
দীর্ঘ ১১ বছর পর বকেয়া বেতন-ভাতাসহ অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. কোহিনুর মিয়া।
আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের এ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত ডিআইজি (চতুর্থ গ্রেড) পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তিনি বিধি মোতাবেক বকেয়া বেতন-ভাতা পাবেন।
এর আগে গত ৯ মার্চ রাষ্ট্রপতির পুনর্বিবেচনায় প্রায় ১৫ বছর আগের বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে কোহিনুর মিয়াকে চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বরখাস্তের গুরুদণ্ডের আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন রাষ্ট্রপতি মঞ্জুর করেছেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তাঁর বরখাস্তকাল চাকরিকাল হিসেবে গণ্য করে প্রাপ্য বকেয়া বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, দেড় দশক আগে ডিএমপির ডিসি ও ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন বিতর্কে জড়িয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন বিসিএস ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা কোহিনুর মিয়া। ২০০৯ সালের ৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তাঁকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাঁর বরখাস্তের আদেশ বাতিল করা হয়।

রফিকুল ইসলাম বলেন, পদকের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীতদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলমান থাকায় আপাতত পদক প্রদান স্থগিত রাখা হয়েছে। যাচাই শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সুবিধাজনক সময়ে তাঁদের পদক দেওয়া হবে...
৩৭ মিনিট আগে
সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে আমি ভালোবাসিলাম, সে কখনো করে না বঞ্চনা।’ দেশের জনগণ অনেক কঠিন লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। তারা কঠিনকে ভালোবেসেছিল। এই দীর্ঘ সংগ্রাম জনগণকে বঞ্চিত করেনি। তারা একটি নতুন সকালের দেখা পেয়েছে...
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে পুলিশ বাহিনীর বিকল্প নেই। তবে পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে, তাহলে পুলিশের দায়িত্ব পালনের পথ অনেকটা সহজ এবং সুগম হয়ে যায়।’
৫ ঘণ্টা আগে
‘আমরা চাই বিচারকদের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়ুক। জনগণ আমাদেরকে ম্যান্ডেট দিয়েছে। তাই আপনাদের বলতে চাই, যে বিষয়গুলো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায়, সেগুলো এড়িয়ে চলে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করুন। এ কাজে সরকারকে সব সময় আপনাদের পাশে পাবেন...
৭ ঘণ্টা আগে