নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বিগত তিনটি (২০১৪,২০১৮ ও ২০২৪) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দায় নেবেন না উপজেলা নির্বাচন অফিসাররা। আজ শনিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে উপজেলা, থানা ও সমমান ইলেকশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভায় এ কথা বলেন কর্মকর্তারা।
অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আশফাকুর রহমান বলেন, নির্বাচনে ভালোভাবে কাজ করতে না পারার জন্য আমাদের ভেতরেও ক্ষোভ আছে। নির্বাচনে আমাদের মূল ভূমিকা ছিল না। আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিতে চাই, আমরা ২০১৪,২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে মূল দায়িত্বে না থেকেও এর দায় কেন নিব? আমরাতো মূল দায়িত্বে কখনো ছিলাম না। এই দায় আমাদের নেওয়ার কোনো সুযোগ নাই।
তিনি বলেন, ‘আমরা কমিশনের মাধ্যমে সমস্ত জাতিকে জানিয়ে দিতে চাই, আমাদের যদি আমাদের কাজটা ঠিক মতো করতে দেন তাহলে সে দায়িত্ব আমাদের। আর আমাদেরকে যদি আমাদের কাজটা ঠিকমতো করতে না দেন তাহলে সে দায়িত্ব আমাদের না।’
কমিশনের রোডম্যাপ অনুযায়ী সব নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারব এটাই আমাদের অঙ্গীকার—এমন উল্লেখ করে আশফাকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের মূল জায়গা উপজেলা নির্বাচন অফিস। এখানে সব ধরনের কাজ সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। আমরা রোবট নই। আমাদের উপর সব দায়-দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হয়। আমরা পদবঞ্চিত। আমরা বছরের পর বছর ধরে বঞ্চিত হয়ে আসছি। নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করে নির্বাচন সার্ভিস কমিশন গঠন করতে হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করব প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে আমাদের যা যা প্রয়োজন আছে তার বাস্তবায়ন করতে হবে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার পদ ৬ষ্ঠ গ্রেডে উন্নিত করতে হবে এবং সহকারী নির্বাচন অফিসারদের পদ ৯ম গ্রেডে উন্নিত করতে হবে। উপজেলা নির্বাচন অফিসারদের ডাবল কেবিন গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে এবং সহকারী নির্বাচন অফিসারদের জন্য একটি করে মোটরসাইকেল দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তরের ফ্যাসিস্ট সরকারের কালো আইনটি বাতিল করতে হবে।’
একটা সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে হবে জানিয়ে আশফাকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কমিশনের কাছে দাবি করব আমাদের প্রয়োজনীয়তাগুলো অনুধাবন করবেন। আমাদের সহযোগিতা করেন, আমরাও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবো।’
সভায় অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসচিব মো. ইউসুফ-উর রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন।

বিগত তিনটি (২০১৪,২০১৮ ও ২০২৪) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দায় নেবেন না উপজেলা নির্বাচন অফিসাররা। আজ শনিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে উপজেলা, থানা ও সমমান ইলেকশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভায় এ কথা বলেন কর্মকর্তারা।
অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আশফাকুর রহমান বলেন, নির্বাচনে ভালোভাবে কাজ করতে না পারার জন্য আমাদের ভেতরেও ক্ষোভ আছে। নির্বাচনে আমাদের মূল ভূমিকা ছিল না। আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিতে চাই, আমরা ২০১৪,২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে মূল দায়িত্বে না থেকেও এর দায় কেন নিব? আমরাতো মূল দায়িত্বে কখনো ছিলাম না। এই দায় আমাদের নেওয়ার কোনো সুযোগ নাই।
তিনি বলেন, ‘আমরা কমিশনের মাধ্যমে সমস্ত জাতিকে জানিয়ে দিতে চাই, আমাদের যদি আমাদের কাজটা ঠিক মতো করতে দেন তাহলে সে দায়িত্ব আমাদের। আর আমাদেরকে যদি আমাদের কাজটা ঠিকমতো করতে না দেন তাহলে সে দায়িত্ব আমাদের না।’
কমিশনের রোডম্যাপ অনুযায়ী সব নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারব এটাই আমাদের অঙ্গীকার—এমন উল্লেখ করে আশফাকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের মূল জায়গা উপজেলা নির্বাচন অফিস। এখানে সব ধরনের কাজ সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। আমরা রোবট নই। আমাদের উপর সব দায়-দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হয়। আমরা পদবঞ্চিত। আমরা বছরের পর বছর ধরে বঞ্চিত হয়ে আসছি। নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করে নির্বাচন সার্ভিস কমিশন গঠন করতে হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করব প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে আমাদের যা যা প্রয়োজন আছে তার বাস্তবায়ন করতে হবে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার পদ ৬ষ্ঠ গ্রেডে উন্নিত করতে হবে এবং সহকারী নির্বাচন অফিসারদের পদ ৯ম গ্রেডে উন্নিত করতে হবে। উপজেলা নির্বাচন অফিসারদের ডাবল কেবিন গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে এবং সহকারী নির্বাচন অফিসারদের জন্য একটি করে মোটরসাইকেল দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তরের ফ্যাসিস্ট সরকারের কালো আইনটি বাতিল করতে হবে।’
একটা সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে হবে জানিয়ে আশফাকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কমিশনের কাছে দাবি করব আমাদের প্রয়োজনীয়তাগুলো অনুধাবন করবেন। আমাদের সহযোগিতা করেন, আমরাও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবো।’
সভায় অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসচিব মো. ইউসুফ-উর রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৬ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে