আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আপিলের শুনানি চলছে। আজ বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এই শুনানি হয়।
খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করা হয়েছে।
বুধবার খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
শুনানিতে জয়নুল আবেদীন বলেন, এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো এভিডেন্স, কোনো আলামত ছিল না। তিনি এতিমের টাকা আত্মসাৎ করেছেন—এ কথা বলে এত বছর তাঁকে অপদস্থ করা হয়েছে। তিনি শুধু কারাগারেই ছিলেন না, চিকিৎসা পর্যন্ত করতে দেওয়া হয়নি। পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। জয়নুল আবেদীন আপিল মঞ্জুর করে হাইকোর্টের রায় বাতিলের আবেদন জানান।
ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। তিনিও আপিল মঞ্জুরের আবেদন জানান।
গত মঙ্গলবার আপিলের শুনানি শুরু হয়। এই মামলার রায়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি এবং সাজা বাড়াতে দুদক হাইকোর্টে আপিল করে। শুনানি শেষে ওই বছরের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে তাঁর করা লিভ টু আপিল গত ১১ নভেম্বর মঞ্জুর হয়। একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।
এতিমদের সহায়তার জন্য বিদেশ থেকে পাঠানো ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই এই মামলা করে দুদক।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আপিলের শুনানি চলছে। আজ বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এই শুনানি হয়।
খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করা হয়েছে।
বুধবার খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
শুনানিতে জয়নুল আবেদীন বলেন, এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো এভিডেন্স, কোনো আলামত ছিল না। তিনি এতিমের টাকা আত্মসাৎ করেছেন—এ কথা বলে এত বছর তাঁকে অপদস্থ করা হয়েছে। তিনি শুধু কারাগারেই ছিলেন না, চিকিৎসা পর্যন্ত করতে দেওয়া হয়নি। পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। জয়নুল আবেদীন আপিল মঞ্জুর করে হাইকোর্টের রায় বাতিলের আবেদন জানান।
ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। তিনিও আপিল মঞ্জুরের আবেদন জানান।
গত মঙ্গলবার আপিলের শুনানি শুরু হয়। এই মামলার রায়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি এবং সাজা বাড়াতে দুদক হাইকোর্টে আপিল করে। শুনানি শেষে ওই বছরের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে তাঁর করা লিভ টু আপিল গত ১১ নভেম্বর মঞ্জুর হয়। একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।
এতিমদের সহায়তার জন্য বিদেশ থেকে পাঠানো ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই এই মামলা করে দুদক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাওয়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাঁদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়া পর পোস্টাল ব্যালটে ছবি বা ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করতে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ছবি বা ভিডিও শেয়ার করলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটারের এনআইডি ব্লক করাসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে ইসি।
৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম এই ঘোষণা দেন। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তাসনিম জারা।
৯ ঘণ্টা আগে
সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে