
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা ব্যক্ত করে দেশের বর্তমান স্থিতিশীল পরিবেশের প্রশংসা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে নতুন করে বিনিয়োগে উৎসাহ দিতে ভ্রমণ সতর্কতা (টুরিস্ট অ্যাডভাইজরি) ইতিবাচকভাবে পুনর্বিবেচনা করার কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
আজ শনিবার সকালে ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি সার্জিও গর এসব কথা জানান।
উষ্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে মার্কিন বিশেষ দূত বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে এবং এতে মার্কিন প্রশাসন পূর্ণ আস্থা রাখছে।
সার্জিও গরউল্লেখ করেন, এই আস্থার প্রতিফলন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ সতর্কতা ইতিবাচকভাবে সংশোধন করেছে, যা মার্কিন বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ যে এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত—এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছাবে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে আরও বড় আকারের মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বিশেষ করে সয়াবিন, তুলা, গম এবং অন্যান্য কৃষি পণ্যের ওয়্যার হাউজিং বা সংরক্ষণ সুবিধা তৈরিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ কামনা করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এসব খাতে মার্কিন বিনিয়োগ গড়ে উঠলে একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেইন) তৈরি করা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে মার্কিন বিনিয়োগের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। সার্জিও গর জানান, আইটি খাতে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে দেশটি প্যাক্স সিলিকা (PAX Silica) উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার হতে পারে।
দুই পক্ষই যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) সহযোগিতায় বাংলাদেশে ওষুধ ও খাদ্য পণ্যের পরীক্ষাগার চালুর কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
বৈঠকে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মার্কিন প্রতিনিধিদল। আগের দিনই সার্জিও গর কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির পরিদর্শন করেন।
সংকটটি মোকাবিলায় এবং বিপুলসংখ্যক মিয়ানমারের নাগরিককে আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দেওয়ায় সার্জিও গর বাংলাদেশ সরকার ও সাধারণ মানুষের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সার্জিও গর জোর দিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই ও রাজনৈতিক সমাধান অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক স্তরে যে পরিমাণ আর্থিক ও মানবিক সাহায্য আসে, তার অর্ধেকেরও বেশি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই সহযোগিতার জন্য তিনি মার্কিন সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের শীর্ষ প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ ও মাহদী আমিন এবং ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনসহ একাধিক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক।

বেলা ১১টার দিকে উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে পৌঁছায় ট্রাইব্যুনালের প্রতিনিধিদল। সেখানে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা টিএফআই সেলের বিভিন্ন কক্ষ ও স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নেন।
৫ ঘণ্টা আগে
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা আধুনিক হয়ে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নবজাতকের জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই শালদুধ পান নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।
৫ ঘণ্টা আগে
ই-টিকিটিং সিস্টেমে একজন রোগীকে মাত্র একবার অনলাইনে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করতে হবে। একবার নিবন্ধন সম্পন্ন হলে রোগীর তথ্য ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদভাবে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তী প্রতিটি চিকিৎসা গ্রহণের সময় নতুন করে তথ্য প্রদান করতে হবে না।
৬ ঘণ্টা আগে
তিন দিনের সফরে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসেন সার্জিও গর। বাংলাদেশে এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূতের প্রথম সফর।
৬ ঘণ্টা আগে