হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. সাঈদ ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ান এবং তাঁদের সফরসঙ্গীদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি হেলিকপ্টারটির মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ড. সাঈদ ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ান ও তাঁদের সফরসঙ্গীদের মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা শুনে গভীরভাবে মর্মাহত ও দুঃখিত।’
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোখবারকে লেখা আজ এক চিঠিতে শেখ হাসিনা এই শোক জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দুঃখের এই সময়ে, বাংলাদেশ সরকার ও আমার নিজের পক্ষ থেকে আমি ইরানের সরকার ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশটির জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’ শেখ হাসিনা আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট সাঈদ রাইসি একজন জ্ঞানী ও নিঃস্বার্থ নেতা ছিলেন। যিনি তাঁর দেশের সেবায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন এবং ইরানের জনগণের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘রাইসি একজন আন্তর্জাতিক মর্যাদার মহান নেতা ছিলেন এবং তাঁর অনুকরণীয় নেতৃত্ব ও কৃতিত্ব আমাদের জন্য একটি স্থায়ী উত্তরাধিকার হিসেবে থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও ভ্রাতৃপ্রতিম ইরানের জনগণকে এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সাহস ও ধৈর্য ধরার জন্য প্রার্থনা করেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে অনিশ্চয়তা থাকতে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলো পুনরায় চালু করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো।
৪ ঘণ্টা আগে
জনগণের সরাসরি ভোট ছাড়া সংরক্ষিত আসনে বসার যৌক্তিকতা বা কোনো অর্থ নেই বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। বর্তমান সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেছেন, ‘৫০টি সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচনের জন্য রাখেন।
১১ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র ছাড়াই অন্তত আট হাজারের বেশি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এসব লাইসেন্সের অধিকাংশই পেয়েছেন আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং তাঁদের স্বজনেরা।
১২ ঘণ্টা আগে
অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে তদবির করছেন কিছু পুলিশ কর্মকর্তা। এ ধরনের তদবিরের কারণে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিব্রত হচ্ছেন। এতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি দৈনন্দিন সরকারি কাজও ব্যাহত হচ্ছে।
১৩ ঘণ্টা আগে