
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আজ সোমবার দুদকের সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন
দুদক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি গণমাধ্যমে বেনজীর আহমেদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একাধিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধানের বিষয়ে সম্মত হয় দুদক।
এদিকে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের প্লট, ফ্ল্যাট গাড়িসহ নানা সম্পদ থাকার অভিযোগ নিয়ে গতকাল রোববার দুদকে অভিযোগ করেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, বেনজীর আহমেদের যে বৈধ আয় তার চেয়ে পরিবারের সদস্যদের সম্পদের পরিমাণ বেশি। ফলে তাঁর চাকরি থাকাকালে এসব সম্পদ গড়েছেন বলে মনে করা যায়।
এর আগে শনিবার (২০ এপ্রিল) পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘আমার কিছু কথা’ শিরোনামে একটি ভিডিও আপলোড করেন। সেখানে তিনি অবৈধ সম্পদ নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে, তার দালিলিক প্রমাণ দিতে পারলে প্রমাণদাতাকে সেই সম্পদ বিনা মূল্যে দিয়ে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন।
আরও পড়ুন:

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া অন্তত ৫০ হাজার কনস্টেবলের বড় একটি অংশের পরিবারের সঙ্গে দলটির রাজনীতির সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ ছাড়া অনেকের নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব, ভুয়া স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার ও জেলা কোটা অপব্যবহার হয়েছে। তদন্তে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
২ ঘণ্টা আগে
১৯৮১ সালের ১ জুন। রাত আড়াইটা। জে. মঞ্জুরকে বহনকারী জিপটি এক টানে সেনানিবাস থেকে বের হয়ে চলতে লাগাল হাটহাজারীর দিকে। অন্ধকার রাস্তা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে জিপ। জেনারেল মঞ্জুর হঠাৎ করে গাড়ি থামাতে বললেন। রাজি হলেন না মেজর মোজাফফর। তিনি বললেন, ‘আমাদের আর একটু এগিয়ে গিয়ে থামা উচিত।...
৪ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর দলীয় তদন্তে নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইমলামী। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদীয় দল থেকে পদত্যাগ কিংবা সংসদে...
৭ ঘণ্টা আগে
আমরা বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা তৈরির চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রীরও স্পষ্ট নির্দেশনা হলো, সরকারি অর্থে আর সবকিছু করার প্রয়োজন নেই। যেখানে সম্ভব, বেসরকারি খাতকে দায়িত্ব দেওয়া। বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোকে বেসরকারিকরণ করতে চায় সরকার। ভারতের বিভিন্ন শহরে এই ধরনের উদাহরণ রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে