নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার ৷ দুই দফায় ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯। তৃতীয় দফায় ৬৫ হাজার ৬৭৪টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘরের দলিল আগামী ২৬ এপ্রিল গৃহহীনদের মাঝে তুলে দেওয়া হবে। এই প্রকল্পটি সরাসরি তত্ত্বাবধান করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। প্রকল্পটি স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
আজ রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সব সময় স্বচ্ছতার সঙ্গে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প ব্যয় তৃতীয় ধাপে প্রতিটি ঘরে ব্যয় হচ্ছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা। ভ্যাট-ট্যাক্স ধরা হলে এ ব্যয় দাঁড়াতো ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা।’
সিনিয়র সচিব বলেন, ‘এখন যে ঘরগুলো আমরা করছি সেগুলো অনেক টেকসই। আমাকে অনেক ইঞ্জিনিয়ার বলেছেন চাইলে এর ওপর দোতলাও করা যাবে। ফাউন্ডেশন, আরসিসি পিলার, গ্রেড বিম সবকিছু যুক্ত করা হয়েছে।’
আগামী ২৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে দেশের চারটি উপজেলায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে গৃহহীন মানুষের হাতে উপহারের এসব ঘর হস্তান্তর করবেন বলে জানান সিনিয়র সচিব। বলেন, ‘এই পর্যায়ে দেড় লাখেরও বেশি মানুষ ঈদের আগে উপহারের ঘরে উঠবেন।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৪ এপ্রিল ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের পোড়াদিয়া বালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের খোকশাবাড়ী আশ্রয়ণ আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারার বারখাইন ইউনিয়নের হাজিগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরাসরি গণভবন থেকে যুক্ত হবেন।
তোফাজ্জল হোসেন মিয়া জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঘোষণা দিয়েছেন যে, বাংলাদেশের কোনো মানুষ যাতে ভূমিহীন গৃহহীন না থাকে। সে জন্য তিনি দুই শতক জমির ওপর দুই রুম বিশিষ্ট একটি ঘর উপহার দিচ্ছেন। এসব ঘরের ডিজাইন প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রণয়ন করেছেন।
সিনিয়র সচিব আরও জানান, এই যে ঘর দেওয়া হচ্ছে এগুলো স্বামী স্ত্রীর যৌথ নামে দেওয়া হচ্ছে। যার স্বামী নেই সে ক্ষেত্রে স্ত্রীর নামে দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যে প্রায় ৩৩ হাজার ঘর হস্তান্তর করবেন তাতে প্রায় দেড় লাখ মানুষ যাদের একটি ঠিকানা ছিল না, দাঁড়ানোর জায়গা ছিল না, তারা একদিনে আশ্রয় পাবে।
তোফাজ্জল হোসেন মিয়া জানান, ২০২১-২২ অর্থবছরে একক ঘর নির্মাণের জন্য ৩ হাজার ৯৭২ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার ১ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, ‘এ জন্য সারা দেশে ৫ হাজার ৫১২ দশমিক ৪ একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে ৷ যার বাজার মূল্য ২ হাজার ৯৬৭ কোটি ৯ লাখ টাকা। এ ছাড়া সরকারের ১৬৮ দশমিক ৩২ একর জমি কেনা হয়েছে। যার বাজার মূল্য ১১৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার ৷ দুই দফায় ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯। তৃতীয় দফায় ৬৫ হাজার ৬৭৪টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘরের দলিল আগামী ২৬ এপ্রিল গৃহহীনদের মাঝে তুলে দেওয়া হবে। এই প্রকল্পটি সরাসরি তত্ত্বাবধান করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। প্রকল্পটি স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
আজ রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সব সময় স্বচ্ছতার সঙ্গে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প ব্যয় তৃতীয় ধাপে প্রতিটি ঘরে ব্যয় হচ্ছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা। ভ্যাট-ট্যাক্স ধরা হলে এ ব্যয় দাঁড়াতো ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা।’
সিনিয়র সচিব বলেন, ‘এখন যে ঘরগুলো আমরা করছি সেগুলো অনেক টেকসই। আমাকে অনেক ইঞ্জিনিয়ার বলেছেন চাইলে এর ওপর দোতলাও করা যাবে। ফাউন্ডেশন, আরসিসি পিলার, গ্রেড বিম সবকিছু যুক্ত করা হয়েছে।’
আগামী ২৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে দেশের চারটি উপজেলায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে গৃহহীন মানুষের হাতে উপহারের এসব ঘর হস্তান্তর করবেন বলে জানান সিনিয়র সচিব। বলেন, ‘এই পর্যায়ে দেড় লাখেরও বেশি মানুষ ঈদের আগে উপহারের ঘরে উঠবেন।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৪ এপ্রিল ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের পোড়াদিয়া বালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের খোকশাবাড়ী আশ্রয়ণ আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারার বারখাইন ইউনিয়নের হাজিগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরাসরি গণভবন থেকে যুক্ত হবেন।
তোফাজ্জল হোসেন মিয়া জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঘোষণা দিয়েছেন যে, বাংলাদেশের কোনো মানুষ যাতে ভূমিহীন গৃহহীন না থাকে। সে জন্য তিনি দুই শতক জমির ওপর দুই রুম বিশিষ্ট একটি ঘর উপহার দিচ্ছেন। এসব ঘরের ডিজাইন প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রণয়ন করেছেন।
সিনিয়র সচিব আরও জানান, এই যে ঘর দেওয়া হচ্ছে এগুলো স্বামী স্ত্রীর যৌথ নামে দেওয়া হচ্ছে। যার স্বামী নেই সে ক্ষেত্রে স্ত্রীর নামে দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যে প্রায় ৩৩ হাজার ঘর হস্তান্তর করবেন তাতে প্রায় দেড় লাখ মানুষ যাদের একটি ঠিকানা ছিল না, দাঁড়ানোর জায়গা ছিল না, তারা একদিনে আশ্রয় পাবে।
তোফাজ্জল হোসেন মিয়া জানান, ২০২১-২২ অর্থবছরে একক ঘর নির্মাণের জন্য ৩ হাজার ৯৭২ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার ১ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, ‘এ জন্য সারা দেশে ৫ হাজার ৫১২ দশমিক ৪ একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে ৷ যার বাজার মূল্য ২ হাজার ৯৬৭ কোটি ৯ লাখ টাকা। এ ছাড়া সরকারের ১৬৮ দশমিক ৩২ একর জমি কেনা হয়েছে। যার বাজার মূল্য ১১৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১২ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
১৪ ঘণ্টা আগে