
২৮ অক্টোবর ঢাকায় রাজনৈতিক দলের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে সহিংসতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ সাত দেশ। সহিংসতা বন্ধ করে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিতে সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছে দেশগুলো।
আজ সোমবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের এক্স (টুইটার) হ্যান্ডল থেকে সংক্ষিপ্ত যৌথ বিবৃতিটি শেয়ার করা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও নরওয়ের নাম আছে।
সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে গত শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে মহাসমাবেশ ডাকে বিএনপি। এর পাল্টায় সেদিনই বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে ‘শান্তি ও উন্নয়ন’ সমাবেশ ডাকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যসহ দুজন নিহত হন। বিএনপির সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। পরদিন রোববার বিএনপি ও জামায়াত সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডাকে। ওই দিন রাজধানীতে ও লালমনিরহাটে দুজন নিহত হন।
আজ সাত দেশের দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক সমাবেশগুলো ঘিরে ২৮ অক্টোবর ঢাকায় সহিংসতার ঘটনায় এসব দেশের সরকার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সহিংসতায় হতাহতদের প্রতি তাঁরা সমবেদনা জানায়।
বিবৃতিতে দেশগুলো বলেছে, ‘সহিসংতা থেকে বিরত থেকে করে সংযম প্রদর্শনের পাশপাশি অবাধ, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই।’

নগরীর ভেতরে নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত করতে আজ মঙ্গলবার থেকে রাজধানীসহ তিন শহরে চালু হলো বিআরটিসির বিশেষ মহিলা বাস সার্ভিস। গোলাপী রঙের কারণে এ বাসসেবাকে বলা হচ্ছে ‘পিংক বাস’ সার্ভিস। এর চালক ও কন্ডাক্টর উভয়েই নারী। শুরুতে ঢাকা, বগুড়া ও চট্টগ্রাম মহানগর...
১৮ মিনিট আগে
সমাজের সবাই একটু একটু করে এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগে বেসরকারি খাতকে সরকারের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, যারা এ ধরনের কাজ করতে চায়, সরকার তাদের পাশে আছে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া ও শ্রমজীবী মানুষের কল্য
১ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে আমাদের প্রিয় দেশকে ‘রেইনবো নেশনে’ রূপান্তরিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। দুই মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পরে প্রশ্ন আসে, বাংলাদেশে যদি আদিবাসী জনগোষ্ঠী না-ই থেকে থাকে তাহলে তারা রেইনবো নেশন গড়ার অঙ্গীকার করেছেন কি উদ্দেশ্যে?
২ ঘণ্টা আগে
ফিরিয়ে আনা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশে মানব পাচারকারীদের সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেন। তাঁদের অনেকেই লিবিয়ায় বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁদের পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎ
২ ঘণ্টা আগে