
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক রেলমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. জিল্লুল হাকিমের ঢাকা ও পাংশায় দুটি বাড়ি এবং সজ্জনকান্দায় ৫০ শতাংশ জমি ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ।
তানজির আহমেদ বলেন, সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ও জমি ক্রোকের নির্দেশ চেয়ে আবেদন করেছিলেন দুদকের উপপরিচালক মোজাম্মিল হোসেন।
আবেদনে বলা হয়, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ও অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে জিল্লুল হাকিম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।
অনুসন্ধান চলাকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সাবেক রেলমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ বিক্রি, হস্তান্তর বা স্থানান্তর করার চেষ্টা করছেন। এই অবস্থায় তাঁদের স্থাবর সম্পদ ক্রোক করার নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন।
দুদকের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে ঢাকার উত্তরা মডেল টাউনে পাঁচ কাঠা জমির ওপর নির্মিত জিল্লুল হাকিমের ছয়তলা বাড়ি, রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় ৩০ শতাংশ জমির মধ্যে নির্মিত তিনতলা বাড়ি ও রাজবাড়ীর সজ্জনকান্দায় ৫০ শতাংশ জমি ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে গত বছরের ১৭ অক্টোবর সাবেক রেলমন্ত্রী, তাঁর স্ত্রী ও ছেলের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন একই আদালত।

সরবরাহে ঘাটতি খুব সামান্য। মজুত নিয়েও আপাতত বড় দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। এরপরও সারা দেশের তেলের পাম্পগুলোতে এক মাস ধরে যেন ‘হাহাকার’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল ও বিশ্লেষকেরা বলছেন, মূলত দুর্বল পরিকল্পনা, তথ্যের ঘাটতি, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাপর্যায়ে কিছু মজুতদারিতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
কিছুক্ষণ পর ২৫-৩০ জন পুলিশ ওই চায়ের দোকানের সামনে আসে। কিছু পুলিশ সদস্য উচ্চস্বরে বলছিলেন—‘সবাইকে ক্রসফায়ার করে দে’। চায়ের দোকানের শাটার খুলে পুলিশ তাঁদের টেনেহিঁচড়ে বের করে হাতের অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক পেটায়...
২ ঘণ্টা আগে
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, সরকার চাইলে সেগুলো সংশোধন করে, সংযোজন করে নতুন আইন করতে পারে। আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন...
৪ ঘণ্টা আগে
২৮ মার্চ গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক অভিযানে যমুনা অয়েল কোম্পানির মোংলা ডিপোতে জ্বালানি তেলের (ডিজেল) মজুতসংক্রান্ত একটি বিশেষ অসংগতি ধরা পড়ে। অফিস রেকর্ড বা স্টক রেজিস্টারের তুলনায় বাস্তবে মজুতের পরিমাণ সাড়ে ১২ হাজার লিটারের বেশি হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ..
৪ ঘণ্টা আগে