ওসমানের শ্যালক আহমদ মিনহাজুল আবেদীন ভিকি, শামীম ওসমানের শ্যালক তানভির আহম্মেদ টিটু উপস্থিত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করেন। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী পারভেজ, মাদ্রাসাশিক্ষার্থী কিশোর আদিল, গার্মেন্টস কর্মী ইয়াসিন, বাসচালক আবুল হোসেন মিজি, গার্মেন্টস কর্মী রাসেল রানাসহ ছয় বছরের শিশু রিয়া গোপকে হত্যা করা হয়। সে সঙ্গে আন্দোলনরত আহম্মদ আলী, সম্রাট, আল আমিন, হাসান গাজী, রানাসহ অসংখ্য আন্দোলনকারীকে হত্যাচেষ্টার মাধ্যমে মারাত্মক জখম করা হয়। যা আসামিদের জ্ঞাতসারে, সম্পৃক্ততায়, উপস্থিতিতে ও সহায়তায় সংঘটিত হয়েছে।

মাইকেল মিলার সাংবাদিকদের জানান, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে অগ্রগতির সহযাত্রী হিসেবে কাজ করছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ভোটের দিকে এগোচ্ছে দেশটি। আজ আমি বিশেষভাবে এসেছি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে জানাতে যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪ মিলিয়ন ইউরোর বেশি সহায়তা দেবে, যাতে বাংলাদেশ
১৯ আগস্ট ২০২৫
নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
৮ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন...
৯ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ। ‘হ্যাঁ’তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সিল দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে একটি অসাধারণ অর্জন। এটি প্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকার এরই মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার করেছে। আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য দেশবাসীর সম্মতি প্রয়োজন। এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
ভোটারদের গণভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, ‘সনদে আপনার সম্মতি দিন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটে আপনি ‘‘হ্যাঁ’’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।’
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে রাষ্ট্রের কী কী সংস্কার হবে, তা ভিডিওবার্তায় তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। সেগুলো হলো—গণভোটে ‘হ্যাঁ; ভোট মানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে। সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগণের সম্মতি নিতে হবে।
সংস্কারের বিষয়ে ভিডিওবার্তায় আরও বলা হয়েছে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে। সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।
এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় সংসদে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে। আপনার মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষাও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পাবে। দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না। সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকবে না এবং এ রকম আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব এর মধ্যে রয়েছে।’
ভোটারদের গণভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য ‘‘হ্যাঁ’’তে সিল দিন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে। ‘‘হ্যাঁ’’তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে।’

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ। ‘হ্যাঁ’তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সিল দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে একটি অসাধারণ অর্জন। এটি প্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকার এরই মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার করেছে। আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য দেশবাসীর সম্মতি প্রয়োজন। এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
ভোটারদের গণভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, ‘সনদে আপনার সম্মতি দিন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটে আপনি ‘‘হ্যাঁ’’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।’
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে রাষ্ট্রের কী কী সংস্কার হবে, তা ভিডিওবার্তায় তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। সেগুলো হলো—গণভোটে ‘হ্যাঁ; ভোট মানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে। সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগণের সম্মতি নিতে হবে।
সংস্কারের বিষয়ে ভিডিওবার্তায় আরও বলা হয়েছে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে। সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।
এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় সংসদে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে। আপনার মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষাও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পাবে। দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না। সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকবে না এবং এ রকম আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব এর মধ্যে রয়েছে।’
ভোটারদের গণভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য ‘‘হ্যাঁ’’তে সিল দিন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে। ‘‘হ্যাঁ’’তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে।’

মাইকেল মিলার সাংবাদিকদের জানান, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে অগ্রগতির সহযাত্রী হিসেবে কাজ করছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ভোটের দিকে এগোচ্ছে দেশটি। আজ আমি বিশেষভাবে এসেছি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে জানাতে যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪ মিলিয়ন ইউরোর বেশি সহায়তা দেবে, যাতে বাংলাদেশ
১৯ আগস্ট ২০২৫
নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
৮ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে