নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ‘এসব মৃত্যু আমাদের সবার জন্য দুঃখজনক, বিব্রতকর।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে অবিলম্বে মুক্তি দিতে এবং আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানিতে এমন মন্তব্য করেন হাইকোর্ট।
আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের বেঞ্চে দ্বিতীয় দিনের মতো ওই রিটের ওপর শুনানি হয়।
শুনানিতে রিটের পক্ষে নারায়ণগঞ্জে বাড়ির ছাদে গুলি লেগে রিয়া গোপসহ কয়েকজন শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি পত্রিকা থেকে পড়ে শোনান ব্যারিস্টার অনীক আর হক। এ সময় হাইকোর্ট বলেন, ‘এসব মৃত্যু আমাদের সবার জন্য দুঃখজনক, বিব্রতকর। আমরা কোর্টে ইমোশনের বিষয়টি অ্যাড্রেস করব না। আমরা নিজেরা লজ্জিত।’
হাইকোর্ট বলেন, ‘কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে পুলিশ কী আচরণ করবে, তা পিআরবিতে বলা আছে।’
অনীক আর হক বলেন, ‘রামপুরায় বিটিভি-মেট্রোরেলে যখন আগুন লাগানো হয়েছে, তখন একটি গুলিও চলেনি। গুলি হয়েছে মিছিলে। যখন কোনো বিষয় এক্সট্রিম পর্যায়ে চলে যায়, তখন ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে গুলি করতে পারে।’
হাইকোর্ট বলেন, ‘এক্সট্রিম পর্যায়ের বিষয়টি তো কোশ্চেন অব ফ্যাক্ট।’
অনীক আর হক বলেন, ‘আমাদের সাবমিশন প্রথমেই যাতে লাইভ গুলি না চালানো হয়।’
আদালত বলেন, ‘পুলিশ তো পরিস্থিতি অনুযায়ী রাবার বুলেট ছুড়তে পারে। না হলে মাইকে ঘোষণা দেবে, এরপর গুলি করতে বাধ্য হব। কারফিউর মধ্যে তো গুলি হয়নি।’
অনীক আর হক বলেন, ‘কারফিউর মধ্যে কেউ তো বেরও হয়নি। তারা পিআরবি ফলো করুক। আমরা চাই না কোথাও পুলিশের ওপর আক্রমণ হোক। আমরা বলছি না পুলিশ তাদের কাজ করবে না।’
হাইকোর্ট বলেন, ‘আমরা এমন কোনো কাজ করব না, যাতে জাতির ক্ষতি হতে পারে।’
অনীক আর হক বলেন, ‘জাতির ক্ষতির মধ্যে মানুষের জীবনও আছে। আমরা বলছি লাইভ (সরাসরি) গুলি যাতে না করা হয়। আগে রং দেওয়া পানি দেওয়া হতো, গরম পানি মারা হতো।’
এর আগে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানজুর-আল-মতিন ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা রিটটি করেন। হাইকোর্ট এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল (বুধবার) দিন ধার্য করেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ‘এসব মৃত্যু আমাদের সবার জন্য দুঃখজনক, বিব্রতকর।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে অবিলম্বে মুক্তি দিতে এবং আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানিতে এমন মন্তব্য করেন হাইকোর্ট।
আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের বেঞ্চে দ্বিতীয় দিনের মতো ওই রিটের ওপর শুনানি হয়।
শুনানিতে রিটের পক্ষে নারায়ণগঞ্জে বাড়ির ছাদে গুলি লেগে রিয়া গোপসহ কয়েকজন শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি পত্রিকা থেকে পড়ে শোনান ব্যারিস্টার অনীক আর হক। এ সময় হাইকোর্ট বলেন, ‘এসব মৃত্যু আমাদের সবার জন্য দুঃখজনক, বিব্রতকর। আমরা কোর্টে ইমোশনের বিষয়টি অ্যাড্রেস করব না। আমরা নিজেরা লজ্জিত।’
হাইকোর্ট বলেন, ‘কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে পুলিশ কী আচরণ করবে, তা পিআরবিতে বলা আছে।’
অনীক আর হক বলেন, ‘রামপুরায় বিটিভি-মেট্রোরেলে যখন আগুন লাগানো হয়েছে, তখন একটি গুলিও চলেনি। গুলি হয়েছে মিছিলে। যখন কোনো বিষয় এক্সট্রিম পর্যায়ে চলে যায়, তখন ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে গুলি করতে পারে।’
হাইকোর্ট বলেন, ‘এক্সট্রিম পর্যায়ের বিষয়টি তো কোশ্চেন অব ফ্যাক্ট।’
অনীক আর হক বলেন, ‘আমাদের সাবমিশন প্রথমেই যাতে লাইভ গুলি না চালানো হয়।’
আদালত বলেন, ‘পুলিশ তো পরিস্থিতি অনুযায়ী রাবার বুলেট ছুড়তে পারে। না হলে মাইকে ঘোষণা দেবে, এরপর গুলি করতে বাধ্য হব। কারফিউর মধ্যে তো গুলি হয়নি।’
অনীক আর হক বলেন, ‘কারফিউর মধ্যে কেউ তো বেরও হয়নি। তারা পিআরবি ফলো করুক। আমরা চাই না কোথাও পুলিশের ওপর আক্রমণ হোক। আমরা বলছি না পুলিশ তাদের কাজ করবে না।’
হাইকোর্ট বলেন, ‘আমরা এমন কোনো কাজ করব না, যাতে জাতির ক্ষতি হতে পারে।’
অনীক আর হক বলেন, ‘জাতির ক্ষতির মধ্যে মানুষের জীবনও আছে। আমরা বলছি লাইভ (সরাসরি) গুলি যাতে না করা হয়। আগে রং দেওয়া পানি দেওয়া হতো, গরম পানি মারা হতো।’
এর আগে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানজুর-আল-মতিন ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা রিটটি করেন। হাইকোর্ট এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল (বুধবার) দিন ধার্য করেন।

২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
২ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার কোনো আসামি যাতে জামিন, অব্যাহতি বা খালাস না পান, তা নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
৩ ঘণ্টা আগে