নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সারা দেশের পথশিশুদের তথ্য নিয়ে ডাটাবেজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। তিনি বলেছেন, ‘পথশিশুদের জন্য ডেটাবেজ করা হচ্ছে। সারাদেশের পথশিশুদের তথ্য এখানে সংরক্ষিত থাকবে। প্রত্যেক পথশিশুকে একটি ইউনিক নম্বর দেওয়া হবে।’
আজ বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) তিন দিনব্যাপী জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা সম্মেলন-২০২৫ এর শেষ দিনে সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমিন এস. মুরশিদ। তিনি সামাজিক সুরক্ষায় অধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘সামাজিক সুরক্ষা কেবল ভাতা নয়, এটি ক্ষুধা ও দারিদ্রতার বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার। আসুন আমরা এমন এক নতুন সামাজিক চুক্তি গড়ে তুলি, যেখানে সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাবে, এবং প্রত্যেক নাগরিক নিরাপদ, সম্মানিত ও স্বপ্ন দেখার স্বাধীনতা পাবে।’
সম্মেলনের ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসান। ঘোষণাপত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক, অভিযোজনযোগ্য এবং জেন্ডার-সংবেদনশীল সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর জন্য সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কভারেজ বৃদ্ধি, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন শক্তিশালী করা, জলবায়ু সহনশীলতা অন্তর্ভুক্ত করা এবং সব কর্মসূচিতে জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করা।
সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। তিনি বলেন, যখন আমাদের বিপুল জনগোষ্ঠী সহায়তা থেকে বঞ্চিত থাকে, তখন আমাদের কেউই প্রকৃতপক্ষে নিরাপদ নই। ন্যায় ছাড়া প্রবৃদ্ধি কোনো প্রবৃদ্ধি নয়। আমরা আশা করি , এই সুপারিশগুলো কাজে লাগিয়ে ২০২৬-পরবর্তী জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করব। এখানকার অভিজ্ঞতা আমাদের এমন এক কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করবে, যেখানে কাউকে পেছনে ফেলে রাখা হবে না।
ইউএনডিপি (জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি) বাংলাদেশের উপ আবাসিক প্রতিনিধি সোনালি দয়ারত্নে বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের সর্বশেষ এসডিজি প্রতিবেদন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অগ্রগতি হলেও প্রায় অর্ধেক বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা খুব ধীরে এগোচ্ছে, আর অনেকগুলো পিছিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ২০২৬-এর দিকে এগোতে থাকায়, এই সম্মেলনের অন্তর্দৃষ্টি ও সুপারিশসমূহ আগামী প্রজন্মের সামাজিক সুরক্ষা নীতি ও কর্মসূচি প্রণয়নে ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। আমি আনন্দিত যে এই অগ্রাধিকার ও সম্ভাব্য উদ্যোগসমূহ ইউএনডিপি’র ‘সামাজিক সুরুক্ষার প্রতিশ্রুতির এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সম্মেলনের সমাপনী দিনে আরও উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন ঢাকার ফার্স্ট সেক্রেটারি ও হেড অব ডেভেলপমেন্ট সৈয়দ হায়দার, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মনজুর হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ প্রমুখ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত এ সম্মেলনের কারিগরি সহায়তা দিয়েছে ইউএনডিপি’র সোশ্যাল সিকিউরিটি পলিসি সাপোর্ট (এসএসপিএস) প্রোগ্রাম এবং আর্থিক সহায়তা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার (ডিএফএটি)। তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী, একাডেমিক, সিভিল সোসাইটি প্রতিনিধি এবং তৃণমূলের কণ্ঠস্বর একত্রিত হয়েছিল। সম্মেলন সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, ন্যায্য সমাজ গঠনের জন্য কেবল শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষা জালই যথেষ্ট নয়; বরং নাগরিকদের ক্ষমতায়ন, সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং সকলের মর্যাদা নিশ্চিত করার পথও তৈরি করতে হবে।

সারা দেশের পথশিশুদের তথ্য নিয়ে ডাটাবেজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। তিনি বলেছেন, ‘পথশিশুদের জন্য ডেটাবেজ করা হচ্ছে। সারাদেশের পথশিশুদের তথ্য এখানে সংরক্ষিত থাকবে। প্রত্যেক পথশিশুকে একটি ইউনিক নম্বর দেওয়া হবে।’
আজ বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) তিন দিনব্যাপী জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা সম্মেলন-২০২৫ এর শেষ দিনে সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমিন এস. মুরশিদ। তিনি সামাজিক সুরক্ষায় অধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘সামাজিক সুরক্ষা কেবল ভাতা নয়, এটি ক্ষুধা ও দারিদ্রতার বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার। আসুন আমরা এমন এক নতুন সামাজিক চুক্তি গড়ে তুলি, যেখানে সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাবে, এবং প্রত্যেক নাগরিক নিরাপদ, সম্মানিত ও স্বপ্ন দেখার স্বাধীনতা পাবে।’
সম্মেলনের ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসান। ঘোষণাপত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক, অভিযোজনযোগ্য এবং জেন্ডার-সংবেদনশীল সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর জন্য সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কভারেজ বৃদ্ধি, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন শক্তিশালী করা, জলবায়ু সহনশীলতা অন্তর্ভুক্ত করা এবং সব কর্মসূচিতে জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করা।
সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। তিনি বলেন, যখন আমাদের বিপুল জনগোষ্ঠী সহায়তা থেকে বঞ্চিত থাকে, তখন আমাদের কেউই প্রকৃতপক্ষে নিরাপদ নই। ন্যায় ছাড়া প্রবৃদ্ধি কোনো প্রবৃদ্ধি নয়। আমরা আশা করি , এই সুপারিশগুলো কাজে লাগিয়ে ২০২৬-পরবর্তী জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করব। এখানকার অভিজ্ঞতা আমাদের এমন এক কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করবে, যেখানে কাউকে পেছনে ফেলে রাখা হবে না।
ইউএনডিপি (জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি) বাংলাদেশের উপ আবাসিক প্রতিনিধি সোনালি দয়ারত্নে বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের সর্বশেষ এসডিজি প্রতিবেদন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অগ্রগতি হলেও প্রায় অর্ধেক বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা খুব ধীরে এগোচ্ছে, আর অনেকগুলো পিছিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ২০২৬-এর দিকে এগোতে থাকায়, এই সম্মেলনের অন্তর্দৃষ্টি ও সুপারিশসমূহ আগামী প্রজন্মের সামাজিক সুরক্ষা নীতি ও কর্মসূচি প্রণয়নে ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। আমি আনন্দিত যে এই অগ্রাধিকার ও সম্ভাব্য উদ্যোগসমূহ ইউএনডিপি’র ‘সামাজিক সুরুক্ষার প্রতিশ্রুতির এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সম্মেলনের সমাপনী দিনে আরও উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন ঢাকার ফার্স্ট সেক্রেটারি ও হেড অব ডেভেলপমেন্ট সৈয়দ হায়দার, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মনজুর হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ প্রমুখ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত এ সম্মেলনের কারিগরি সহায়তা দিয়েছে ইউএনডিপি’র সোশ্যাল সিকিউরিটি পলিসি সাপোর্ট (এসএসপিএস) প্রোগ্রাম এবং আর্থিক সহায়তা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার (ডিএফএটি)। তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী, একাডেমিক, সিভিল সোসাইটি প্রতিনিধি এবং তৃণমূলের কণ্ঠস্বর একত্রিত হয়েছিল। সম্মেলন সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, ন্যায্য সমাজ গঠনের জন্য কেবল শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষা জালই যথেষ্ট নয়; বরং নাগরিকদের ক্ষমতায়ন, সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং সকলের মর্যাদা নিশ্চিত করার পথও তৈরি করতে হবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আজ রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলো। দলগুলোর এই অভিযোগের কাঠগড়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল ইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আগামীকাল রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৯ ঘণ্টা আগে
পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ইনতা লাসে বলেন, ‘আপনারাই মাঠে থাকবেন। বাস্তবতা দেখবেন। প্রতিটি জেলায় পরিস্থিতি কীভাবে এগোচ্ছে, তা ঢাকায় আমাদের জানাবেন। আপনার মাঠপর্যায়ের মূল্যায়ন ও প্রতিবেদন আমরা গুরুত্বের সঙ্গে প্রত্যাশা করছি। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকেরা আমাদের মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের পর্যবেক্ষণ...
১০ ঘণ্টা আগে