নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ডাকে আলোচনায় বসে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় আগামী সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার বিষয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রাখতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
আজ বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক কর্মশালার আলোচনা সভায় এ কথা বলেন সুধীজনেরা।
এ ছাড়া নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ রাখা, পুলিশ-প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ব্যবস্থা করা, গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির বিষয়টির ফলোআপ না করা, পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা কার্যকর করা, ইভিএমে ভোট না নিলেও এই মেশিনের মাধ্যমে ভোটার শনাক্ত করা, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন, ইসির নিজস্ব কর্মকর্তাদের বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া এবং কিছু কেন্দ্রে হলেও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করার বিষয়গুলো আলোচনা-পর্যালোচনায় উঠে আসে।
সমালোচনার বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘বলা হচ্ছে এই নির্বাচন কমিশন আগেই পক্ষপাত করে ফেলেছে সরকারের সঙ্গে। দ্যাট ইজ নট ট্রু। আমরা অতটা কাওয়ার্ড নই।’
সিইসি বলেন, ‘আমরা একটা কঠিন অবস্থানের মধ্যে আছি। অনেকগুলো সংকট কিন্তু নিরসন করতে হবে রাজনীতিকদের। এই কথাটি আমি বারবার বলেছি-আমাদের যদি অনুকূল পরিবেশ রাজনীতিবিদরা তৈরি না করে দেন, তাহলে আমাদের পক্ষে নির্বাচনটা অনুষ্ঠান করা কষ্টসাধ্য হবে। আর যদি অনুকূল করে দেন তাহলে আমাদের জন্য সহজ হবে।’
কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, ‘সরকারি দল বলতে আইনে কিছু নেই। আমরা এটা মুখে বলে থাকি। যখনই একটা দল সরকার হয়ে যায়, সে কিন্তু সকল দলের, পুরো দেশকেই প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা অত্যন্ত আশ্বস্ত বোধ করছি যে, সরকারের তরফ থেকে বারবার বলা হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ আমরা আগামী নির্বাচনটাকে সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক করতে চাই। সেই প্রতিশ্রুতি কিন্তু সরকার দিয়েছেন। আগে কিন্তু কখনো সরকার সেই প্রতিশ্রুতি দেয় নাই। এই প্রথমবারের সরকারই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আইনমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী, যোগাযোগমন্ত্রী সরকার শব্দটা বলেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও স্পষ্টভাবে বেশ কয়েকবার বলেছেন। আমি বলব-আস্থা রাখতে চাই।’
নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘অনেক নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি না থাকলেও ফলাফলে ভোটার বেশি দেখানো হয়েছে।’
আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘বিদেশি রাষ্ট্রগুলো আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলছে। তাদের আমরাই ডেকে এনেছি। যদি আমরা ঠিক থাকতাম তাহলে এমনটা হতো না। পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র আমাদের নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।’
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত বলেন, ‘জামালপুরের মতো ডিসিদের বিরুদ্ধে আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কী করবেন। কীভাবে কাজ করবেন। এক জেলায় চারজন রিটার্নিং কর্মকর্তা দিয়ে নির্বাচন করাতে পারেন। একই ডিসিদের রিটার্নিং করাতে হবে বিষয়টি এমন নয়।’
এম সাখাওয়াত বলেন, পলিটিক্যাল পার্টি সেন্টার পাহারা দেয়। কার ভোটার কে এরা জানে? প্রত্যেক সেন্টারে পাহারা দেয় এদের শনাক্ত করে পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ এদের কারণে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে না।
স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, যার কাজ তাকে করতে হবে। সব দায় কমিশনের ওপর চাপিয়ে দিলে হবে না।
ভোটের পরিবেশ না থাকলে প্রিসাইডিং অফিসারদের কেন্দ্র ফেলে চলে আসার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, কার ঘাড়ে কয়টা মাথা আছে সেখান থেকে চলে আসবে?
নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় কাজ করা কর্তব্য। কিন্তু কাজ না করলে কী হবে সে বিষয়ে কিছু বলা নেই। এই বিষয়ে কিছু নির্দেশনা থাকা উচিত বলে মনে করেন তোফায়েল আহমেদ।
সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান বলেন, এখনো গাইবান্ধা নির্বাচনে দায়িত্বের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাই। কোনো দলের পক্ষে বক্তব্য দেওয়া কর্মকর্তাদের নজরদারিতে রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. হুমায়ূন কবীর বলেন, মানুষ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছে। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনও রয়েছে। সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ, ভোটারদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা এবং পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রথম আলোর যুগ্ম-সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। প্রধান চ্যালেঞ্জ সবাইকে নিয়ে নির্বাচন করা। গণতন্ত্র না থাকলে এমন নির্বাচন অর্থহীন।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খানের সঞ্চালনায় ওয়ার্কশপে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর ও মো. আনিছুর রহমান, ইসি সচিব ও অন্যান্য সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ডাকে আলোচনায় বসে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় আগামী সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার বিষয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রাখতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
আজ বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক কর্মশালার আলোচনা সভায় এ কথা বলেন সুধীজনেরা।
এ ছাড়া নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ রাখা, পুলিশ-প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ব্যবস্থা করা, গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির বিষয়টির ফলোআপ না করা, পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা কার্যকর করা, ইভিএমে ভোট না নিলেও এই মেশিনের মাধ্যমে ভোটার শনাক্ত করা, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন, ইসির নিজস্ব কর্মকর্তাদের বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া এবং কিছু কেন্দ্রে হলেও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করার বিষয়গুলো আলোচনা-পর্যালোচনায় উঠে আসে।
সমালোচনার বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘বলা হচ্ছে এই নির্বাচন কমিশন আগেই পক্ষপাত করে ফেলেছে সরকারের সঙ্গে। দ্যাট ইজ নট ট্রু। আমরা অতটা কাওয়ার্ড নই।’
সিইসি বলেন, ‘আমরা একটা কঠিন অবস্থানের মধ্যে আছি। অনেকগুলো সংকট কিন্তু নিরসন করতে হবে রাজনীতিকদের। এই কথাটি আমি বারবার বলেছি-আমাদের যদি অনুকূল পরিবেশ রাজনীতিবিদরা তৈরি না করে দেন, তাহলে আমাদের পক্ষে নির্বাচনটা অনুষ্ঠান করা কষ্টসাধ্য হবে। আর যদি অনুকূল করে দেন তাহলে আমাদের জন্য সহজ হবে।’
কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, ‘সরকারি দল বলতে আইনে কিছু নেই। আমরা এটা মুখে বলে থাকি। যখনই একটা দল সরকার হয়ে যায়, সে কিন্তু সকল দলের, পুরো দেশকেই প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা অত্যন্ত আশ্বস্ত বোধ করছি যে, সরকারের তরফ থেকে বারবার বলা হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ আমরা আগামী নির্বাচনটাকে সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক করতে চাই। সেই প্রতিশ্রুতি কিন্তু সরকার দিয়েছেন। আগে কিন্তু কখনো সরকার সেই প্রতিশ্রুতি দেয় নাই। এই প্রথমবারের সরকারই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আইনমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী, যোগাযোগমন্ত্রী সরকার শব্দটা বলেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও স্পষ্টভাবে বেশ কয়েকবার বলেছেন। আমি বলব-আস্থা রাখতে চাই।’
নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘অনেক নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি না থাকলেও ফলাফলে ভোটার বেশি দেখানো হয়েছে।’
আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘বিদেশি রাষ্ট্রগুলো আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলছে। তাদের আমরাই ডেকে এনেছি। যদি আমরা ঠিক থাকতাম তাহলে এমনটা হতো না। পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র আমাদের নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।’
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত বলেন, ‘জামালপুরের মতো ডিসিদের বিরুদ্ধে আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কী করবেন। কীভাবে কাজ করবেন। এক জেলায় চারজন রিটার্নিং কর্মকর্তা দিয়ে নির্বাচন করাতে পারেন। একই ডিসিদের রিটার্নিং করাতে হবে বিষয়টি এমন নয়।’
এম সাখাওয়াত বলেন, পলিটিক্যাল পার্টি সেন্টার পাহারা দেয়। কার ভোটার কে এরা জানে? প্রত্যেক সেন্টারে পাহারা দেয় এদের শনাক্ত করে পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ এদের কারণে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে না।
স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, যার কাজ তাকে করতে হবে। সব দায় কমিশনের ওপর চাপিয়ে দিলে হবে না।
ভোটের পরিবেশ না থাকলে প্রিসাইডিং অফিসারদের কেন্দ্র ফেলে চলে আসার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, কার ঘাড়ে কয়টা মাথা আছে সেখান থেকে চলে আসবে?
নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় কাজ করা কর্তব্য। কিন্তু কাজ না করলে কী হবে সে বিষয়ে কিছু বলা নেই। এই বিষয়ে কিছু নির্দেশনা থাকা উচিত বলে মনে করেন তোফায়েল আহমেদ।
সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান বলেন, এখনো গাইবান্ধা নির্বাচনে দায়িত্বের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাই। কোনো দলের পক্ষে বক্তব্য দেওয়া কর্মকর্তাদের নজরদারিতে রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. হুমায়ূন কবীর বলেন, মানুষ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছে। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনও রয়েছে। সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ, ভোটারদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা এবং পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রথম আলোর যুগ্ম-সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। প্রধান চ্যালেঞ্জ সবাইকে নিয়ে নির্বাচন করা। গণতন্ত্র না থাকলে এমন নির্বাচন অর্থহীন।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খানের সঞ্চালনায় ওয়ার্কশপে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর ও মো. আনিছুর রহমান, ইসি সচিব ও অন্যান্য সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
২ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে