নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ‘সারা বিশ্ব অবাধ তথ্য প্রবাহের সময় অতিক্রম করছে। বাংলাদেশও কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। প্রতি মুহূর্তের সংবাদ পরিবেশন, সংবাদ সম্মেলন ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণের জন্য মিডিয়া সেন্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ক স্টেশন।’
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের সংস্কারোত্তর মিডিয়া সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্পিকার।
শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘পার্লামেন্ট বিটের সাংবাদিকেরা বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি নিবিড়ভাবে অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা করে সংসদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সংবিধানের মূলনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অক্ষুণ্ন রেখে গণমাধ্যম জনমত গঠনে একটি কার্যকরী মাধ্যম।’
স্পিকার বলেন, ‘গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সহযোগিতার জন্য মিডিয়া সেন্টারকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।’
স্পিকার বলেন, ‘জাতীয় সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা পূরণের প্রতীক। জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের পরম অভিব্যক্তিরূপে সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা জাতীয় সংসদ প্রতিপালন করে থাকে।’
তিনি বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্র সমুন্নত ও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকরণ মিডিয়ার বহুমাত্রিক ভূমিকা রয়েছে।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদ পরিচালনায় আমাদের সংবিধান ও কার্যপ্রণালী বিধি দিয়ে গিয়েছেন। এদের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে সংসদকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।’
চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, সংসদীয় কমিটি বৈঠকের নির্ভুল সংবাদ প্রচারের স্বার্থে, মিটিং শেষ হওয়ার পর কমিটির সদস্যগণ যেন মিডিয়া সেন্টারে এসে প্রেস ব্রিফিং করেন, সেটি নিশ্চিত করতে মিডিয়াকর্মীদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর জাতীয় সংসদে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে এবং বিরোধী দলের গঠনমূলক আলোচনার ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—হুইপ সাইমুম সারওয়ার কমল, হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু ও হুইপ মাশরাফি বিন মুর্তজা।
এ ছাড়াও বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন আল রশীদ, সহসভাপতি মশিউর রহমান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরান রেজা চৌধুরী বক্তব্য প্রদান করেন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ‘সারা বিশ্ব অবাধ তথ্য প্রবাহের সময় অতিক্রম করছে। বাংলাদেশও কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। প্রতি মুহূর্তের সংবাদ পরিবেশন, সংবাদ সম্মেলন ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণের জন্য মিডিয়া সেন্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ক স্টেশন।’
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের সংস্কারোত্তর মিডিয়া সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্পিকার।
শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘পার্লামেন্ট বিটের সাংবাদিকেরা বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি নিবিড়ভাবে অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা করে সংসদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সংবিধানের মূলনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অক্ষুণ্ন রেখে গণমাধ্যম জনমত গঠনে একটি কার্যকরী মাধ্যম।’
স্পিকার বলেন, ‘গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সহযোগিতার জন্য মিডিয়া সেন্টারকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।’
স্পিকার বলেন, ‘জাতীয় সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা পূরণের প্রতীক। জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের পরম অভিব্যক্তিরূপে সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা জাতীয় সংসদ প্রতিপালন করে থাকে।’
তিনি বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্র সমুন্নত ও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকরণ মিডিয়ার বহুমাত্রিক ভূমিকা রয়েছে।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদ পরিচালনায় আমাদের সংবিধান ও কার্যপ্রণালী বিধি দিয়ে গিয়েছেন। এদের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে সংসদকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।’
চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, সংসদীয় কমিটি বৈঠকের নির্ভুল সংবাদ প্রচারের স্বার্থে, মিটিং শেষ হওয়ার পর কমিটির সদস্যগণ যেন মিডিয়া সেন্টারে এসে প্রেস ব্রিফিং করেন, সেটি নিশ্চিত করতে মিডিয়াকর্মীদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর জাতীয় সংসদে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে এবং বিরোধী দলের গঠনমূলক আলোচনার ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—হুইপ সাইমুম সারওয়ার কমল, হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু ও হুইপ মাশরাফি বিন মুর্তজা।
এ ছাড়াও বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন আল রশীদ, সহসভাপতি মশিউর রহমান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরান রেজা চৌধুরী বক্তব্য প্রদান করেন।

সরকার স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করলে তারাই সবচেয়ে লাভবান হবে বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। আজ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে গণমাধ্যম সম্মিলনে তিনি এ কথা বলেন।
২৪ মিনিট আগে
দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেছেন, নির্বাচিত সরকার এলেই সাংবাদিকেরা সব পেয়ে যাবেন, এমন ভাবার কারণ নেই। আজ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে গণমাধ্যম সম্মিলনে তিনি এসব কথা বলেন।
২ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে আক্রমণ বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর।
৩ ঘণ্টা আগে
মতপ্রকাশ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর সংগঠিত হামলার প্রতিবাদে এবং সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জানাতে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে শুরু হয়েছে গণমাধ্যম সম্মিলন-২০২৬।
৩ ঘণ্টা আগে