নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক পদ থেকে মো. শরীফ উদ্দিনের চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তাঁকে জ্যেষ্ঠতা এবং সব সুযোগ-সুবিধাসহ চাকরিতে পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সংক্রান্ত রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ বুধবার বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিত দেবনাথের বেঞ্চ এই রায় দেন।
এর আগে গত বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি শরীফ উদ্দিনের চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং বেতন, সব সুবিধাসহ তাঁকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ বুধবার রায় দেওয়া হয়।
২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি শরীফ উদ্দিনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। পরে কোনো ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়াই কোনো কর্মীকে চাকরি থেকে অপসারণ-সংক্রান্ত দুদক কর্মচারী বিধিমালার ৫৪(২) বিধির বৈধতা নিয়ে ও চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে একই বছরের ১৩ মার্চ শরীফ রিটটি করেন। শরীফের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. সালাহ উদ্দীন দোলন।
এদিকে রায়ের পর শরীফ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। ৫ আগস্টে অভ্যুথ্থান না হলে হয়তো আমি ন্যায় বিচার পেতাম না। আমি যাতে সামনের দিনগুলোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কমিশনের আদেশ অনুযায়ী যাতে চলতে পারি সবার কাছে দোয়া চাই।’
উল্লেখ্য, উপসহকারী পরিচালক হিসেবে শরীফ উদ্দিন প্রায় সাড়ে তিন বছর দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। সে সময় এনআইডি সার্ভার ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি ভোটার করার অভিযোগে ২০২১ সালের জুনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একজন পরিচালক, ৬ কর্মীসহ আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেন। এ মামলার পরপর ওই বছরের ১৬ জুন তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে পটুয়াখালীতে বদলি করা হয়। এর আট মাসের মাথায় চাকরি থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তারপর বাধ্য হয়ে চট্টগ্রামের ষোলোশহরে ভাইয়ের একটি কনফেকশনারি দোকানে বসেন শরীফ। সেই খবরটি ২০২২ সালের ৬ নভেম্বর আজকের পত্রিকায় ছাপানো হয়। এর পরপরই ৩৫টি কোম্পানি থেকে চাকরির প্রস্তাব পান শরীফ।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক পদ থেকে মো. শরীফ উদ্দিনের চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তাঁকে জ্যেষ্ঠতা এবং সব সুযোগ-সুবিধাসহ চাকরিতে পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সংক্রান্ত রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ বুধবার বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিত দেবনাথের বেঞ্চ এই রায় দেন।
এর আগে গত বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি শরীফ উদ্দিনের চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং বেতন, সব সুবিধাসহ তাঁকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ বুধবার রায় দেওয়া হয়।
২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি শরীফ উদ্দিনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। পরে কোনো ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়াই কোনো কর্মীকে চাকরি থেকে অপসারণ-সংক্রান্ত দুদক কর্মচারী বিধিমালার ৫৪(২) বিধির বৈধতা নিয়ে ও চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে একই বছরের ১৩ মার্চ শরীফ রিটটি করেন। শরীফের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. সালাহ উদ্দীন দোলন।
এদিকে রায়ের পর শরীফ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। ৫ আগস্টে অভ্যুথ্থান না হলে হয়তো আমি ন্যায় বিচার পেতাম না। আমি যাতে সামনের দিনগুলোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কমিশনের আদেশ অনুযায়ী যাতে চলতে পারি সবার কাছে দোয়া চাই।’
উল্লেখ্য, উপসহকারী পরিচালক হিসেবে শরীফ উদ্দিন প্রায় সাড়ে তিন বছর দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। সে সময় এনআইডি সার্ভার ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি ভোটার করার অভিযোগে ২০২১ সালের জুনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একজন পরিচালক, ৬ কর্মীসহ আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেন। এ মামলার পরপর ওই বছরের ১৬ জুন তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে পটুয়াখালীতে বদলি করা হয়। এর আট মাসের মাথায় চাকরি থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তারপর বাধ্য হয়ে চট্টগ্রামের ষোলোশহরে ভাইয়ের একটি কনফেকশনারি দোকানে বসেন শরীফ। সেই খবরটি ২০২২ সালের ৬ নভেম্বর আজকের পত্রিকায় ছাপানো হয়। এর পরপরই ৩৫টি কোম্পানি থেকে চাকরির প্রস্তাব পান শরীফ।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে