বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পর্যালোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মতামত ও সুপারিশ দিতে স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। সরকারি চাকরি আইন সংশোধনে নতুন অধ্যাদেশের খসড়া বাতিলের দাবিতে কর্মচারীদের আন্দোলনের মধ্যেই এ পদক্ষেপ নিল সরকার।
আজ রোববার সরকারি কর্মচারীগণের দাবি-দাওয়া পর্যালোচনা সংক্রান্ত ১০ সদস্যের স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে কমিটিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-১ অধিশাখা; বিধি-১ অধিশাখা; মাঠ প্রশাসন, অভ্যন্তরীণ নিয়োগ ও নব নিয়োগ অধিশাখা এবং প্রশাসন অধিশাখার যুগ্ম সচিবদের সদস্য করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, অর্থ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের একজন প্রতিনিধিকে (যুগ্ম সচিবের নিম্নে নয়) কমিটির সদস্য করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় ও কল্যাণ অধিশাখার যুগ্ম সচিবকে কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কমিটিকে সরকারি কর্মচারীগণের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মতামত ও সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে। কমিটি প্রতি মাসে একবার সভা করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে তারা কর্মচারীদের উপযুক্ত সংখ্যক প্রতিনিধির সঙ্গে মতবিনিময় করতে পারবে। এ ছাড়া কমিটিতে প্রয়োজনীয় সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে তারা।
সরকারি চাকরিজীবীদের আন্দোলনের পথ বন্ধ করতে গত এপ্রিলের শেষে দিকে সরকারি চাকরি আইন সংশোধনে নতুন খসড়া করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ২২ মে খসড়াটি অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। সরকারি কর্মচারী (বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ ১৯৭৯ এর চারটি ধারা সরকারি কর্মচারী আইনে যুক্ত করার প্রস্তাব করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এসব ধারা যোগ হলে বিভাগীয় মামলা না দিয়েই ২৫ কর্মদিবসের মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তি করে তাদের চাকরিচ্যুত করার পথ তৈরি হবে। সরকারের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে কর্মসূচি পালন করছেন কর্মচারীরা। রোববার সচিবালয়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভ করেছেন কর্মচারীরা।

সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পর্যালোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মতামত ও সুপারিশ দিতে স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। সরকারি চাকরি আইন সংশোধনে নতুন অধ্যাদেশের খসড়া বাতিলের দাবিতে কর্মচারীদের আন্দোলনের মধ্যেই এ পদক্ষেপ নিল সরকার।
আজ রোববার সরকারি কর্মচারীগণের দাবি-দাওয়া পর্যালোচনা সংক্রান্ত ১০ সদস্যের স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে কমিটিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-১ অধিশাখা; বিধি-১ অধিশাখা; মাঠ প্রশাসন, অভ্যন্তরীণ নিয়োগ ও নব নিয়োগ অধিশাখা এবং প্রশাসন অধিশাখার যুগ্ম সচিবদের সদস্য করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, অর্থ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের একজন প্রতিনিধিকে (যুগ্ম সচিবের নিম্নে নয়) কমিটির সদস্য করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় ও কল্যাণ অধিশাখার যুগ্ম সচিবকে কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কমিটিকে সরকারি কর্মচারীগণের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মতামত ও সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে। কমিটি প্রতি মাসে একবার সভা করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে তারা কর্মচারীদের উপযুক্ত সংখ্যক প্রতিনিধির সঙ্গে মতবিনিময় করতে পারবে। এ ছাড়া কমিটিতে প্রয়োজনীয় সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে তারা।
সরকারি চাকরিজীবীদের আন্দোলনের পথ বন্ধ করতে গত এপ্রিলের শেষে দিকে সরকারি চাকরি আইন সংশোধনে নতুন খসড়া করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ২২ মে খসড়াটি অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। সরকারি কর্মচারী (বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ ১৯৭৯ এর চারটি ধারা সরকারি কর্মচারী আইনে যুক্ত করার প্রস্তাব করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এসব ধারা যোগ হলে বিভাগীয় মামলা না দিয়েই ২৫ কর্মদিবসের মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তি করে তাদের চাকরিচ্যুত করার পথ তৈরি হবে। সরকারের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে কর্মসূচি পালন করছেন কর্মচারীরা। রোববার সচিবালয়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভ করেছেন কর্মচারীরা।

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
২ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে