গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পরও বহুল আলোচিত রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। এই জনপ্রত্যাশা পূরণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। এর কারণ, এই সংস্কারের জন্য তৈরি করা জুলাই জাতীয় সনদে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করলেও তা বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে সরকারি দল বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলের বিপরীতমুখী অবস্থান।
জাতীয় সংসদে সরকারি দল সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি করলেও বিরোধী দল তাতে অংশ না নিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী ঐক্য রাজপথে নেমেছে। এ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রকাঠামোর মৌলিক সংস্কার নিয়ে অনেকে আশাবাদী হলেও সংশয়ও প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ অবস্থায় সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ক্রমে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
এদিকে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গতকাল মঙ্গলবার প্রথম বৈঠক করেছে। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেছেন, জুলাই সনদ সামনে রেখে অংশীজনসহ সবার মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী আনতে চায় এই কমিটি।
আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের বিষয়টি বারবার আলোচনায় এসেছে। বিএনপি ২০২৩ সালে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে ৩১ দফা দিয়েছিল। যেখানে সংবিধান সংস্কার কমিশন, সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় স্থাপন, মেধার ভিত্তিতে প্রশাসনে নিয়োগ-পদোন্নতিসহ নানান বিষয় ছিল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়েও রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের কথা বলা হয়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর দায়িত্ব নেওয়া ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। ওই সরকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, নানান শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করে রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করে।
বিলুপ্ত হওয়া জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, জুলাই সনদ কোনো ব্যক্তি, দল বা সরকারের নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে মানুষের সচেতনতা বেড়েছে এবং তারা এখন এটিকে বাস্তবায়নযোগ্য মনে করছে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেওয়া বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষর করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের গড়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। জুলাই সনদের ৮৪টি ধারার মধ্যে ৪৭টি সংবিধান-সম্পর্কিত। বাকিগুলো অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে করার কথা বলা হয়েছিল। এর মধ্যে সংবিধানের বিষয়গুলো ছাড়া আর্থিক, প্রশাসনিকসহ বেশ কিছু বিষয়ে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয়, পুলিশ সংস্কার কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের মাধ্যমে ব্যাংক লুটেরাদের ঠেকানোসহ বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, পুলিশ সংস্কার কমিশন বাতিল করেছে বিএনপি। মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধে নতুন আইন করার কথা বলছে তারা।
অবশ্য বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত সোমবার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি যে প্রতিশ্রুতিতে স্বাক্ষর করেছে, তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে সংসদে কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারে এসেছি, এখন চেষ্টা করছি। অনেক কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।’
বিলুপ্ত ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ও সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ পর্যন্ত যা হয়েছে, তাতে আশাবাদী হওয়া দুরূহ। তবুও আশায় বুক বাঁধতে চাই আমরা। আশা করি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি সংস্কার বর্তমান সরকার বাস্তবায়ন করবে, না হলে আমরা পুরোনো পথেই হাঁটব। পুরোনো পথে হাঁটলে নতুন গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে না।’
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে দেশের সংবিধানের কাঠামোগত পরিবর্তন হবে। এর মধ্যে দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের সংশোধন, বিভাগীয় পর্যায়ে এক বা একাধিক হাইকোর্টের বেঞ্চসহ বেশ কিছু বিষয় রয়েছে। সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) জারি করা হয়। এর ভিত্তিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটও হয়েছিল। যাতে বলা হয়েছিল, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে ত্রয়োদশ সংসদ একই সঙ্গে ১৮০ কর্মদিবস সংবিধান সংস্কার পরিষদের দায়িত্ব পালন করবে। অবশ্য বর্তমানে ক্ষমতাসীন বিএনপি তখন এর বিরোধিতা করেছিল। নির্বাচনের পর বিএনপি ও এর শরিক দলগুলোর সংসদ সদস্যরা শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা এমপি এবং সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নেন।
বিএনপি জুলাই সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত বিষয়গুলোর জন্য সংবিধান সংশোধনের কথা বলছে। অন্যদিকে বিরোধী দলের দাবি, কাঠামোগত সংস্কার সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হলে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যেকোনো সময় তা বাতিলও হয়ে যেতে পারে। কিন্তু জনগণের রায় অনুযায়ী পরিষদের মাধ্যম সংস্কার হলে তা টেকসই হবে, সর্বোচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে না।
জাতীয় সংসদে সরকারি দল বিএনপি সংবিধান সংশোধনে ১৭ সদস্যের বিশেষ কমিটির জন্য বিরোধী দলের পাঁচজনের নাম চাইলেও বিরোধী দল তা দেয়নি। ফলে ১৩ জুলাই সংসদে সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। বিরোধী দল এই কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সেদিন ওয়াকআউট করে। বিরোধী দল বলেছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি তারা রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় করবে। বিরোধী দল এ দাবিতে কর্মসূচিও পালন করছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘সংস্কারটা রাজপথে আছে। ১৯৯৬ সালে প্রথমে তারা (বিএনপি) তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানেনি, পরে মানতে বাধ্য হয়েছে। এটাও তা-ই হবে। সংস্কারপ্রক্রিয়া আমরা থামতে দেব না। আন্দোলনের মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করব।’
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার বলেন, ‘বিএনপি মুখে বলছে, তারা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে; কিন্তু বাস্তবে তাদের কর্মকাণ্ড সংস্কারবিরোধী। মনে হচ্ছে, সংস্কার তারা করবে না। ফলে আমাদের আন্দোলন করতে হচ্ছে এবং করব।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, এখন বিপরীতমুখী অবস্থানে থাকলেও সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকলে বরফ গলতে পারে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. শামসুল আলম বলেন, ‘সংস্কারের ক্ষেত্রে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে যে কথাবার্তা চালাচালি হচ্ছে, তাতে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে বলে আমি আশাবাদী। সংসদে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তা সম্ভব।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, সরকারি দল সংবিধান সংশোধন কমিটি করেছে। চলতি বছরের বাকি সময় তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে পারে। বিরোধী দল জোরালো চাপ তৈরি না করলে এ নিয়ে কিছুদিন তারা আলোচনা চালিয়ে যাবে। চাপ তৈরি হলে বিরোধী দলকে আলোচনার টেবিলে ডাকতে পারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বলেন, সংস্কারের আদি রূপ—যেভাবে জুলাই সনদে আছে, ওই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ক্রমান্বয়ে থাকবে না। সেটা দুর্বল হয়ে যাবে। সংস্কারটা নামসর্বস্ব হিসেবেও দাঁড়াতে পারে। অন্যদিকে কিছু অগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিএনপি রাজি হতে পারে। কিন্তু সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তিনি সন্দিহান। কারণ, এটি বাস্তবায়ন হলে কাঠামোগতভাবে বিরোধী দল শক্তিশালী হয়ে ওঠার সম্ভাবনা আছে। সরকারি দল সহজে তা হতে দিতে চাইবে বলে মনে হয় না।
একাধিক বিশ্লেষকের মতে, দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদ বিদায়ের পর দেশে প্রকৃত রাষ্ট্র সংস্কারের প্রত্যাশা মানুষের ছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই সেই সংস্কারপ্রক্রিয়া হোঁচট খায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, ‘৫ আগস্টের পর রাষ্ট্রীয় সংস্কার করার একটি বড় সুযোগ ছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকার সেখানে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। এরপরও প্রত্যাশা ছিল, একটি গণতান্ত্রিক ও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার হবে। কিন্তু প্রায় দুই বছরে আমরা দেখেছি, সংস্কারের নামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, গোষ্ঠী ও ব্যক্তি নিজেদের ফায়দা লোটার চেষ্টা করেছে। ফলে সংস্কারের প্রতি মানুষের আস্থা কমে গেছে। মানুষের ধারণা হয়েছে, সংস্কারের নামে লুটপাট, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি হচ্ছে।’
অবশ্য সংস্কার নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয় বলে মনে করেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে মৌলিক রাষ্ট্র সংস্কার অপরিহার্য; তা ছাড়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থারও কার্যকর সংস্কার সম্ভব নয়।

চব্বিশের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দীর্ঘ একটা সময় দেশে পুলিশ বাহিনী বলতে মাঠে কিছুর অস্তিত্ব ছিল না। অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে চলছিল ‘মবের রাজত্ব’। সেই পরিস্থিতি থেকে কাজে ফিরিয়ে এনে পুলিশ বাহিনীর মনোবল পুনরুদ্ধার করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
দুই বছর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রশাসনে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও তা কাটেনি। পদোন্নতি, পদায়ন, চুক্তিতে নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষের পাশাপাশি চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের খাদ্যের জোগান যাঁরা দিচ্ছেন, তাঁদের অর্ধেকের বেশি ক্ষুদ্র কৃষক। এই ক্ষুদ্র কৃষকদের বার্ষিক গড় নিট আয় মাত্র ৩৩ হাজার ৬৩৯ টাকা, যা বৃহৎ উৎপাদকদের প্রায় ৪ ভাগের ১ ভাগ। প্রযুক্তি, পুঁজির ঘাটতিসহ বিভিন্ন কারণে ক্ষুদ্র কৃষকদের শ্রমের উৎপাদনশীলতাও বড় উৎপাদকদের তুলনায়...
১ ঘণ্টা আগে
দেশের হাজার কোটি টাকা পাচার করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিপুল সম্পদের মালিক বনে যাওয়া ৪৫৯ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে প্রায় তিন বছর আগে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযুক্তদের সবাই দুবাইয়ের ‘গোল্ডেন ভিসাধারী’।
৩ ঘণ্টা আগে