নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকার বাইরে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। চলতি বছর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চট্টগ্রাম সিটির বাইরে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আক্রান্ত বেশি থাকলেও হঠাৎ করে চট্টগ্রামে রোগীর সংখ্যা বেশি হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যু নেই। তবে নতুন করে ৪৬৫ জন রোগী শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ২৮৪ জন। এদের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটির বাইরে শনাক্ত হয়েছে চার হাজার ৫১৯ জন, ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে চার হাজার ৪১৬ জন, উত্তর সিটি করপোরেশনে দুই হাজার ৯২৪ জন, ঢাকা সিটির বাইরে এক হাজার ৭২৩ জন। তবে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫৯জন। চট্টগ্রাম সিটির বাইরে ১৪ জন।
চলতি বছর ডেঙ্গু সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে। এখানে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটির বাইরে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জন, বরিশাল সিটির বাইরে মারা গেছেন ১০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৯ জন, খুলনায় পাঁচজন, ঢাকা সিটির বাইরে তিনজন, চট্টগ্রাম সিটি ও ময়মনসিংহ সিটিতে একজন করে মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১১দিনে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে চার হাজার ৪৪৩ জন রোগী। আর এ সময়ে মারা গেছেন ১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি ১০৫ জন। এ পর্যন্ত চার হাজার ৬৮২ জন। রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে রোগী ভর্তি হয় এক হাজার ৭০২ জন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৯৫ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, মশক নিধন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। অচিরেই মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা না হলে ভবিষ্যতে ডেঙ্গু রোগী সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
চলতি বছরের এপ্রিলে মৃত্যু হয় দুজনের। শনাক্ত হয় ৫০৪ জন। মে মাসে মৃত্যু ১২ জন এবং শনাক্ত হয় ৬৪৪ জন। জুনে মৃত্যু আটজন এবং শনাক্ত ৭৯৮ জন। জুলাই মাসে মৃত্যু ১২ জন এবং শনাক্ত দুই হাজার ৬৬৯ জন। আগস্টে মারা যায় ২৭ জন, শনাক্ত হয় ৬ হাজার ৫২১ জন। সেপ্টেম্বরের ১১ দিনে মারা যায় ১৯ জন এবং শনাক্ত হয় চার হাজার ৪৪৩ জন রোগী।

ঢাকার বাইরে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। চলতি বছর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চট্টগ্রাম সিটির বাইরে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আক্রান্ত বেশি থাকলেও হঠাৎ করে চট্টগ্রামে রোগীর সংখ্যা বেশি হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যু নেই। তবে নতুন করে ৪৬৫ জন রোগী শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ২৮৪ জন। এদের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটির বাইরে শনাক্ত হয়েছে চার হাজার ৫১৯ জন, ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে চার হাজার ৪১৬ জন, উত্তর সিটি করপোরেশনে দুই হাজার ৯২৪ জন, ঢাকা সিটির বাইরে এক হাজার ৭২৩ জন। তবে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫৯জন। চট্টগ্রাম সিটির বাইরে ১৪ জন।
চলতি বছর ডেঙ্গু সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে। এখানে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটির বাইরে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জন, বরিশাল সিটির বাইরে মারা গেছেন ১০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৯ জন, খুলনায় পাঁচজন, ঢাকা সিটির বাইরে তিনজন, চট্টগ্রাম সিটি ও ময়মনসিংহ সিটিতে একজন করে মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১১দিনে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে চার হাজার ৪৪৩ জন রোগী। আর এ সময়ে মারা গেছেন ১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি ১০৫ জন। এ পর্যন্ত চার হাজার ৬৮২ জন। রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে রোগী ভর্তি হয় এক হাজার ৭০২ জন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৯৫ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, মশক নিধন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। অচিরেই মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা না হলে ভবিষ্যতে ডেঙ্গু রোগী সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
চলতি বছরের এপ্রিলে মৃত্যু হয় দুজনের। শনাক্ত হয় ৫০৪ জন। মে মাসে মৃত্যু ১২ জন এবং শনাক্ত হয় ৬৪৪ জন। জুনে মৃত্যু আটজন এবং শনাক্ত ৭৯৮ জন। জুলাই মাসে মৃত্যু ১২ জন এবং শনাক্ত দুই হাজার ৬৬৯ জন। আগস্টে মারা যায় ২৭ জন, শনাক্ত হয় ৬ হাজার ৫২১ জন। সেপ্টেম্বরের ১১ দিনে মারা যায় ১৯ জন এবং শনাক্ত হয় চার হাজার ৪৪৩ জন রোগী।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দুদক জানিয়েছে, সাতজন নিম্ন আয়ের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে একটি চক্র। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তা করেন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামানের ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা আগের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় দেওয়া হয়েছিল।
৫ ঘণ্টা আগে
সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। অভিযোগসংশ্লিষ্ট মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন।
৫ ঘণ্টা আগে