নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের সব রাস্তা ও ভবন নির্মাণে গুণগত, মানসম্পন্ন ও পরিমিত আকারের ইট তৈরি করে তা ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। রাস্তা ও ভবন নির্মাণে স্ট্যান্ডার্ড সাইজের ইটের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আজ রোববার বিকেলে সচিবালয়ে এক সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন।
মন্ত্রী বলেন, অবকাঠামোগুলো গুণগত মানসম্পন্ন না হলে উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব না। এ জন্য আমাদের মানসম্পন্ন নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে। মানসম্পন্ন সামগ্রীর সরবরাহও নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক তৈরিতে বিটুমিন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যার বেশির ভাগ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। বিটুমিন মানসম্পন্ন না হলে রাস্তা টেকসই হবে না। সড়ক তৈরিতে যে ইট ব্যবহার করা হয় তা মানসম্পন্ন হতে হবে।
গুণগতমান নিশ্চিত করে ইটসহ অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদন হচ্ছে কি-না তা তদারকি করতে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সভায় জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
তিনি বলেন, পাঁচ বছরের মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণের দরকার হবে না এমন মডেল রাস্তা করা হয়েছে। অনেক সময় রাস্তা ভেঙে পড়ে, কৃপণ এস্টিমেট করলে এমন হয়। শুধু ইটের সাইজ না, কোয়ালিটিও নিশ্চিত করতে হবে। ইটের ফর্মা ঠিক করতে হবে। ইটের সাইজ ঠিক না থাকলে মানুষকে ঠকানো হবে। ইটের গুণগত মান ও সাইজ ঠিক না করে উৎপাদন করলে ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী জানান, বিটুমিন, ইট, বালুসহ নির্মাণে প্রয়োজনীয় উপাদান ঠিক আছে কি-না সেগুলো পরীক্ষা করতে প্রতিটি উপজেলায় এলজিইডির টেস্টিং ল্যাব আছে। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ ল্যাবেও এসব পরীক্ষা করা যায়। এগুলোকে আরও কার্যকর করতে হবে।
এক প্রশ্নে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে রাস্তা ও ভবন নির্মাণে গতানুগতিক ইটের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। পরিবেশবান্ধব এসব ইট উৎপাদনে যেসব ইটভাটার মালিকেরা যুক্ত থাকবেন তাঁদেরকে বিভিন্নভাবে সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। কারণ সাধারণ ইট তৈরি করলে কৃষি জমি নষ্ট হয়, পরিবেশেরও ক্ষতি হয়। আর নদী, খাল, বিল থেকে মাটি নিয়ে তার সঙ্গে সিমেন্ট মিশিয়ে ব্লক তৈরি করা যায়।
পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের সড়কের আইডি নম্বর নেই জানিয়ে তাজুল বলেন, আইডি নম্বর না থাকলে একটা কাজকে তিন জায়গায় দেখানো যায়, কেউ ভ্যারিফাই করতে পারবে না। কখন এর মেইনটেনেন্স লাগবে সেটা সম্পর্কে সচেতন থাকা যায় না, পরিকল্পনাও করা যায় না। সড়কের আইডি নম্বর থাকলে প্ল্যান করা যায়, কখন কাজটি করা হয়েছিল তা দেখা যায়। আমি নির্দেশনা দিয়েছি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার সবগুলো রাস্তার আইডি নম্বর থাকতে হবে।

দেশের সব রাস্তা ও ভবন নির্মাণে গুণগত, মানসম্পন্ন ও পরিমিত আকারের ইট তৈরি করে তা ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। রাস্তা ও ভবন নির্মাণে স্ট্যান্ডার্ড সাইজের ইটের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আজ রোববার বিকেলে সচিবালয়ে এক সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন।
মন্ত্রী বলেন, অবকাঠামোগুলো গুণগত মানসম্পন্ন না হলে উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব না। এ জন্য আমাদের মানসম্পন্ন নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে। মানসম্পন্ন সামগ্রীর সরবরাহও নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক তৈরিতে বিটুমিন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যার বেশির ভাগ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। বিটুমিন মানসম্পন্ন না হলে রাস্তা টেকসই হবে না। সড়ক তৈরিতে যে ইট ব্যবহার করা হয় তা মানসম্পন্ন হতে হবে।
গুণগতমান নিশ্চিত করে ইটসহ অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদন হচ্ছে কি-না তা তদারকি করতে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সভায় জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
তিনি বলেন, পাঁচ বছরের মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণের দরকার হবে না এমন মডেল রাস্তা করা হয়েছে। অনেক সময় রাস্তা ভেঙে পড়ে, কৃপণ এস্টিমেট করলে এমন হয়। শুধু ইটের সাইজ না, কোয়ালিটিও নিশ্চিত করতে হবে। ইটের ফর্মা ঠিক করতে হবে। ইটের সাইজ ঠিক না থাকলে মানুষকে ঠকানো হবে। ইটের গুণগত মান ও সাইজ ঠিক না করে উৎপাদন করলে ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী জানান, বিটুমিন, ইট, বালুসহ নির্মাণে প্রয়োজনীয় উপাদান ঠিক আছে কি-না সেগুলো পরীক্ষা করতে প্রতিটি উপজেলায় এলজিইডির টেস্টিং ল্যাব আছে। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ ল্যাবেও এসব পরীক্ষা করা যায়। এগুলোকে আরও কার্যকর করতে হবে।
এক প্রশ্নে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে রাস্তা ও ভবন নির্মাণে গতানুগতিক ইটের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। পরিবেশবান্ধব এসব ইট উৎপাদনে যেসব ইটভাটার মালিকেরা যুক্ত থাকবেন তাঁদেরকে বিভিন্নভাবে সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। কারণ সাধারণ ইট তৈরি করলে কৃষি জমি নষ্ট হয়, পরিবেশেরও ক্ষতি হয়। আর নদী, খাল, বিল থেকে মাটি নিয়ে তার সঙ্গে সিমেন্ট মিশিয়ে ব্লক তৈরি করা যায়।
পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের সড়কের আইডি নম্বর নেই জানিয়ে তাজুল বলেন, আইডি নম্বর না থাকলে একটা কাজকে তিন জায়গায় দেখানো যায়, কেউ ভ্যারিফাই করতে পারবে না। কখন এর মেইনটেনেন্স লাগবে সেটা সম্পর্কে সচেতন থাকা যায় না, পরিকল্পনাও করা যায় না। সড়কের আইডি নম্বর থাকলে প্ল্যান করা যায়, কখন কাজটি করা হয়েছিল তা দেখা যায়। আমি নির্দেশনা দিয়েছি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার সবগুলো রাস্তার আইডি নম্বর থাকতে হবে।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে