Ajker Patrika
সাক্ষাৎকার

স্পিকারের সঙ্গে জার্মানির সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত

স্পিকারের সঙ্গে জার্মানির সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ৪৪

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জার্মানির সংসদীয় প্রতিনিধিদল। আজ স্পিকারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বুন্দেসট্যাগ সদস্য মি. নিকলাস কাপের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে মি. গেরোল্ড ওটেন, মি. জোহান সাথফ, মিজ উলে শাউস এবং ড. রুডিগার লোটজ ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। দেশ স্বাধীনের সূচনালগ্ন থেকে জার্মান সরকার বাংলাদেশকে সর্বতোভাবে সহায়তা করে আসছে। তিনি বলেন, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তর গন্তব্য হলো জার্মানি।

স্পিকার বলেন, ১৯৩৭ সাল থেকে আমাদের দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও গণতান্ত্রিকভাবে আমরা পিছিয়ে ছিলাম। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয় অর্জিত হলেও কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র অধরাই রয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, পরপর ৩টি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন করার মাধ্যমে এ দেশের গণতন্ত্রকে বিপর্যস্ত করেছিল।

স্পিকার বলেন, স্বৈরাচারী আমলের গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও প্রহসনের নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। সেই প্রেক্ষিতে দেশে পুনরায় গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী। এ দেশের নারীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে তাঁর অবদান অনুসরণীয়।

স্পিকার বলেন, গণতন্ত্র প্রিয় এ দেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য নিজেদের বারংবার উৎসর্গ করেছে। তাদের দৃঢ় মনোবল ও সংগ্রামের কারণে গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে।

স্পিকার জাতীয় সংসদে নারী এমপিদের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সংসদে জনগণের ভোটে ৬ জন নির্বাচিত নারী সংসদ-সদস্য ও ৫০ জন সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ-সদস্য রয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই উচ্চ শিক্ষিত ও স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎকালে জার্মানি-বাংলাদেশের সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির প্রসার এবং বাংলাদেশে চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মতবিনিময় করেন।

স্পিকার এ সময় বাংলাদেশের জনগণের বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বর্তমান সরকার সচেষ্ট রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত